চিনের লাল ফৌজকে শিক্ষা দিতে, লাদাখের পাহাড়ে গেল ভারতের ঘাতক কমান্ডো

8951
শহিদ হবার আগে, একাই বারোজন চিনা সৈন্যকে খতম করে 'ঘাতক কম্যান্ডো' গুরতেজ সিং/The News বাংলা
শহিদ হবার আগে, একাই বারোজন চিনা সৈন্যকে খতম করে 'ঘাতক কম্যান্ডো' গুরতেজ সিং/The News বাংলা

চিনের লাল ফৌজকে শিক্ষা দিতে; এবার লাদাখের পাহাড়ে গেল ভারতের ঘাতক কমান্ডো বাহিনী। ভারত ও চিনের মধ্যে সীমান্ত সংঘাত ঘিরে উত্তেজনার মধ্যেই; চিনা সেনাবাহিনী পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ)-র জওয়ানদের প্রশিক্ষণ দিতে; ২০ জন মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষককে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে সেদেশের সংবাদমাধ্যম। গত ১৫ জুন লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় সংঘাতের আগেও; চিন সেনা ডিভিশনে তিব্বতের স্থানীয় ক্লাবগুলি থেকে স্থানীয় মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষকদের নিয়োগ করেছিল। কিন্তু গালওয়ান সংঘর্ষ দেখিয়ে দিয়েছে; কিভাবে চিনা সেনাদের ঘাড় মটকে মেরেছে ভারতীয় সেনারা।

আরও পড়ুনঃ পাহাড় যুদ্ধে চিনকে কচুকাটা করতে, লাদাখে এল ভয়ঙ্কর গোর্খা বাহিনী

লাদাখ থেকে শিক্ষা নিয়ে; এবার মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষকদের পাঠানো হয়েছে; চিনা সেনাদের শেখাতে। অন্যদিকে, ভারতও মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষিত চিনা সেনার মোকাবিলায়; এবার ঘাতক কমান্ডোদের মোতায়েন করেছে। ১৫ জুন লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় সংঘাতে; হাতাহাতি লড়াইয়ে শহিদ হয়েছেন; ভারতের ২০ জন জওয়ান। এবার তাই হাতাহাতি লড়াই হলে; চিনের লাল ফৌজকে শিক্ষা দিতে; লাদাখ সীমান্তে নিয়ে যাওয়া হয়েছে ভারতের ঘাতক কমান্ডোদের। এঁদের মত নৃশংস সেনা; বিশ্বে খুব কম আছে।

আরও পড়ুনঃ ভারত চিন সীমান্ত উত্তেজনার মধ্যেই, জুলাইয়েই ভারতের হাতে আসছে ৬ টি রাফাল যুদ্ধবিমান

ভারতের এক সেনা আধিকারিক জানিয়েছেন; একজন সেনাকে ঘাতক কমান্ডো হতে; কর্ণাটকের বেলগামে ৪৩ দিনের বিশেষ কমান্ডো ট্রেনিং কোর্স করতে হয়। এই ট্রেনিং অত্যন্ত কঠিন। এর মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরণের ট্রেনিং; যা কমান্ডোদের শারীরিক দিক শক্তিশালী করে তোলে। সবচেয়ে বড় কথা, সবরকমের অস্ত্র প্রশিক্ষণ ছাড়াও; হাতাহাতি লড়াইয়ের প্রশিক্ষণও দেওয়া হয় কমান্ডোদের। তাঁরা মার্শাল আর্টেও বিশেষজ্ঞ। কোনও ইউনিটে মোতায়েন থাকলেও; তাঁরা সেখানেও মার্শাল আর্ট ট্রেনিং করেন। পাহাড় ও মরুভূমি এলাকার জন্য; ভিন্ন ভিন্ন প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

আরও পড়ুনঃ লাদাখে ভারত চিন যুদ্ধ পরিস্থিতি, ৪৫ হাজার ভারতীয় জওয়ান যাচ্ছে সীমান্তে

১৯৯৬-এ ভারত ও চিনের চুক্তি অনুযায়ী; প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার দুই কিলোমিটার ব্যাসের মধ্যে; কোন গোলাগুলি চলবে ন। কোনও ধরনের বিপজ্জনক রাসায়নিক অস্ত্র; বন্দুক বা কোনও ধরনের বিস্ফোরকের ব্যবহার না করার ব্যাপারে সহমত হয়েছিল দুটি দেশ। তাই, চিন সীমান্তে শুধুই হাতাহাতি হয়; যা চরম আকার নেয় গালওয়ানে। এবার তাই, লাদাখে যাচ্ছে; হাতাহাতি লড়াইয়ে ভয়ঙ্কর ঘাতক কমান্ডোদের।

সেনার এক আধিকারিক জানিয়েছেন; ঘাতক কমান্ডো ইউনিটে একজন অফিসার; একজন জেসিও সহ থাকেন ২২ জওয়ান। তবে প্রায় সব ক্ষেত্রেই ব্যাক আপ হিসেবে; থাকে পুরো একটি দল। সেই সূত্রে, একটি ইউনিটে সর্বদা ৪০-৪৫ জন কমান্ডো থাকেন। ভারতীয় সেনার বাছাই করা সৈনিকদেরই; ঘাতক কমান্ডোর প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়ে থাকে। এবার চিনাদের পাহাড়ে শায়েস্তা করতে; লাদাখে ঘাতক কমান্ডো বাহিনী।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন