খুলে যাচ্ছে ভারতের সবচেয়ে বড় সুড়ঙ্গ, চীন সীমান্তে সেনা পৌঁছে যাবে পনেরো মিনিটে

4112
খুলে যাচ্ছে ভারতের সবচেয়ে বড় সুড়ঙ্গ, চীন সীমান্তে সেনা পৌঁছে যাবে পনেরো মিনিটে/The News বাংলা
খুলে যাচ্ছে ভারতের সবচেয়ে বড় সুড়ঙ্গ, চীন সীমান্তে সেনা পৌঁছে যাবে পনেরো মিনিটে/The News বাংলা

চলতি বছরেই; খুলতে চলেছে ভারতের সব থেকে সুড়ঙ্গ। সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে; ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসে খুলে দেওয়া হবে রোটাং সুড়ঙ্গ। ৮.৮ কিলোমিটার (৫.৫ মাইল) দৈর্ঘ্যের এই সুড়ঙ্গ; ভারতের দীর্ঘতম সড়ক সুড়ঙ্গগুলির মধ্যে অন্যতম। ৪০০০ কোটি টাকা খরচে তৈরি এই সুড়ঙ্গ খুলে যাচ্ছে ভারতের সবচেয়ে বড় সুড়ঙ্গ; চীন সীমান্তে সেনা পৌঁছে যাবে পনেরো মিনিটে।

লাদাখে যাওয়ার জন্য দুটি রাস্তা রয়েছে। তার মধ্যে একটি হল লেহ-মানালি রুট।এই সুড়ঙ্গের মধ্যে দিয়ে; সেই রাস্তার দূরত্ব প্রায় ৬০ কিমি কমে যাবে। সুড়ঙ্গটির মধ্যে দিয়ে ৮.৯ কিলোমিটার রাস্তা পার হতে মাত্র ১৫ থেকে ২০ মিনিট সময় লাগবে।

আরও পড়ুনঃ দিদির দ্বিচারিতা, বাংলায় এনআরসি চাই দাবী নিয়ে সংসদ মাথায় তুলেছিলেন এই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

চীন ও পাকিস্তানের সীমান্তে যুদ্ধ সরঞ্জাম পৌঁছানো কিছু কিছু সময়; বিশেষ করে ঠাণ্ডার মরশুমে খুবই কঠিন হয়ে পড়ে। তাই সেনাবাহিনীকে বিশেষ সুবিধা প্রদান করতে ভারত সরকার সুড়ঙ্গ পথ নির্মাণের পরিকল্পনা করেছিল। সেই পরিকল্পনা মত সুড়ঙ্গের কাজ সম্পূর্ণ কড়া হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ পাকিস্তানের পর, সীমান্তে মুখোমুখি সংঘর্ষে ভারত চিন সেনাবাহিনী

অক্টোবার মাস থেকেই বরফপাত শুরু হয়ে যায়; মানালি থেকে লে-লাদাখের বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে। শীতের মাসগুলিতে ভারী তুষারপাত এবং ধসের কারণে অনেক সময় বন্ধ থাকে রাস্তা। এই সময় সেনার কাছে প্রয়োজনীয় রসদ ও সরঞ্জাম পৌঁছন প্রায় অসম্ভব হয়ে যায়। এই সুড়ঙ্গ খুলে গেলে সেই সমস্যার সমাধান হবে।

আরও পড়ুনঃ কাশ্মীর ও বিক্রম কতদিন দৃষ্টি ঘুরিয়ে রাখতে পারবে, দেশে চাকরি যাচ্ছে লক্ষ লক্ষ মানুষের

মূলত সেনা বাহিনীর সুবিধার্থে এই সুড়ঙ্গ বানানো হলেও; পর্যটকদের জন্যও খোলা রাখা হবে সুড়ঙ্গটি। এই সুড়ঙ্গটি আধুনিক 3D টেকনিক দ্বারা সুসজ্জিত করা হয়েছে। পর্যটকদের জন্য থাকবে বিশেষ বাসের ব্যাবস্থা। পর্যটকরা বাসে করে; রোটাং টানেলের মধ্যে দিয়ে ৮.৯ কিমি রাস্তা অতিক্রম করতে পারবে। দীর্ঘ সুড়ঙ্গের মাঝখানে প্রদর্শিত থ্রিডি প্রযুক্তি দেখতে পাবেন।

তথ্য অনুসারে; টানেলের মধ্যে ভ্রমণকারী লোকেদের মনে হবে; যেন তারা থ্রিডি প্রযুক্তির মাধ্যমে বরফের হিমবাহের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। চলতি বছরের ডিসেম্বরের জন্য টানেলটি তৈরির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। বেজায় চিন্তায় পড়েছে চীন।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন