পাহাড় যুদ্ধে চিনকে কচুকাটা করতে, লাদাখে এল ভয়ঙ্কর গোর্খা বাহিনী

36891
পাহাড় যুদ্ধে চিনকে কচুকাটা করতে, লাদাখে এল ভয়ঙ্কর গোর্খা বাহিনী/The News বাংলা
পাহাড় যুদ্ধে চিনকে কচুকাটা করতে, লাদাখে এল ভয়ঙ্কর গোর্খা বাহিনী/The News বাংলা

পাহাড় যুদ্ধে চিনকে কচুকাটা করতে; এবার লাদাখ সীমান্তে এল ভয়ঙ্কর গোর্খা বাহিনী। পাহাড়ি যুদ্ধে তুখোড় নেপালি বা গোর্খা জওয়ানদের; সামলানো বেশ মুশকিল। ভারতীয় সেনায় মোট সাতটি রেজিমেন্টে; প্রায় চল্লিশ হাজার গোর্খা ভারতীয় ফৌজে রয়েছেন। তার মধ্যে আপাতত পাঁচ হাজার গোর্খা সেনাকে; জরুরি ভিত্তিতে মোতায়েন করা হচ্ছে ভারত চিন সীমান্তে। বন্দুকের চেয়ে পাহাড়ের বাঁকে; শত্রুর উপর কুকরি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পরতেই সিদ্ধহস্ত এই গোর্খা বাহিনী।

আরও পড়ুনঃ লাদাখে ভারত চিন যুদ্ধ পরিস্থিতি, ৪৫ হাজার ভারতীয় জওয়ান যাচ্ছে সীমান্তে

লাদাখে ভারত চিন যুদ্ধ পরিস্থিতি; ৪৫ হাজার ভারতীয় জওয়ান যাচ্ছে সীমান্তে। ভারতীয় সেনাবাহিনীতে; হাই অ্যালার্ট জারি করেছে সরকার। সীমান্তের কাছে যুদ্ধের জন্য; প্রস্তুত হচ্ছে ভারতীয় বায়ুসেনা। ভারতীয় বায়ু সেনা, নৌ সেনা এবং স্থলবাহিনীকে; সবরকম পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য; প্রস্তুত থাকতে বলল নরেন্দ্র মোদী সরকার। সেনা সূত্রে জানা গিয়েছে; ভারত এবং চিনের প্রতিটি সীমান্তেই, অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। নিয়ন্ত্রণরেখার খুব কাছে; আরও বেশি সেনা নিয়োগ করা হয়েছে। সকলকেই অতি সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। এবার সেই এলাকায় পাঠান হল; গোর্খা রেজিমেন্ট-কেও।

আরও পড়ুনঃ লাদাখ সীমান্তে চিনের দিকে তাক করে দাঁড়াল, ভারতের খতরনাক ভীষ্ম ট্যাঙ্ক

জানা গেছে, লাদাক সীমান্তের পেট্রোলিং পয়েন্ট ফর্টিনের কাছে; ঘাঁটি গেড়েছে চিনা সেনা। বেশ কিছু এলাকায় ঘাঁটি গেড়ে; এলাকা দখল করে ফেলেছে, চিনের পিপলস লিবারেশন আর্মি। যার মধ্যে রয়েছে বটল নেক পয়েন্ট বা ওয়াই জংশন পেট্রোলিং পয়েন্ট। এই এলাকা ভারতের মধ্যে; সেখানে বেশ কিছু ব্যাঙ্কার গড়েছে চিন। পিপি টেন, ইলেভেন, ইলেভেন এ, টুয়েলভ ও থার্টিনে যাওয়ার রাস্তা; এই ওয়াই জংশন পেট্রোলিং পয়েন্ট থেকেই। ফলে ওই সব এলাকায়; এখন যেতে পারছে না ভারতীয় সেনা।

আরও পড়ুনঃ লাদাখে চিন সীমান্তে কুইক রিঅ্যাকশন সারফেস টু এয়ার মিসাইল বসাল ভারত

সেনা সূত্র জানাচ্ছে; ভারতীয় বায়ুসেনাও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র; সীমান্তের কাছাকাছি নিয়ে গিয়েছে। যাতে যে কোনও প্রয়োজনে; দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া যায়। অন্য দিকে ভারতের নৌসেনা; প্রশান্ত মহাসাগর অঞ্চলে টহল বাড়িয়েছে। তারাও যে কোনও পরিস্থিতি; মোকাবিলার জন্য প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে। এর মধ্যে চিন আর একবার কোনও ভাবে প্ররোচানা দিলে; তা বারুদে আগুন পড়ার মতোই হবে। সেনাকে ফ্রি-হ্যান্ড দিয়েই রেখেছেন; ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। অবস্থা বুঝে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা; সেনার হাতেই ছাড়া রয়েছে।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন