আরবসাগরে অবাধ রাজত্ব চালাতে, নৌসেনার হাতে অত্যাধুনিক স্করপেন সাবমেরিন ‘INS Vagir’

1829
মহাসাগরে অবাধ রাজত্ব চালাতে, নৌসেনার হাতে অত্যাধুনিক স্করপেন সাবমেরিন 'INS Vagir'
মহাসাগরে অবাধ রাজত্ব চালাতে, নৌসেনার হাতে অত্যাধুনিক স্করপেন সাবমেরিন 'INS Vagir'

মহাসাগরে অবাধ রাজত্ব চালাতে; নৌসেনার হাতে এল অত্যাধুনিক স্করপেন সাবমেরিন ‘INS Vagir’। এই নিয়ে, পঞ্চম স্করপেন সাবমেরিন পেল; ভারতীয় নৌসেনা। বৃহস্পতিবার মুম্বইয়ের মাঝগাঁও ডক থেকে; আইএনএস বাগীর নামে ভারতে তৈরি; এই ‘উন্নততর স্টেলথ ডুবোজাহাজ’টিকে; আনুষ্ঠানিক ভাবে আরব সাগরে নামানো হয়। চিন ও পাকিস্তানের বুকে কাঁপন ধরিয়ে; জলপথে সমরসজ্জায় আরও শক্তিশালী ভারত। এবার জলে অবাধ রাজত্ব চালাতে; নৌসেনার হাতে এল; আরও এক অত্যাধুনিক স্করপেন সাবমেরিন। বুধবার মাজগাঁও ডক থেকে যাত্রা শুরু করা ‘INS Vagir’ সাবমেরিন; স্করপেন ক্লাসের পঞ্চম ডুবোজাহাজ।

নৌবাহিনীর এই অনুষ্ঠানে বোতাম টিপে; বাগীরের যাত্রার সূচনা করেন; প্রতিরক্ষা প্রতিমন্ত্রী শ্রীপদ নায়েকের স্ত্রী বিজয়া। শ্রীপদ নায়েক গোয়া থেকে ভিডিয়ো কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে; অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন। এই ডুবোজাহাজ বঙ্গোপসাগর এবং ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে; চিনা নৌবাহিনীর মোকাবিলায় কার্যকর ভূমিকা নেবে; জানিয়েছেন প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা। ১৯৭৩ সালে আইএনএস বাগীর নামে; একটি রুশ ডুবোজাহাজ ভারতীয় নৌসেনার অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল।

আরও পড়ুনঃ বামেদের নাকের ডগায়, জেএনইউ ক্যাম্পাসে বিবেকানন্দ মূর্তি উন্মোচনে মোদী, উ’ত্তপ্ত বিশ্ববিদ্যালয়

ভারতীয় নৌসেনার ‘Project-75’ এর অন্তর্গত; ফরাসি অস্ত্রনির্মাতা DCNS-এর ডিজাইন করা; ছ’টি স্করপেন বা কালভরি ক্লাস সাবমেরিন তৈরি করছে ভারত। এর মধ্যে INS Kalvari ও INS Khanderi নামের দু’টি স্করপেন সাবমেরিন; ভারতীয় নৌসেনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। INS Karanj ও INS Vela’র ‘সি ট্রায়াল’; সাগরে পরীক্ষানিরীক্ষা চলছে। এই ক্লাসের শেষ সাবমেরিন; INS Vagsheer-এর নির্মাণ চলছে।

এই ডুবোজাহাজ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়েছে; স্টেট অফ দ্য আর্ট টেকনোলজি। প্রি-গাইডেড মিসাইল ব্যবহার করে; প্রায় নিঃশব্দে শত্রুকে জলের নিচে ছিন্নভিন্ন করে দিতে পারে ‘INS Karanj’। প্রায় ৬৭ মিটার লম্বা, ওজনে দেড় হাজার টনেরও বেশি; এই ডুবোজাহাজ চওড়ায় প্রায় সাড়ে ছয় মিটার। এটি এমন ভাবে বানানো হচ্ছে, যাতে দীর্ঘক্ষণ জলের তলায়; ডুবে থাকতে পারে। ‘স্করপেন’ থেকে অনায়াসে যুদ্ধজাহাজ ধ্বংস করার; টর্পেডো এবং ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া যাবে। শুধু তাই নয় প্রায় শব্দহীন এই সাবমেরিনটিকে; জলের তলায় খুঁজে পাওয়া প্রায় অসম্ভব। স্টেলথ প্রযুক্তি বা লুকিয়ে থাকার অসাধারণ ক্ষমতার জন্য; এই সাবমেরিনটি ‘সোনার’ বা ‘রেডার’-এ প্রায় অদৃশ্য।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন