শিলিগুড়ির সেবকে পর্যটকদের উদ্ধারকার্যে হাত লাগালো ভারতীয় নৌসেনা

107
শিলিগুড়ির সেবকে পর্যটকদের উদ্ধারকার্যে হাত লাগালো ভারতীয় নৌসেনা/The News বাংলা
শিলিগুড়ির সেবকে পর্যটকদের উদ্ধারকার্যে হাত লাগালো ভারতীয় নৌসেনা/The News বাংলা

বৃষ্টি থামার অপেক্ষা না করেই শুরু হল উদ্ধারকার্য। বিশাখাপত্তনম থেকে নৌসেনার প্রচুর অত্যাধুনিক সরঞ্জাম এসে পৌঁচ্ছায় রবিবার। সোমবার সকালে ১৩ জন নৌ-জওয়ান ও এনডিআরএফের জওয়ান আবার উদ্ধার কার্য শুরু করে। প্রাথমিকভাবে বৃষ্টির জন্য জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের লকগেট বন্ধ রাখা নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকলেও প্রায় ৩ ঘণ্টা গেট বন্ধ করে উদ্ধারকার্য চালানো হয়।

কিছু দিন আগেই; সেবকের করোনেশন ব্রীজের কাছে তিস্তার জলে তলিয়ে যায় পর্যটকের গাড়ি। ওই গাড়িতে ছিলেন; রাজস্থানের ৩ পর্যটক ও গাড়ির চালক। একজন পর্যটকের দেহ গজলডোবার কাছে পাওয়া গেলেও; এখনও পর্যন্ত দুজন পর্যটকসহ গাড়ি চালক নিখোঁজ।

আরও পড়ুনঃ কালীপুজোয় অ্যাজমার বিজ্ঞাপণ করা, প্রিয়াঙ্কার মুখে সিগারেটের ধোঁয়া

পুলিশ সূত্রের খবর; গাড়িটি হিমালয়ান ট্রাভেলসে্র। শিলিগুড়ি থেকে পর্যটকদের নিয়ে সিকিমের দিকে যাচ্ছিল গাড়িটি। সেবকের কোরোনেশন ব্রিজের কাছে এসে আচমকাই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তিস্তায় পড়ে যায় গাড়িটি।

নিখোঁজদের উদ্ধারকার্যে; গাফিলতি হচ্ছে বলে অভিযোগ ওঠে। সেই অভিযোগের উপর ভিত্তি করে; সেবক ফাঁড়ির সামনে ও করোনেশন ব্রীজ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায় লাক্সারি ড্রাইভার ইউনিয়নের পক্ষ থেকে।

আরও পড়ুনঃ মোদীর স্বচ্ছ ভারত অভিযানকে অপমান করে বিতর্কে বিজেপি সাংসদ

এরপরই সিদ্ধান্ত হয় নৌসেনা নামানোর। সেনার সাথে দুজন প্রশিক্ষিত ডুবুরি ও পাঁচটি স্পীড বোট নামানো হয়েছে। ভরা বর্ষার তিস্তার জল সামাল দিতে কালীঝোরা জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের লকগেট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
কিন্তু বৃষ্টির কারণে; জল বিপদসীমার উপরে থাকায় গেট বেশিক্ষণ বন্ধ রাখা সম্ভব হয়নি। ব্যাপক বৃষ্টির কারণে আবার বন্ধ করে দিতে হয় উদ্ধারকার্য।

ইতিমধ্যে; শিলিগুড়ির পর্যটন দপ্তরের অফিসে রাজ্যের পর্যটন; মন্ত্রী গৌতম দেব দেখা করেন তিস্তায় তলিয়ে যাওয়া গাড়ি ড্রাইভার রাকেশ রায়-এর পরিবারের সঙ্গে। নিখোঁজ ড্রাইভারের পরিবারের দুই ব্যক্তিকে সরকারি চুক্তি ভিত্তিক কাজ দেওয়ার কথা জানান।

আরও পড়ুনঃ সন্ত্রাসবাদে মদত দেওয়া পাকিস্তানেই এবার ভয়ঙ্কর জঙ্গি হামলা

অন্যদিকে; নিখোঁজদের পরিবারের সদস্যরা এদিন কিছুটা আশার আলো দেখলেও এখনও পুরোপুরি আশ্বস্ত নন। তাদের অভিযোগ; তিস্তায় বিভিন্ন জায়গায় দেহ ভেসে উঠলেও পুলিশ-প্রশাসন জানাতে দেরি করছে।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন