পর্নোগ্রাফি দেখার প্রবণতা বাড়ছে নারীদের

5829
পর্নোগ্রাফি দেখার প্রবণতা বাড়ছে নারীদের/The News বাংলা
পর্নোগ্রাফি দেখার প্রবণতা বাড়ছে নারীদের/The News বাংলা

বিশ্বে লাফিয়ে বাড়ছে; মেয়েদের পর্নোগ্রাফি দেখার প্রবনতা। গত এক বছরে পর্ন সাইটে; ফিমেল সার্ফিং বেড়েছে ১৪০০ শতাংশ। পর্ন ফর ফিমেল সাইটের সংখ্যা ও তার ফিমেল ভিউয়ারের সংখ্যা ক্রমবর্ধমান। ভারতে নিষিদ্ধ ৮০০ পর্ন সাইট; অথচ পর্ন সাইট সার্ফিং-এ বিশ্বে ভারত তৃতীয় স্থানে। ভারতে পুরুষের তুলনায় মেয়েদের পর্ন সাইট সার্ফিং-এর প্রবনতা বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।

এরকমই সমীক্ষা রিপোর্ট প্রকাশ করেছে; বিশ্বের অন্যতম লিডিং পর্ন সাইট পর্ন হাব। সমীক্ষা রিপোর্ট তারা ভারত সরকারকেও নাকি পেশ করেছে বলে জানিয়েছে। তাদের মতে; ভারতের ক্ষেত্রে ব্যাপারটা বিপজ্জনক হয়ে দাঁড়াচ্ছে। সমীক্ষা রিপোর্টের দুটো দিককে একটু বিশ্লেষণ করা যেতে পারে।

ধূমপান ছাড়তে কি করবেন

পৃথিবী জুড়ে মেয়েদের মধ্যে পর্নো দর্শনের প্রবনতা; লাফিয়ে বাড়ার পেছনে একধিক কারণ আছে। প্রথমতঃ মেয়েদের একান্ত গোপন সেক্সুয়াল ফ্যান্টাসি; যা নিজের বাস্তব জীবনে হয়ত হাতে-কলমে প্রয়োগে অনিচ্ছুক থাকে; কিন্তু ফ্যান্টাসিতে উপভোগ করে।

দ্বিতীয়তঃ অতৃপ্ত দাম্পত্য যা আজকের যুগে ক্রমশঃ বেড়ে চলেছে। সেই অতৃপ্তি ফ্যান্টাসিতে পূরণ করা হয়। তৃতীয়তঃ ভারতের মত বা তার থেকেও বেশি রক্ষণশীল দেশগুলোতে; প্রাক বিবাহ ভরপুর যৌনতা উপভোগের সুযোগ কম মেয়েদেরই থাকে।

ভারতের কথাই যদি ধরা যায়; সুযোগ ও তার সদ্ব্যবহার আগের তুলনায় অনেক বেড়েছে ঠিকই। কিন্তু দেশের সর্বস্তরের মেয়েদের বিচারে; সংখ্যাটা এখনো অনেকটাই কম। সুযোগ থাকলেই; সব মেয়েই যে আগ্রহী হয় তাও নয়। চ্যাসিটি বা ভার্জিনিটির প্রতি আকর্ষণ; এখনো বহু মেয়ের মধ্যে দেখা যায়। সেই সব মেয়েদের কাছে পর্নোগ্রাফিই উপভোগের মাধ্যম হয়ে ওঠে।

আরও পড়ুনঃ কলার মত কলার খোসাও, স্বাস্থ্যের পক্ষে অত্যন্ত উপকারি

চতুর্থতঃ প্রথম বিশ্বের কিছু উন্নত দেশে; আধুনিক নারী মুক্তির জোরালো ছোঁয়া বেশ কিছু কাল আগে থেকে লাগলেও; ভারত সহ বাকি দ্বিতীয় ও তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে; বড়ো জোর গত দু দশক ধরে ধীরে ধীরে ছড়াচ্ছে। এই সব দেশে ঘরে ঘরে হাতে হাতে ইন্টারনেট আরো হালফিলের ব্যাপার। সুতরাং এই সব দেশে স্বভাবতঃই সংখ্যাটা প্রতি বছর ক্রমবর্ধমান হচ্ছে।

ভারতে এই প্রবনতা বিপজ্জনক কেন?

ভারতে আটশো পর্ন সাইট সরকার ব্যান করেছে। তার দ্বারা কিন্তু; ইন্টারনেটে পর্নোগ্রাফি প্রাপ্তি বন্ধ হয়ে যায়নি। বিশেষ প্রযুক্তি ব্যবহার করে তা লভ্য। এছাড়া আছে ডার্ক ওয়েব। আছে প্রচুর আনরেজিসটার্ড ফেক পর্ন সাইট। রেজিস্টার্ড পর্ন সাইটগুলো ব্যান থাকায়; ভারতীয়রা এই সব ডার্ক ওয়েব ও ফেক সাইটের ভিউয়ার হচ্ছে। মেম্বারশিপও নিচ্ছে।

এখান থেকেই মেয়েদের বিপদ বাড়ার আশংকা দেখা দিচ্ছে। ডার্ক ওয়েব মানেই; টেররিজম সহ অজস্র অসামাজিক বেআইনি কাজকর্মের আখড়া। ফেক পর্ন সাইটগুলোয় পর্ন টেলিকাস্টের পাশাপাশি; পর্ন বিজনেস ও এসকর্ট সার্ভিসের নানা ফাঁদ পাতা থাকে। না বুঝে সে সব জায়গায় পা দিয়ে ফেলে; মেয়েরা নিজেদের বিপদের সঙ্গে জড়াচ্ছে।

এই পরিস্থিতিকে তুলে ধরে; পর্ন হাবের পক্ষ থেকে ভারত সরকারকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে যে; সহজে মনিটরিং করা সম্ভব এমন রেজিস্টার্ড সাইটগুলোকে ব্যান না করে; ডার্ক ওয়েব ও ফেক সাইটগুলোর ওপর কড়াকড়ি করা হোক।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন