“চাল, গরু, কয়লা, ত্রিপল, আমফানের টাকা চোর, বাংলার সংস্কৃতি শিখতে হবে মমতার কাছে”, প্রশ্ন জেপি নাড্ডার

1144
"চাল, গরু, কয়লা, ত্রিপল, আমফানের টাকা চোর, বাংলার সংস্কৃতি শিখতে হবে মমতার কাছে", প্রশ্ন জেপি নাড্ডার/TheNewsবাংলা

“চাল, গরু, কয়লা, ত্রিপল, আমফানের টাকা চোর; বাংলার সংস্কৃতি শিখতে হবে মমতার কাছে””; বাংলা সফরে এসে প্রশ্ন তুললেন; বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা। তিনি এদিন প্রশ্ন তোলেন; “চাল চোর-ত্রিপল চোর-গরুর মাফিয়া-কয়লা মাফিয়া; এই কি বাংলার সংস্কৃতি? দু’র্নীতি, স্বে’চ্ছাচারিতার প্রতিনিধিত্ব করেন মমতা”। বাংলা ও বহিরাগত বিতর্কে; এদিন মমতা ও তৃণমূলকে একহাত নিলেন তিনি। বললেন, “সংস্কৃতির প্রতিনিধিত্ব করে বিজেপি”। এদিন তিনি বলেন; “রাজ্যের মানুষের কাছে মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় সরকারের; কোনও বিশ্বাসযোগ্যতা নেই। একমাসের আগেও; মানুষ ভয়ে ছিলেন। এখন ঝড় উঠেছে; বাংলার মানুষ মমতাকে চাইছেন না। এবার ভোটের সময়; সুনামি হবে”।

জে পি এদিন বলেন; “৪০ হাজার গ্রামসভায় যাব আমরা; কৃষকদের কাছে প্রতিজ্ঞা করব; আপনাদের সম্মান ও মর্যাদা রক্ষা করব; কৃষকদের মূল ধারায় নিয়ে আসার চেষ্টা করব। এর জন্য আমরা নতুন কর্মসূচি শুরু করেছি”। এদিন কাটোয়ায় জনসভা করার পরে; বর্ধমানে পৌঁছনোর পর; দলীয় কার্যালয়ে যাওয়ার কথা থাকলেও, প্রথমেই তিনি রোড শোয়ে যোগ দিতে যান।

আরও পড়ুনঃ নতুন দল ফুরফুরার আব্বাসের, সর্বভারতীয় দলের সঙ্গে জোট হলেই ২৯৪ আসনেই মিম-ভাইজানের প্রার্থী

ক্লক টাওয়ারের সামনে থেকে; কার্জন গেট পর্যন্ত রোড শো। এরপর সর্বমঙ্গলা মন্দিরে গিয়ে পুজো দেন; জেপি নাড্ডা। এরপরে দিল্লি ফেরার আগে, সাংবাদিক সম্মেলনে; মমতা ও তৃণমূলের বিরুদ্ধে একের পর এক আক্রমণ করেন। তিনি বলেন, “বাংলা কৃষকদের আয়ের নিরিখে; দেশের ২৯ টি রাজ্য ও কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল নিয়ে ২৪ তম স্থানে। প্রধানমন্ত্রী কৃষকদের সাহায্য করতে চান। ক্ষমতায় এলে বাংলায়; কৃষক সম্মান নিধি প্রকল্প লাগু হবে। মৎস্যজীবীরা রাজ্য ছেড়ে; অন্ধ্রে চলে যাচ্ছে। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছে। প্রশাসনের রাজনীতিকরণ করা হয়েছে”।

আরও পড়ুনঃ গরু ও কয়লা পাচার কাণ্ডে ‘ভাইপো’ ঘনিষ্ঠ বিনয় মিশ্রের আত্মীয় পুলিশ ইনস্পেক্টর অশোক মিশ্রকে দিনভর জেরা

জেপি এদিন বলেন; “বাংলার পদ্ম ফুটছেই। রাজ্যে পরিবর্তন চান মানুষ। আমাদের সরকার এলে; আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প চালু হবে। রাজ্য়বাসী এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন।মমতাজি ও তৃণমূল যে সংস্কৃতির প্রচলন করেছেন; সেটা বাংলার সংস্কৃতি নয়। বাংলার প্রকৃতি সংস্কৃতির বাহক আমরাই। এই সংস্কৃতিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই”।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন