পাউডারের পর বেবি শ্যাম্পুতে শিশুর ক্যান্সার, ফের বিতর্কে জনসন অ্যান্ড জনসন

145
বেবি পাউডার থেকে ক্যান্সারের সম্ভাবনা, বিতর্কে জনসন অ্যান্ড জনসন/The News বাংলা
বেবি পাউডার থেকে ক্যান্সারের সম্ভাবনা, বিতর্কে জনসন অ্যান্ড জনসন/The News বাংলা/

ফের বিতর্কের শীর্ষে; জনসন অ্যান্ড জনসন কোম্পানি। এবার বাচ্চাদের শ্যাম্পুতে; ক্ষতিকারক রাসায়নিক পদার্থ থাকা নিয়ে বিতর্ক। শিশু অধিকার সুরক্ষা জাতীয় কমিশন; জনসন কোম্পানিকে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ওই প্রোডাক্ট; বাজার থেকে তুলে নিতে নির্দেশ দিয়েছে। যদিও বহুজাতিক কোম্পানী জনসনের দাবি; তাদের সব প্রোডাক্ট নিরাপদ।

এর আগেই জনসন অ্যান্ড জনসনের; বেবি পাউডার নিয়েও বিতর্ক হয়। এবার তাদের শ্যাম্পু নিয়েও বিতর্ক শুরু হল। রাজস্থানে সরকারি গবেষণায়; জনসন অ্যান্ড জনসনের শিশু শ্যাম্পুর দুই আলাদা ব্যাচের প্রোডাক্টের মধ্যে; ফরমাল-ডি-হাইড পাওয়া যায়। এরপরই নির্দেশ আসে প্রোডাক্ট বন্ধ করার।

মে মাসের শুরুতেই শিশু অধিকার কমিশনে; একটি অভিযোগ দাখিল করা হয়েছিল। সেই অভিযোগের পর, সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে; জনসনের শ্যাম্পু এবং পাউডারের নমুনা পরীক্ষা করার নির্দেশ দেন তাঁরা। ২৩শে মে কোম্পানির কাছে; কমিশন প্রশ্ন তোলে এই গাফিলতি নিয়ে। তাঁরা নোটিশে; নির্দিষ্ট ব্যাচের সরবরাহ দেরি না করেই বাজার থেকে তুলে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন: উপকারিতা জেনে বাড়িতে মরসুমি ফুলের গাছ লাগান

ফর্মালডিহাইড একটি কার্সিনোজেন হিসাবে পরিচিত; এই কার্সিনোজেন ক্যান্সারের অন্যতম কারণ। এছাড়াও বিভিন্ন ক্ষতিকারক রোগ বাসা বাঁধতে পারে শিশু শরীরে। দেশের প্রায় ৪০০০ কোটি শিশু ব্যবহার যোগ্য দ্রব্য তৈরি করে; সারা দেশের চার ভাগের তিন ভাগ ওষুধ কোম্পানিগুলো।

যেহেতু; নির্দিষ্ট ব্যাচগুলি এখনও বাজারে বিক্রি হচ্ছে এবং জয়পুরের ড্রাগ কন্ট্রোল অফিসারের নোটিশের অবহেলার কারণে প্রোডাক্টগুলো বিক্রি হচ্ছে” বলে জানান শিশু অধিকার কমিশন। গ্রাহকদের সতর্ক করতে কমিশন বিভিন্ন সংবাদপত্র সহ সোশ্যাল মিডিয়া ও খবরের চ্যানেলগুলিতে ইংরেজি ও হিন্দি সহ অন্যান্য স্থানীয় ভাষাতে বিজ্ঞপ্তি দিতে নির্দেশ দেন।

আরও পড়ুন: আপনি কি হজমের সমস্যায় ভুগছেন, দশটি খাবারের মাধ্যমে হজমশক্তি বাড়িয়ে তুলুন

সূত্র থেকে জানা যায়; কোম্পানি এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে। তাঁদের প্রোডাক্টগুলি সম্পূর্ণ নিরাপদ এবং পাউডার বা শ্যাম্পুতে কোনও ক্ষতিকারক উপাদান নেই বলে তাঁরা জানান। রাজস্থানের সরকারি পরীক্ষাগারের সিদ্ধান্ত ভুল বলে দাবী করেছেন তাঁরা।

জনসন কোম্পানি পরীক্ষার ফলাফলকে চ্যালেঞ্জ করেছে। আদালতের আদেশ অনুসারে; পরীক্ষাগারে পুনরায় পরীক্ষার জন্য নমুনা পাঠানো হয়েছে। অ্যাপিলেট ল্যাবরেটরিতে পুনরায় পরীক্ষার প্রক্রিয়া চলছে বলে।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন