কাশ্মীর বিলে বিরোধীতা করেও, মোদী সরকারের বিরুদ্ধে ভোট দিল না মমতার তৃণমূল

349

কাশ্মীর বিলে বিরোধীতা করেও; মোদী সরকারের বিরুদ্ধে ভোট দিল না মমতার তৃণমূল। সোমবার রাজ্যসভায় ‘জম্মু ও কাশ্মীর পুনর্গঠন বিল ২০১৯’ পাশ হয়। রাজ্যসভায় এই বিলটির পক্ষে ভোট পড়ে ১২৫টি; বিপক্ষে পড়ে ৬১টি। এরপর মঙ্গলবার লোকসভাতেও এই বিল পাশ হয়ে যায়। ৩৭০ ধারা বিলোপ প্রস্তাবের পক্ষে ভোট পড়েছিল ৩৭০টি; আর ৭০টি পড়েছিল বিপক্ষে। কিন্তু কাশ্মীর বিলের বিরোধীতা করেও; এদিন মোদী সরকারের বিরুদ্ধে ভোট দেয়নি কোন তৃণমূল সাংসদ।

মোদী সরকারের কাশ্মীর থেকে; ৩৭০ ধারা প্রত্যাহারের ঘোষণার পর; ওমর আবদ্দুলা এবং মেহবুবা মুফতিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সংসদে তাদের উপস্থিতি না থাকায় বিরোধী দলের সঙ্গে; একাধিক তর্ক-বিতর্কও হয়। ওমর আবদ্দুলা এবং মেহবুবা মুফতির হয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন; “গণতন্ত্রের স্বার্থে ওদের মুক্তি দেওয়া হোক”।

আরও পড়ুনঃ লোকসভাতেও পাস হয়ে গেল জম্মু কাশ্মীর বিল, ভোটে বড় ব্যবধানে জয় মোদী সরকারের

তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও; কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা প্রত্যাহারের প্রক্রিয়ার বিরোধিতা করেন। রাজ্যসভায় তৃণমূল এই বিলের বিরোধিতা করে; অধিবেশন ত্যাগ করে। কিন্তু বিলের বিরোধীতা করে বিপক্ষে; তৃণমূল ভোট দেয়নি। লোকসভাতেও একই চিত্র। বিরোধিতা করে ওয়াক আউট। আর বিরুদ্ধে ভোট না দেওয়ায় সুবিধা হয় মোদী সরকারের।

আরও পড়ুনঃ বাংলার চিকিৎসা ব্যবস্থায় মিরাকেল, মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরল ক্যান্সার রোগী

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন “আমি ৩৭০ ধারা তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে; কোনো মন্তব্য করব না। তবে আমি এই পদ্ধতির সঙ্গে একমত নই। আমরা এই বিলকে সমর্থন করতে পারি না। আমরা সংসদে ভোট দিইনি। কারণ তাতে সংসদে রেকর্ড হয়ে থাকবে। সাংবিধানিক; আইনগত এবং পদ্ধতিগতভাবে এটা প্রশংসনীয় নয়। এটা গণতান্ত্রিকভাবেও করা হয়নি”।

এই বিলের বিপক্ষে মত থাকতেও; কেন ভোট দিল না তৃণমূল? সেই প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। শুধুই কি সংসদে রেকর্ডের জন্য? যদি রেকর্ড থেকেই যায়; তাতেই বা দোষ কোথায় খুঁজে পেলেন মাননীয়া? তাহলে কি সংসদ ছেড়ে; আসলে বিলের পক্ষেই দাঁড়ালেন মমতা? কারণ চুপ থাকাও; কিন্তু একপ্রকার সম্মতিরই ইঙ্গিত! রাজনৈতিক মহলে উঠে গেছে প্রশ্ন।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন