প্রথা ভেঙে কেরলে মুখ্যমন্ত্রী মুখ ঘোষণা বিজেপির, বাংলায় মুখ্যমন্ত্রী প্রার্থী কে

6770
প্রথা ভেঙে কেরলে মুখ্যমন্ত্রী মুখ ঘোষণা বিজেপির, বাংলায় মুখ্যমন্ত্রী প্রার্থী কে
প্রথা ভেঙে কেরলে মুখ্যমন্ত্রী মুখ ঘোষণা বিজেপির, বাংলায় মুখ্যমন্ত্রী প্রার্থী কে

প্রথা ভেঙে কেরলে মুখ্যমন্ত্রী মুখ ঘোষণা বিজেপির; বাংলায় মুখ্যমন্ত্রী প্রার্থী কে? এটাই এখন বড় প্রশ্ন। রীতি ভাঙল বিজেপি। ঘোষণা করল মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী। তবে বাংলায় নয়, কেরলে। কেরলে এবারের বিধানসভা নির্বাচনে, বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী প্রার্থী হলেন; ‘মেট্রো ম্যান’ ই শ্রীধরন। বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর নাম; ঘোষণা করা হয়েছে। কেরলের বিজেপি রাজ্য সভাপতি কে সুরেন্দ্রন জানিয়েছেন; “দল শীঘ্রই অন্য প্রার্থীদের নাম, ঘোষণা করবে; তবে দল ক্ষমতায় এলে মুখ্যমন্ত্রী হবেন ই শ্রীধরন”। গত সপ্তাহেই পদ্ম শিবিরে নাম লিখিয়েছিলেন; বয়সে নব্বই ছুঁইছুঁই শ্রীধরণ। কেরলে মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী ঘোষণা হবার পরেই; প্রশ্ন উঠেছে, বাংলায় বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী কে?

‘রীতি’‌ ভেঙে কেরলে বিজেপির মুখ; দেশের ‘‌মেট্রো ম্যান’ ই শ্রীধরণ। ঘোষণা করল গেরুয়া শিবির। ‘‌মেট্রো ম্যান’-কেই সামনে রেখে; কেরলের নির্বাচনী ময়দানে নামছে বিজেপি। বৃহস্পতিবারই গেরুয়া শিবিরের তরফে; আনুষ্ঠানিকভাবে এটা জানিয়ে দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার ‘‌মেট্রো ম্যান’‌ বললেন; “আমি যে কেন্দ্র থেকেই দাঁড়াই না কেন, জিতব। তবে আমি এখন যেখানে থাকি; মানে মলপ্পুরমের পোন্নানি থেকে খুব বেশি দূরে; দাঁড়াতে চাই না। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, এবার বিজেপিই; ক্ষমতায় আসবে কেরলে”।

আরও পড়ুনঃ “মাদ্রাসায় পড়াতেই হবে রামায়ণ, মহাভারত ও গীতা”, নির্দেশ মোদী সরকারের

‘মেট্রো ম্যান’ ই শ্রীধরণ আগেই জানিয়েছিলেন; দল যদি তাঁকে মুখ্যমন্ত্রী পদ প্রার্থী করে; তাহলে তাঁর আপত্তি নেই”। শেষপর্যন্ত সেটাই হল। ৮৮ বছর বয়সি শ্রীধরণ; দিল্লি মেট্রোর অন্যতম স্থপতি। বিজেপি যোগ দিয়েই তিনি বলেন; “আমি মুখ্যমন্ত্রী না হলে; যে যে কাজ করতে চাইছি; সেগুলির উপর গুরুত্ব দিতে পারব না। আমি রাজ্যপাল হতে চাই না। কারণ, সেটা পুরোপুরি সাংবিধানিক পদ। কোনও ক্ষমতাই নেই”।

শ্রীধরন আরও বলেন; “কেরল দেনার ফাঁদে; জড়িয়ে গিয়েছে। প্রচুর ধার হয়ে গিয়েছে। আজ প্রত্যেক মালয়লির ধার; ১.২ লক্ষ টাকার। তার মানে আমরা দেউলিয়া হওয়ার দিকে এগোচ্ছি। তারপরেও সরকার ধার নিয়ে চলেছে। রাজ্যের অর্থনীতিকে ঠিক পথে আনতে হবে। ইউডিএফ ও এলডিএফ পালা করে; কেরল শাসন করছে। তারা রাজ্যের কোনও উন্নতি করতে পারেনি। গত ২০ বছরে রাজ্যে একটিও শিল্প আসেনি। ওরা সবসময়ই কেন্দ্রীয় সরকারের; সঙ্গে ঝগড়া করে”।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন