ভোট শেষ হতেই বাংলায় কার্যত লকডাউন শুরু

1769
ভোট শেষ হতেই বাংলায় কার্যত লকডাউন শুরু
ভোট শেষ হতেই বাংলায় কার্যত লকডাউন শুরু

ভোট শেষ হতেই বাংলায়; কার্যত লকডাউন শুরু। পশ্চিমবঙ্গে বেলাগাম ভাবে বেড়ে চলেছে; করোনার দাপট। আক্রান্তের সংখ্যা প্রতিদিনেই বাড়ছে; লাফিয়ে লাফিয়ে। এই পরিস্থিতিতে বাংলায় গোষ্ঠী সংক্রমণের চেন ভাঙতে; বড় পদক্ষেপ নিল পশ্চিমবঙ্গ ট্রেড অ্যাসোসিয়েশন। কনফেডারেশন অব ওয়েস্ট বেঙ্গল ট্রেড এসোসিয়েশনের কর্তারা; বৃহস্পতিবার থেকেই আগামী চারদিন; কলকাতায় অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের দোকান ছাড়া একাধিক দোকান; বাজার বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বাংলায় করোনা গোষ্ঠী সংক্রমণের চেন ভাঙতে; বন্ধ হল বহু বাজার। এটাই কি লকডাউনের শুরু? উঠে গেল প্রশ্ন।

অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে বিজ্ঞপ্তি জারি করে বলা হয়েছে; আগামী চারদিনের জন্য চাঁদনী চক; প্রিন্সেপ ঘাট; ক্যানিং স্ট্রিট; ম্যাংগো লেন; এজরা স্ট্রিট সহ শহরের বেশ কিছু বাজার বন্ধ থাকবে। করোনা সংক্রমণ ঠেকাতেই এই পদক্ষেপ; বলে জানানো হয়েছে। নিত্য ও অপরিহার্য দ্রব্যের বাজারগুলি খোলা থাকলেও; বৃহস্পতিবার থেকে রবিবার পর্যন্ত বাজার বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যদিও পোস্তা ও অন্যান্য কিছু বাজার; যেগুলিতে খাদ্য দ্রব্য ও প্রাত্যহিক অপরিহার্য সামগ্রী পাওয়া যায়; সেগুলি খোলা থাকবে।

আরও পড়ুনঃ করোনা আক্রান্ত আশাকর্মীকে শোকজ করে, ভোটের ডিউটি-তে পাঠাল রাজ্য প্রশাসন

পশ্চিমবঙ্গ ট্রেড অ্যাসোসিয়েশনের তরফে জানানো হয়েছে; ভোটের দরুন বৃহস্পতিবার কলকাতার দোকান বাজার বন্ধ থাকবে। এদিকে শনিবার ১ মে ছুটির দিন এবং রবিবার এমনিতেই ছুটি। সেক্ষেত্রে শুধুমাত্র; শুক্রবার দোকান বন্ধ রাখলেই পরপর চারদিন; শহরের বড় বাজারগুলি বন্ধ রাখা সম্ভব হবে এবং করোনা সংক্রমণের চেন শৃঙ্খল ভাঙা যাবে। এরপরেও করোনা পরিস্থিতির উন্নতি না হলে; আরও বেশিদিন দোকান বন্ধ রাখা হতে পারে; ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে সংগঠনের তরফে।

আরও পড়ুনঃ গণনায় কি ‘গদ্দারি’র আশঙ্কা, তৃণমূলের সব প্রার্থী এজেন্টদের তলব করলেন মমতা

জামাকাপড়; মোবাইল; হার্ডওয়্যারের দোকান বন্ধ থাকলেও পেট্রল পাম্প; এলপিজি অফিস; ওষুধ; মুদিখানা; শাকসবজি; ফল; মাছ-মাংসের দোকান খোলা থাকবে। বুধবার বাংলায় মৃত্যু হয়েছে; ৭৭ জন কোভিড রোগীর। একদিনে লাফিয়ে বেড়েছে আক্রান্তের সংখ্যাও। নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন; ১৭ হাজার ২০৭ জন। এই পরিস্থিতিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে; বেঙ্গল ট্রেড এসোসিয়েশনের তরফে। যদিও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগেই বলেছেন; “তিনি লকডাউনের বিরুদ্ধে”। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী মোদীও বলেছেন; “লকডাউন সবার শেষ রাস্তা”।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন