দরজা খুলে রেখে, যাত্রীদের বিপদে ফেলেই চলল কলকাতা মেট্রো

162
দরজা খুলে যাত্রীকে বিপদে রেখে, কলকাতা মেট্রো চলল নিজের মতো/The News বাংলা
দরজা খুলে যাত্রীকে বিপদে রেখে, কলকাতা মেট্রো চলল নিজের মতো/The News বাংলা

কলকাতা মেট্রোতে সত্যিই কি নিরাপদে যাত্রীরা? আবার উঠছে প্রশ্ন। দরজা খুলে রেখে; যাত্রীদের বিপদে ফেলেই; এবার চলল কলকাতা মেট্রো। বুধবার সকালে সাড়ে দশটা নাগাদ; আতঙ্কের চেহারা নিল দমদম স্টেশন চত্বর। মেট্রোর দরজাই বন্ধ হল না এদিন। খোলা দরজা নিয়েই; মেট্রো চলল দমদম থেকে নিউ গড়িয়া।

দরজায় পাহারায় ছিল আরপিএফ। মাস ঘুরতে না ঘুরতেই; আবার একবার বিতর্কে জড়াল; কলকাতা মেট্রো। এদিন সকাল ১০টা ৪১ মিনিটের মেট্রোটি ছাড়ে; দমদম থেকে নিউ গড়িয়ার দিকে। তখনই ঘটে বিপত্তি। মেট্রো যাত্রীরা জানিয়েছেন; বারবার চেষ্টা করেও; বন্ধ করা যায়নি দরজা। অফিস টাইমের ব্যাস্ততার কথা মাথায় রেখেই; খোলা দরজা নিয়েই চলতে থাকে মেট্রো।

আরও পড়ুনঃ তোলাবাজির দায়ে পুলিশের জালে এবার দিলীপ

যাত্রীরা জানায়; যান্ত্রিক গোলযোগ নিয়ে কোনরকম ঘোষণাও হয়নি এদিন। দরজা খোলা অবস্থায় মেট্রো চলতে থাকতে; আতঙ্ক ছড়ায় মেট্রো জুড়ে। দরজায় পুলিশ পাহারা থাকলেও তা কতটা নিরাপদ; প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ বাংলার দুর্গা পুজোয় টাইটানিকের লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও

এই ঘটনাকে নিছক যান্ত্রিক ত্রুটি; বলেছেন মেট্রো রেলের মুখ্য জনসংযোগ অধিকারী ইন্দ্রানী বন্দ্যোপাধ্যায়। অন্যদিনের মতোই বুধবার সকালেও; দমদমে মেট্রো ঢোকার পরই হুড়মুড়িয়ে তাতে ওঠেন যাত্রীরা। ভিড় মেট্রোতে বহু চেষ্টা করেও বন্ধ করা যায়নি; পাঁচ নম্বর রেকের একটি দরজা।

আরও পড়ুনঃ বাংলায় ডেঙ্গুর প্রকোপ, ফের প্রশ্নের মুখে মমতার রাজ্য প্রশাসন

মেট্রো কর্মীরা সেই মুহূর্তে চেষ্টা করলেও; ঠিক হয়নি যান্ত্রিক ত্রুটি। পরে বাধ্য হয়ে দরজায় আরপিএফ পাহারায়; ট্রেনটি ছাড়েন কর্তৃপক্ষ। যে কোন মুহূর্তেই ঘটতে পারত বড়সড় বিপদ।

সজল কাঞ্জিলালের ঘটনার পরও; হুঁশ ফেরেনি মেট্রো কর্তৃপক্ষের। বুধবার সকালবেলার অফিস টাইমে ঘটা বিপত্তিতে; প্রশ্ন উঠছে যাত্রী সুরক্ষা নিয়ে। যাত্রীদের গাফিলতিতে আছে জরিমানা; কিন্তু মেট্রো কর্তৃপক্ষের গাফিলতি হলে দায় নেবে কে? কেই বা দেবে জরিমানা! মানুষের জীবন নিয়ে খেলা; কবে বন্ধ করবে; কলকাতা মেট্রো? উঠছে প্রশ্ন।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন