ইসরো দফতরে মোদী হাজির না থাকলে চাঁদে নামত বিক্রম, দাবি এই নেতার

198
ইসরো দফতরে মোদী হাজির না থাকলে চাঁদে নামত বিক্রম, দাবি এই নেতার/The News বাংলা
ইসরো দফতরে মোদী হাজির না থাকলে চাঁদে নামত বিক্রম, দাবি এই নেতার/The News বাংলা

কর্ণাটকের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এইচডি কুমারস্বামী একটি বিবৃতি দিয়ে বড়ো বিতর্ক সৃষ্টি করেছেন। তিনি বলেন যে ইসরোর সদর দফতরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উপস্থিতি “অশুভ” হতে পারে; যার কারণে চন্দ্রায়ণ -২ ল্যান্ডার বিক্রমের সফট অবতরণ’ ব্যর্থ হয়েছিল। ইসরো দফতরে মোদী হাজির না থাকলে চাঁদে নামত বিক্রম; দাবি এই নেতার।

কুমারস্বামী মহীশুরের এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন, “আমি জানি না; তবে সম্ভবত মোদী ISRO তে পা রাখতেই কু-দৃষ্টি লেগে গেছিল চন্দ্রযান-২ এর উপর”। কুমারস্বামী বলেন, মোদী সেপ্টেম্বরে বেঙ্গালুরুতে দেশের জনগণকে এই বার্তা দেওয়ার জন্য এসেছিলেন যে; তিনি চন্দ্রায়ণ প্রবর্তনের পিছনে রয়েছেন। কিন্তু এই প্রকল্পটি ইউপিএ সরকার এবং ২০০৮- ২০০৯ এর সরকার; ও বিজ্ঞানীদের ফলাফল ছিল। কুমারস্বামীর কথা মতো; ‘বেচারা বিজ্ঞানীরা’ ১০-১২ বছর ধরে কঠোর পরিশ্রম করেছেন।

আরও পড়ুনঃ বিজেপির টার্গেট বাংলা, নয় বাঙালি সাংসদকে বিশেষ উপহার

কুমারস্বামীর বক্তব্য অনুযায়ী; মোদী এখানে নিজের প্রচার পেতে এসেছিলেন। মোদী দেখাতে চেয়েছিল যে চন্দ্রযান-২ উনার জন্যেই হচ্ছে। প্রসঙ্গত তিনি এও জানিয়ে দেন; চন্দ্রযান-২ চাঁদে সফট ল্যান্ডিং করার সময় ISRO এর সাথে যোগাযোগ হারিয়ে ফেললেও। বিজ্ঞানীরা এখনও যোগাযোগ করার চেষ্টা করছেন।

কুমারস্বামী কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী বিএস ইয়েদুরাপ্পাকে সব বিষয়ে; কেন্দ্রের সামনে “অসহায়” বলে বর্ণনা করেন। উনি বলেন কোনও কিছুর জন্য রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের কারোর প্রধানমন্ত্রীর কাছে যাওয়ার সাহস নেই। তিনি অভিযোগ করেন যে; এর একটি উদাহরণ হ’ল যখন প্রধানমন্ত্রী মোদী মুখ্যমন্ত্রী এবং অন্যান্য কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের; মধ্যবর্তী রাতে ইসরো সদর দফতর ছেড়ে চলে যাওয়ার ইঙ্গিত দেন।

আরও পড়ুনঃ বিসলেরি জলের বোতল নিষিদ্ধ করে বন্ধ করে দেওয়া হল ফ্যাক্টরি, কি পাওয়া গেল জলে

কুমারস্বামীর অভিযোগ অনুযায়ী; কর্ণাটক মুখ্যমন্ত্রী (ইয়েদিউরাপ্পা) এবং একজন উপ-মুখ্যমন্ত্রী ISRO অফিসে গিয়েছিলেন। তাঁর সাথে দু’জন তিনজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীও ছিলেন। কিন্তু মোদী তাদের সেখান থেকে চলে যাওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন; এবং বলেছিলেন যে তাঁর সেখানে থাকার দরকার নেই।

এরপর রাজ্যের মন্ত্রীদে্র সেখান থেকে চলে আসতে হয়। এই পতিক্রিয়া থেকে; কুমারস্বামী প্রধানমন্ত্রীকে ISRO এর চন্দ্রযান-২ অভিযানের জন্য; অশুভ বলে মন্তব্য করেছেন। যা নিয়ে এখন রাজনৈতিক মহলে তুমুল বির্তক তৈরি হয়েছে।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন