দেশসেবার নজির; কাশ্মীরে শ’হিদ মেজর কৌস্তভ রানে, দুবছরের মধ্যেই সেনায় স্ত্রী কনিকা রানে

2717
দেশসেবার নজির; কাশ্মীরে শ'হিদ মেজর কৌস্তভ রানে, দুবছরের মধ্যেই সেনায় স্ত্রী কনিকা রানে
দেশসেবার নজির; কাশ্মীরে শ'হিদ মেজর কৌস্তভ রানে, দুবছরের মধ্যেই সেনায় স্ত্রী কনিকা রানে

দেশসেবার নজির; কাশ্মীরে শ’হিদ মেজর কৌস্তভ রানে; দুবছরের মধ্যেই সেনায় স্ত্রী কনিকা রানে। ২০১৮ সালে, জম্মু কাশ্মীর সীমান্তে; ২৯ বছর বয়সী মেজর কৌস্তভ রানে বী’রগতি প্রা’প্ত হন। দুই বছর পর, এবার ওনার স্ত্রী সেনার ট্রেনিং শেষ করে; ভারতীয় সেনাতে যোগ দিয়ে; দেশসেবা করার জন্য প্রস্তুত। স্বামীর মৃ’ত্যুর পরে, কনিকা রানে জীবনের সমস্ত সমস্যার মুখোমুখি হয়ে; নিজের পরিবারকে সামলে, অক্লান্ত পরিশ্রম করে; নিজেকে দেশসেবার জন্য তৈরি করেছেন। চেন্নাইয়ে ভারতীয় সেনার অফিসার্স ট্রেনিং অ্যাকাডেমিতে; নিজের প্রশিক্ষণ সম্পূর্ণ করে; এবার তিনি যোগ দিলেন ভারতীয় সেনাতে। দেশসেবার নতুন কাহিনী লিখল; রানে পরিবার। গোটা দেশ আজ শ্রদ্ধা জানাচ্ছে; রানে পরিবারকে। ভারতীয় সেনাবাহিনীতে তৈরি হল; এক নতুন ইতিহাস।

২০১৮ আগস্টে, কাশ্মীর সীমান্তের গুরেজ সেক্টরে; পা’কিস্তান আ’শ্রিত জ’ঙ্গিরা; পা’ক সেনার মদতে ভারতে ঢুকছিল। খবর পেয়ে, কাশ্মীর সীমান্তে; পা’কিস্তানি জ’ঙ্গিদের এই অ’নুপ্র’বেশকে ব্য’র্থ করে; চার ভারতীয় জওয়ান দেশের জন্য; নিজেদের জীবন উ’ৎসর্গ করেন। ভারতের ক্ষ’তি করতে; ব্যর্থ হয় পা’কিস্তান।

ভারতীয় সেনা মেজর কৌস্তভ রানে; পরিবারের সঙ্গে মুম্বাইয়ের মীরা রোডে থাকতেন। কাশ্মীর সীমান্তে, আগস্ট ২০১৮ সালে; তিনি আরও তিন ভারতীয় জওয়ানের সঙ্গে শ’হিদ হন। রাইফেল ম্যান হামির সিং; মনদীপ সিংহ আর বিক্রমজিত সিংহ এর সঙ্গে মেজর কৌস্তভ রানে; দেশের শ’ত্রুদের বি’রুদ্ধে ল’ড়তে গিয়ে; প্রা’ণ বি’সর্জন দেন।

আরও পড়ুনঃ মোদী সরকারের বড়সড় সিদ্ধান্ত, আয়ুর্বেদ চিকিৎসকরাও এবার করবেন রোগীর অ’স্ত্রোপ’চার

মেজর কৌস্তভ রানের মৃ’ত্যুর পরে; স্ত্রী কনিকা রানের কাছে জীবনটা সহজ ছিল না; শুরু হয় ল’ড়াই। তবে, দেশের জন্য ব’লিদান; এখানেই শেষ নয়। কনিকা ঠিক করেছিলেন; তিনিও দেশের সেবায় জীবন উৎ’সর্গ করবেন স্বামীর মত। শুরু হয় প্রস্তুতি। একবছর আগে, ২০১৯ এ কনিকা; সেনার সার্ভিস সিলেকশন বোর্ডের পরীক্ষা পাশ করেন। প্রশিক্ষন শুরু হয়; চেন্নাইয়ে ভারতীয় সেনার অফিসার্স ট্রেনিং অ্যাকাডেমিতে।

একবছরের কঠোর প্রশিক্ষণের পর; তিনি লেফটন্যান্ট পদে যোগ দিলেন; ভারতীয় সেনায়। কনিকা বলেন; “আমি আমার স্বামীর সেই লক্ষ্য আর স্বপ্নগুলোকে, পূরণ করার জন্য ভারতীয় সেনায় এসেছি; যেটা সে পূরণ করে গেছে আজীবন”। সোনার অক্ষরে লেখা হল; দেশসেবার এক অন্যন্য নজির। মেরা ভারত মহান।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন