মহারাষ্ট্রে লেজে-গোবরে, শরদ পাওয়ারের কাছে কিস্তিমাত অমিত শাহ

1330
মহারাষ্ট্রে লেজে-গোবরে বিজেপি/The News বাংলা
মহারাষ্ট্রে লেজে-গোবরে বিজেপি/The News বাংলা

মহারাষ্ট্রে লেজে-গোবরে বিজেপি। বিজেপি চাণক্যের কিস্তিমাত; শরদ পাওয়ারের কাছে। দীর্ঘ জয়ের পর মহারাষ্ট্রে এসে অবশেষে মুখ থুবড়ে পড়ল বিজেপি। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর কোনও পন্থাই খাটল না; মাত্র তিনদিনের মাথাতেই পরে গেল সরকার। মঙ্গলবার ইস্তফা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী সহ উপ-মুখ্যমন্ত্রী। অমিত শাহের ইঙ্গিতেই এই ইস্তফা বলে জানা যাচ্ছে। সংখ্যাগড়িষ্ঠতা না থাকায় মুখ্যমন্ত্রীত্ব পদ থেকে সরে দাঁড়িচ্ছেন ফড়নবীশ।

সারা ভারতে বিজেপি শাসনের উদ্দেশ্য ছিল মোদী-অমিত শাহের। দ্বিতীয়বার প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসে সেই ইচ্ছাই দেখা গিয়েছিল পদ্ম শিবিরে। কিন্তু পাঁচ বছর পরই মহারাষ্ট্রের বিজেপি সরকারের পতন হয়। নির্বাচনের পর; নানান গোলযোগের মধ্যে দ্বিতীয়বারের জন্য শপথ নেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ প্রধানমন্ত্রীর বড় পদক্ষেপ, রেশনের পর স্মার্ট হচ্ছে ভোটার কার্ড

কিন্তু শপথ নেওয়ার মাত্র ৭৮ ঘন্টার মধ্যেই ইস্তফা দিতে বাধ্য হন ফড়নবীশ। অজিত পাওয়ারের দল-বদলকে কেন্দ্র করে মহা নাটকীয় পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল শনিবার থেকে। তিনি বলেছিলেন এনসিপির সব বিধায়ক আছে বিজেপির সমর্থনে। কিন্তু এর প্রতিবাদ করেন শরদ পাওওার নিজে।

আরও পড়ুনঃ একে ৪৭ এর গুলি বুকে নিয়েও কাসভকে ছাড়েন নি তুকারাম

দলীয় বিধায়কের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে; সোমবার বিকালে সংবাদ মাধ্যমের সামনে ১৬২ জনকে একত্র করেন শরদ পাওয়ার। এরপরেই পাশা যায় ঘুরে। মঙ্গলবার শীর্ষ আদালত আস্থা ভোটের দিন ঘোষণার পাশাপাশি জানান; ভোট হবে লাইভ টেলিকাস্টে। অর্থাৎ কোনও রকম গোপনীয়তা থাকবে না এই ভোটে।

আরও পড়ুনঃ থাকছে না কোনও স্থায়ী সরকারী চাকরি, আসছে নতুন বিল

গোপন ব্যালট বাতল করায়; কোনও ভাবেই বিধায়করা চাইলেও; কারচুপি করতে পারবেন না আস্থা ভোটে। বিজেপির যে হার নিশ্চিত; তা তাঁরা জেনে যান। তাই পিছ-পা হাঁটলেন ফড়নবীশ। হেরে গেলেন অমিত শাহের কূটনীতি। অন্যদিকে; বিধায়কদের কার্যত আটকে রেখে বাজি জিতে গেলেন; প্রবীণ রাজনৈতিক নেতা শরদ পাওয়ার।

তবে অমিত শাহের এইভাবে হেরে যাওয়া; মেনে নিতে পারছেন না বিজেপি নেতারা। তাঁরা এখনও অপেক্ষা করছেন; কিছু মিরাক্যালের জন্য। তবে মিরাক্যাল যে আর হবে না; সোমবারই তা প্রমাণ করে দিয়েছেন শরদ পাওয়ার। তাই এবার শরদ পাওয়ারের কাছে কিস্তিমাত অমিত শাহ। এটাই সত্যি; বলছে রাজনৈতিক মহল।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন