বাংলার মমতা প্রধানমন্ত্রীত্বের দিকে এগোতেই, দিল্লিতে হঠাৎ সক্রিয় রাহুল গান্ধী

4973
বাংলার মমতা প্রধানমন্ত্রীত্বের দিকে এগোতেই, দিল্লিতে সক্রিয় রাহুল গান্ধী
বাংলার মমতা প্রধানমন্ত্রীত্বের দিকে এগোতেই, দিল্লিতে সক্রিয় রাহুল গান্ধী

বাংলার মমতা প্রধানমন্ত্রীত্বের দিকে এগোতেই; দিল্লিতে হঠাৎ সক্রিয় রাহুল গান্ধী। সংসদের এখন বাদল অধিবেশন চলছে; আর সেখানেই এবার হঠাৎ অত্যন্ত সক্রিয়; কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। তিনি শুধু পেগাসাস দিয়ে আড়িপাতা নিয়েই সক্রিয় নন; তিনি সামনে থেকে দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন, বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন; সব চেয়ে বড় কথা তিনি বিরোধী দলগুলিকে নিয়ে নিয়মিত বৈঠকও করছেন। বুধবারও রাহুলের সভাপতিত্বে; বিরোধী দলগুলির বৈঠক হয়েছে। বিরোধীদের নিয়ে, মোদী সরকারের বিরোধিতায়; রাহুল যেভাবে নেতৃত্ব দেওয়ার চেষ্টা করছেন; তা ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনের পর আর দেখা যায়নি। মমতার প্রধানমন্ত্রীত্বে আসল বাধা যে রাহুল; সেটা বুঝতে পেরেছেন অগ্নিকন্যাও।

আরও পড়ুনঃ “পদক জিতলে ভারতীয়, নইলে আমরা চিঙ্কি, চাইনিজ, নেপালি, করোনা”

রাহুল এদিন সংসদ ভবনে ১৪টি বিরোধী দলের যে বৈঠক করছেন; তাতে উপস্থিত ছিল, ডিএমকে; এনসিপি; শিবসেনা; আরজেডি; সমাজবাদী পার্টি; সিপিএম; সিপিআই; ন্যাশনাল কনফারেন্স; আপ; মুসলিম লিগ; আরএসপি; কেসিএম এবং ভিসিকে নেতারা। সবচেয়ে অবাক করার বিষয়, তৃণমূলের কোন প্রতিনিধি; সেই বৈঠকে ছিলেন না। মমতা এখন দিল্লিতে; তিনি সাংসদদের নিয়ে বৈঠকও করছেন। কিন্তু রাহুলের ডাকা বিরোধী দলের বৈঠকে; গরহাজির তৃণমূলের কোন নেতা।

রাহুল গান্ধী হঠাৎই; অত্যন্ত সক্রিয় হয়ে উঠেছেন। বুধবার ১৪টা দলকে নিয়ে বৈঠক; মঙ্গলবার কৃষকদের সমর্থনে ট্রাক্টর চালিয়ে সংসদে। রাহুলের এই অতি-সক্রিয়তা এবং বিরোধী দলগুলিকে সঙ্গে নিয়ে; মোদী সরকারের বিরোধিতা করার ঘটনাটা যখন ঘটছে; তখন মমতা দিল্লিতেই। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী যে বিরোধী দলগুলির নেতৃত্ব দিতে চান; মোদীর বিরোধী মুখ হতে চান; সেই বিষয়টি এতদিনে স্পষ্ট। এই পরিস্থিতিতে রাহুলের এই সক্রিয়তাও; অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

রাহুলের হঠাৎ সক্রিয় হয়ে ওঠার পিছনে কি; কোন বার্তা আছে? রাজনৈতিক মহলের মতে, মমতা চেষ্টা সকলেই দেখতে পাচ্ছেন। কিন্তু মমতা এটাও জানেন; কংগ্রেসকে বাদ দিয়ে জোট হবে না। তাই তিনি দিল্লি এসে; সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে কথা বলছেন। আর রাহুলের সক্রিয়তা এবং বিরোধী দলগুলির নেতৃত্ব দেওয়ার চেষ্টা থেকে বোঝা যাচ্ছে; কংগ্রেস অত সহজে মমতাকে জায়গা ছাড়বে না”। বিরোধী দলগুলির নেতৃত্ব দেওয়ার জায়গা; কংগ্রেস এত সহজে তৃণমূলকে ছেড়ে দেবে না। সেই জন্যই কি বুধবার মমতা বলেছেন; “আমার কাজ বেড়ালের গলায় ঘণ্টা বাঁধা”?

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন