পোস্তার ভেঙে পড়া বিবেকানন্দ উড়ালপুলের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে উদ্যোগী রাজ্য

4446
পোস্তার ভেঙে পড়া বিবেকানন্দ উড়ালপুলের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে উদ্যোগী রাজ্য/The News বাংলা
পোস্তার ভেঙে পড়া বিবেকানন্দ উড়ালপুলের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে উদ্যোগী রাজ্য/The News বাংলা

পোস্তার ভেঙে পড়া বিবেকানন্দ উড়ালপুলের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে উদ্যোগী রাজ্য। পুর ভোটের আগে; ওই উড়ালপুল নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্যই নতুন করে এই তৎপরতা শুরু হয়েছে; বলে খবর প্রশাসনিক সূত্রে। মূলত; ওই উড়ালপুল নতুন করে চালু করা যায় কিনা; তা দেখতে বিশেষজ্ঞ পরামর্শদাতা সংস্থাকে দায়িত্ব দিতে চলেছেন; কেএমডিএ কর্তৃপক্ষ। তার জন্য ইতিমধ্যেই; টেন্ডার ডাকা হয়ে গিয়েছে।

প্রশাসনিক সূত্রে খবর; সব ঠিক থাকলে আসন্ন পুরভোটের আগেই; উড়ালপুল পুনর্নির্মানের কাজ শুরু করা হতে পারে। রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম বলেন; ‘এর আগে ব্রিজের স্বাস্থ্য পরীক্ষায় নিয়োজিত কোনও সংস্থাই সঠিকভাবে কিছু জানাতে পারেনি। ব্রিজটি মেরামত করা হবে নাকি; পুরো ভেঙে ফেলা হবে; সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারেনি তারা।

আরও পড়ুন ট্রাম্পকে হত্যা করতে পারলেই বিরাট অঙ্কের অর্থ ঘোষণা ইরানের

সে জন্য নতুন করে; বিশেষজ্ঞ সংস্থাকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে দেওয়া হবে। তারা সবটা খতিয়ে দেখে; হেলথ সেফটি সার্টিফিকেট দেবে। সেই মতো উড়ালপুলের ভেঙে পড়া অংশ মেরামত করে; কী ভাবে আবার চালু করা যায়; তার জন্য পদক্ষপ করা হবে।’

রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন; বিবেকানন্দ উড়ালপুলের বিপর্যয় তৃণমূল সরকারের কাছে অস্বস্তির। উড়ালপুলের একাংশ ভেঙে ;বেশ কয়েক জনের প্রাণহানি হয়েছিল। তার পর বেশ কয়েক বছর কেটে গেলেও; উড়ালপুলের ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি সরকার। ফলে আসন্ন পুরভোটে বিষয়টিকে রাজনৈতিক হাতিয়ার করতে পারে বিরোধীরা। তাই পুরভোটের আগেই কাঁটা তুলে ফেলতে উদ্যোগী হয়েছে; রাজ্য।

কেএমডিএ-র ইঞ্জিনিয়াররা জানাচ্ছেন, বিবেকানন্দ উড়ালপুলের যে অংশটি এখনও অক্ষত রয়েছে; তার ভারবহন ক্ষমতা কতটা এবং গাড়ি চলাচলের উপযোগী কি না; সেটা পরীক্ষা করে দেখবে কনসালট্যান্ট সংস্থা। উড়ালপুলের কোনও অংশ দুর্বল হলে; সেটাকে কী ভাবে শক্তিশালী করা যায়; সে ব্যাপারেও পরামর্শ দেবে।

এদিকে যাত্রী নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে রাজ্য সরকার দ্বিতীয় পর্যায়ে; শহরের আটটি সেতুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করার কাজ শুরু করতে চলেছে। এই সেতুগুলো হল; করুণাময়ী সেতু, আম্বেদকর সেতু, চেতলা আর সিসি সেতু, দুর্গাপুর সেতু, ঢাকুরিয়া সেতু, জীবনানন্দ সেতু, চিৎপুর সেতু ও উত্তর কলকাতার আর জি কর হাসপাতালের সামনে ক্যানাল সেতু।

এই জন্যে দরপত্র ডাকার পড়ে; চারটি বিশেষজ্ঞ সংস্থাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। স্টুপ, আইটি এল koteks, বি এ সিসি,এস জি আর এল এবং লি অ্যাসোসিয়েট এই চারটি সংস্থা সেতুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করার দায়িত্ব পেয়েছে; বলে নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে। শীঘ্রই কাজ শুরু হবে। উল্লেখ্য এর আগে রাজ্য সরকার প্রথম ধাপে; সাতটি উড়াল পুলের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে তা মেরামতি করেছিল।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন