বর্ধমানের কাঠের পুতুল শিল্পকে জিআই সংশাপত্র দিতে উদ্যোগী মমতা

1153
বর্ধমানের কাঠের পুতুল শিল্পকে জিআই সংশাপত্র দিতে উদ্যোগী মমতা/The News বাংলা
বর্ধমানের কাঠের পুতুল শিল্পকে জিআই সংশাপত্র দিতে উদ্যোগী মমতা/The News বাংলা

বর্ধমানের কাঠের পুতুল শিল্পকে জিআই সংশাপত্র দিতে উদ্যোগী মমতা। বর্ধমানের কাঠের পুতুল অতি সুকৌশলে বানিয়ে থাকেন; এখানকার সূত্রধর শিল্পিরা। সেই পদ্ধতি ব্যবহার করে; যাতে অন্য কেউ এই পুতুল ব্যবহার করতে না পারে; তাই এবার বর্ধমানের কাঠের পুতুলকে জিআই সংশাপত্র দিতে উদ্যোগী রাজ্য সরকার। বাংলার রসগোল্লাকে জিআই সংশাপত্র পেতে; ওড়িশার সঙ্গে যুদ্ধের ময়দানে নামতে হয়েছে। দীর্ঘ লড়াইয়ের পর; বাংলা ও ওড়িশা দুজনকেই জিআই সংশাপত্র দেওয়া হয়।

বর্ধমানের সীতাভোগ ও মিহিদানাকেও এই ট্যাগ দেওয়া হয়। এবার বর্ধমানের কাঠের পুতুল পেতে চলেছে; জিআই সংশাপত্র। নতুনগ্রাম ও বর্ধমানের শিল্পীরা বহু বছর ধরে এই কাঠের পুতুল তৈরি করে চলেছেন। নতুনগ্রামের জঙ্গল কেটে সূত্রধর সম্প্রদায়; এই শিল্পের সঙ্গে যুক্ত। নতুনগ্রাম আর জঙ্গল নেই। এখন সেখানে শিল্পোদ্যোগী মানুষের বসবাস। তারা কাঠের পুতুল শিল্পের সঙ্গে যুক্ত।

আরও পড়ুন সবাইকে নাগরিকত্ব দিয়ে দিলেই আন্দোলন থেমে যাবে

গ্রামটিকে নতুন আকার দিয়ে; সেখানে আশেপাশের অঞ্চলের লোকেরা মাটির দেব-দেবী ও পুজোর জন্য মূর্তি গড়ার কাজ করত একটা সময়। বিভিন্ন ব্যক্তিত্বদের মূর্তি গড়ার কাজেও; হাত লাগিয়েছিল তারা। সূত্রধর সম্প্রদায়ের এই শিল্প ধীরে ধীরে খ্যাতি অর্জন করে এই শিল্পে।

আর্থিক অনটন কাটাতে কাঠের পুতুল তৈরিতেও; ঝোঁক দেখা যায় সূত্রধর সম্প্রদায়ের। অর্থনৈতিক বিকল্প হিসেবে; তারা কাঠের পুতুল তৈরির কাজকে বেছে দেয়। এই শিল্পের খ্যাতি ছড়িয়ে পড়তেই; সূত্রধর সম্প্রদায়ের মানুষ বিভিন্ন মেলায় এই পুতুল বিক্রি করে। রাজ্য সরকারের এই উদ্যোগে খুশি নতুনগ্রামের শিল্পীরা। জিআই স্বীকৃতি পেলে গোটা বিশ্বে পৌঁছে দেওয়া যাবে; তাদের শিল্প এমনটাই মনে করেন নতুনগ্রামের শিল্পীরা।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন