স্ত্রী সন্তান নিয়ে অগাধ জলে, বন্ধ লোকাল ট্রেনের কামরাতেই জীবন শেষ করে দিলেন, কাজ হারানো যুবক

1518
স্ত্রী সন্তান নিয়ে অগাধ জলে, বন্ধ ট্রেনের কামরাতেই জীবন শেষ করে দিলেন, লকডাউনে কাজ হারানো যুবক
স্ত্রী সন্তান নিয়ে অগাধ জলে, বন্ধ ট্রেনের কামরাতেই জীবন শেষ করে দিলেন, লকডাউনে কাজ হারানো যুবক

স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে অগাধ জলে; বন্ধ লোকাল ট্রেনের কামরাতেই জীবন শেষ করে দিলেন; কাজ হারানো যুবক। কলকাতার হোটেলে কাজ করতেন। সবই ঠিকঠাকই চলছিল। বাধ সাধল করোনা। লকডাউনে কাজ চলে যায়; বারুইপুরের বাসিন্দা চিরঞ্জিত তাঁতির। সাতমাস ধরে কোনও কাজ ছিল না। জমানো টাকাও প্রায় শেষ হতে বসেছিল। স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে পরিবার। খরচ টানতে কাজের সন্ধান করছিলেন। কিন্তু করোনা আবহে; ব্যবস্থা হচ্ছিল না কিছুতেই। লোকাল ট্রেনও বন্ধ; পুজোর মুখে স্ত্রী সন্তানদের নতুন পোশাক দেবারও টাকা নেই। অবশেষে শুক্রবার রাতে, বন্ধ ট্রেনের কামরা থেকে; উদ্ধার হয় তাঁর ঝুলন্ত দেহ। আত্মহত্যা করলেন; চিরঞ্জিত তাঁতি।

আরও পড়ুনঃ ‘গদিপ্রিয়’ রাজনৈতিক নেতা-নেত্রী ও তাঁদের ‘অন্ধ তাঁবেদার’দের জন্য, বাংলায় বিপদে সাধারণ মানুষ

স্ত্রী সন্তান নিয়ে অগাধ জলে, বন্ধ ট্রেনের কামরাতেই জীবন শেষ করে দিলেন, লকডাউনে কাজ হারানো যুবক

স্থানীয় সূত্রে খবর, কলকাতার এক হোটেলে; রাঁধুনির কাজ করতেন চিরঞ্জিত। পরিবারের দাবি; লকডাউনে কাজ চলে যায়। তারপর থেকেই কাজের খোঁজ করছিলেন। এদিকে, ভাড়াবাড়িতে; স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে সংসার। শুরু হয় আর্থিক সঙ্কট। বাজারে দেনাও হয়ে যায় বলে দাবি। সম্প্রতি দাদার কাছে আশ্রয় নেন; বছর পঁয়ত্রিশের ওই যুবক।

আরও পড়ুনঃ করোনা মহামারীর মধ্যেও বিধিনিষেধ ভেঙে মিছিল তৃণমূল-বিজেপির, কোভিড পজিটিভ দিলীপ ঘোষ

দিনকয়েক আগে সন্তানদের নিয়ে; বাপের বাড়িতে যান স্ত্রী। গতকাল রাতে শ্বশুরবাড়িতে যাওয়ার পর, স্ত্রীর সঙ্গে বচসা হয়। এরপর রাতে বন্ধ বারুইপুর লোকাল থেকে; উদ্ধার হয় যুবকের ঝুলন্ত দেহ। আর্থিক সঙ্কটের কারণেই আত্মঘাতী কিনা; খতিয়ে দেখছে পুলিশ। বন্ধ লোকাল ট্রেন খুব শীঘ্র চালু না হলে; এরকম ঘটনা আরও ঘটবে বলেই দাবি; নিত্যযাত্রী ও হকারদের। অফিস কাছারি খোলা, মেট্রো চলছে; বাস চলছে; পুজোর উৎসব হচ্ছে, শুধু লোকাল ট্রেন কি দোষ করল; প্রশ্ন তুলেছেন হাজার হাজার যাত্রী ও হকার।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন