তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে এসেই, লাভপুর মামলায় ফের তদন্তের মুখে মনিরুল ইসলাম

680
তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে এসেই, লাভপুর মামলায় ফের ফাঁসলেন মনিরুল ইসলাম/The News বাংলা
তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে এসেই, লাভপুর মামলায় ফের ফাঁসলেন মনিরুল ইসলাম/The News বাংলা

তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে এসেই; লাভপুর মামলায় ফের তদন্তের মুখে মনিরুল ইসলাম। ২০১০ সালে লাভপুর হত্যাকাণ্ডের মামলায় নয়া মোড়। ফের তদন্ত হবে; মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে। যার জেরে ফের সমস্যায়; সদ্য তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়া লাভপুরের বিধায়ক মনিরুল ইসলাম। নয় বছর আগের প্রথম তদন্তকারী অফিসারকেই; পুনরায় তদন্তভার দিল কলকাতা হাইকোর্ট। তিন মাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করার জন্য; রাজ্য পুলিশকে নির্দেশ দিল আদালত। বীরভূমের পুলিশ সুপারের নজরদারিতেই; তদন্ত হবে বলে আদালত নির্দেশ দিয়েছে।

২০১০ সালের ৩ জুন লাভপুরে খুন হন ৩ ভাই। ধানু শেখ; কাটুন শেখ এবং তুরুক শেখ। ঘটনায় মনিরুল ইসলাম সহ ৫৪ জনের বিরুদ্ধে; এফআইআর দায়ের হয়। তদন্তের পর অভিযোগ থেকে নিষ্কৃতি পান; মনিরুল সহ ২২ জন অভিযুক্ত। ২০১৫ সালের ডিসেম্বর মাসে; পুনরায় তদন্তের জন্য নিম্ন আদালতে আবেদন করেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার। আবেদন খারিজ করে আদালত। এরপর হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন পরিবার।

আরও পড়ুনঃ তাপসের মত জেলে পচতে চান না, সারদার টাকা ফেরালেন শতাব্দী

এদিকে প্রাথমিক তদন্তে ওই ঘটনার জন্য; লাভপুরের বিধায়ক মনিরুল ইসলামের নাম মাস্টারমাইন্ড উল্লেখ থাকলেও; চার্জশিটে তাঁর নাম বাদ ছলে যায়। মামলাটির হাইকোর্টে শুনানির সময় প্রসঙ্গটি ওঠে; আদালত তৎকালীন তৃণমূল নেতা; মনিরুল ইসলামের নাম না থাকায় পুলিশকে তিরস্কারও করে। সেই মামলায় প্রথম তদন্তকারী অফিসার ছিলেন সর্বজিৎ বসু।

একটা সময় মনিরুল ইসলাম ছিলেন; ফরওয়ার্ড ব্লকের বিধায়ক। রাজ্যে পালাবদলের সময়ই; তিনি ফরওয়ার্ড ব্লক ছেড়ে যোগদান করেন তৃণমূলে। সম্প্রতি আবার তিনি তৃণমূল ছেড়ে যোগ দিয়েছেন বিজেপিতে। কিন্তু এই মামলায় এখনও পর্যন্ত; ৬ জন তদন্তকারী অফিসারকে বদল করা হয়েছে।

পাড়ুইয়ের সাগর ঘোষ হত্যা মামলার অনতম অভিযুক্ত ছিলেন; বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। বিধায়ক মনিরুল ইসলাম ছিলেন; সেই অনুব্রতরই ঘনিষ্ঠ। লাভপুর ও পাড়ুই; দুটি হত্যা মামলাতেই অভিযোগ ছিল; অভিযুক্তরা শাসক দলের নেতা হওয়াতেই ছাড় মিলেছে।

লাভপুরে অভিযোগ ওঠে; তৃণমূলের জেলা শাখার সহ-সভাপতি; মনিরুলের বাড়িতেই সালিশি সভার জন্য ডেকে নিয়ে গিয়ে; পিটিয়ে ও বোমা মেরে খুন করা হয়েছিল সিপিএম কর্মীদের। তবে শাসক দলের নেতাকে ক্লিন চিট দেয়; রাজ্য পুলিশ। সেই মামলারই আবার তদন্ত শুরু।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন