তিনি সাংসদ অথচ জানেন না কোন নিয়ম

1527
তিনি সাংসদ অথচ জানেন না কোন নিয়ম/The News বাংলা
তিনি সাংসদ অথচ জানেন না কোন নিয়ম/The News বাংলা

তিনি টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী; তিনি তৃণমূল সাংসদ; অথচ জানেন না কোনটা নিয়ম আর কোনটা নিয়ম বহির্ভূত কাজ। তাই না জেনে বুঝেই; তিনি বানিজ্যিক বিজ্ঞাপনের মডেল হয়ে ব্যবহার করেছেন নিজের সাংসদীয় পদটিকে। সম্প্রতি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপনে মুখ দেখিয়েছেন তৃণমূল সাংসদ মিমি চক্রবর্তী। সেখানে তিনি নিজেকে ‘জনপ্রতিনিধি’ বলেছেন; অর্থাৎ বাণিজ্যিক স্বার্থে ব্যবহার করেছেন নিজের পদকে।

বিজ্ঞাপনটি সামনে আসার পরেই; ‘জনপ্রতিনিধি’ পরিচয় ব্যবহার করার জন্য বিতর্কে জড়িয়েছেন তিনি। ‘অফিস অব প্রফিট’ বিতর্ক মাথাচড়া দিয়েছে তৃণমূল সাংসদ মিমির এই বিজ্ঞাপন সামনে আসার পরে। একজন সাংসদ হয়ে কিভাবে তিনি নিজের পদের ব্যবহার বেসরকারি বিজ্ঞাপনে করতে পারেন; এই নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন।

আরও পড়ুন ভারত মাতা সে আজাদী শ্লোগান বামেদের, জোর বিতর্ক শহরে

সম্প্রতি একটি বেসরকারি তেলের বিজ্ঞাপনে দেখা যায়; আয়নার সামনে বসে চুল বাঁধছেন মিমি। পেছন থেকে বিদ্যা বালান এসে বলেন; “এখনো চুল নিয়ে পড়ে”? জবাবে মিমি বলেন; “আমি এখনো জনপ্রতিনিধি; তাই তার জন্য প্রয়োজন যোগ্য সিরিয়াসনেস”।

বিজ্ঞাপনের এই কথোপকথনে; তৃণমূল সাংসদ মিমি চক্রবর্তী ‘জনপ্রতিনিধি’ শব্দ ব্যবহার করেছেন। আর এই ‘জনপ্রতিনিধি’ শব্দ নিয়েই শুরু হয়েছে ‘অফিস অব প্রফিট’ বিতর্ক। ভারতীয় সংবিধান বিশেষজ্ঞদের অনেকের মতে; এতে খারিজ হতে পারে মিমি চক্রবর্তীর সাংসদ পদ।

আরও পড়ুন আজাদী স্লোগান দেশবিরোধী, আন্দোলনকারীদের সাবধান করলেন যোগী

বিজ্ঞাপন বিতর্ক প্রসঙ্গে মুখ খুলেছেন অভিনেত্রী সাংসদ মিমি চক্রবর্তী। তাঁর কথায়; “এসব নিয়মকানুন একেবারেই জানতাম না। শুটিংয়ের সময় আমাকে যা বলতে বলা হয়েছিল তাই বলেছি”। বিজ্ঞাপনী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কথা বলে; বিতর্কিত অংশটি বাদ দেওয়ার অনুরোধ করবেন বলেও তিনি জানান।

তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হওয়ার সময় থেকেই বারবার বিতর্কের মুখে পড়েছিলেন; মিমি চক্রবর্তী। সাধারন মানুষের সঙ্গে হাতে হাত যাতে না লাগে তার জন্য প্রচারে হাতে গ্লাভস পরে বেড়িয়েছিলেন তিনি। সেই নিয়েও মুখরিত হয়েছিল বিরোধীরা।

এবার বিরোধীদের দাবি; সাংসদদের আদর্শ আচরণ বিধি ভেঙ্গেছেন তৃণমূল সাংসদ মিমি চক্রবর্তী। নিজের স্বার্থে তিনি ‘জনপ্রতিনিধি’ শব্দটি ব্যবহার করেছেন বলে দাবি উঠেছে। লোকসভার স্পিকার কিংবা এথিক্স কমিটির কাছে এ বিষয়ে অভিযোগ পড়লে মিমি চক্রবর্তীকে জবাবদিহি করতে হতে পারে।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন