ভারতে থাকব খাব আর দেশের সেনাকেই পাথর ছুঁড়ব, ‘আবদার’ বন্ধ করল মোদী সরকার

5888
ভারতে থাকব খাব আর দেশের সেনাকেই পাথর ছুঁড়ব, 'আবদার' বন্ধ করল মোদী সরকার
ভারতে থাকব খাব আর দেশের সেনাকেই পাথর ছুঁড়ব, 'আবদার' বন্ধ করল মোদী সরকার

ভারতে থাকব খাব আর দেশের সেনাকেই পাথর ছুঁড়ব; এই ‘আবদার’ বন্ধ করল মোদী সরকার। কাশ্মীরে সন্ত্রাসবাদ এবং বিচ্ছিন্নতাবাদ দমনে; বড়সড় পদক্ষেপ করল কাশ্মীর প্রশাসন। বিচ্ছিন্নতাবাদীদের ও তাদের মদতদাতাদের সমস্ত সরকারি সুযোগ সুবিধা থেকে; বঞ্চিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্দেশ জারি করেছেন; কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহা। বিশেষ ক্ষমতা তুলে দিয়ে, রাজ্য থেকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত করার পর এটাই; ভারত বিরোধীদের দমনে উপত্যকার প্রশাসনের সবচেয়ে বড় সিদ্ধান্ত। ভারতীয় সেনাকে পাথর ছুঁড়লে; সরকারি চাকরি, পাসপোর্ট আর নয়! ‘দেশদ্রোহী’ দমনে কড়া নির্দেশ; কাশ্মীর প্রশাসনের।

জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ তকমা বাতিলের পর; সেনা-পুলিশের দিকে পাথর ছোড়ার ঘটনায়; লাগাম লাগানো গিয়েছে বলেই দাবি কেন্দ্রের। যে সব ঘটনা এখনও ঘটছে, তার বেশিরভাগই; অল্প সংখ্যক লোকের জমায়েত থেকে হচ্ছে। আগের মতো বিশাল জমায়েত; আর দেখা যাচ্ছে না। ফলে তাদের বাগে আনতেও; খুব একটা সমস্যায় পড়তে হচ্ছে না বাহিনীকে। এখন, বাড়ি থেকে বেরিয়ে আচমকা সেনাকে লক্ষ্য করে পাথর ছুঁড়েই; ফের লুকিয়ে পড়ছে কাশ্মীরি যুবরা। এবার সেটাও বন্ধ করতে; বড়সড় পদক্ষেপ নিল প্রশাসন।

আরও পড়ুনঃ বামেদের চিন প্রীতি অব্যহত, জিনপিংয়ের সভায় ইয়েচুরি-দের সামনেই ভারতের সমালোচনা

কাশ্মীরের মাটিতে যাতে কোনওভাবেই, ভারত-বিরোধী শক্তি মাথাচাড়া দিতে না পারে; তা নিশ্চিত করতেই বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সমস্ত সরকারি সুযোগ-সুবিধা থেকে; বঞ্চিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহা। ৩৭০ ধারা বাতিল এবং রাজ্য থেকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত করার পর; ভারত বিরোধীদের দমনে কাশ্মীর প্রশাসনের এটাই সবচেয়ে বড় সিদ্ধান্ত; বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

রবিবার কাশ্মীর প্রশাসনের তরফ থেকে এক নির্দেশে বলা হয়েছে; যারা কাশ্মীরের শান্তি বিঘ্নিত করার চেষ্টা করবে; সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করবে বা নিরাপত্তারক্ষীদের লক্ষ্য করে পাথর ছুঁড়বে; তাদের কোনওরকম সরকারি চাকরিতে নিয়োগ করা হবে না। শুধু তাই নয়, তারা সবরকম; সরকারি সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবে। এমনকী পাসপোর্ট তৈরিরও; ছাড়পত্র পাবে না। এমনিতেই সিআইডি ছাড়পত্র না দিলে, কোনও ব্যক্তিকেই; সরকারি পদে নিয়োগ করে না কাশ্মীর প্রশাসন। এবার সেই নিয়মে; আরও কড়াকড়ি করা হল। প্রশাসন অর্থাৎ সরকারের স্পষ্ট ইঙ্গিত, ভারতে থেকে-খেয়ে; দেশের বিরোধিতা আর করা যাবে না।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন