ভোটের চাপে স্বল্প সঞ্চয় ও পিপিএফে সুদ কমানোর সিদ্ধান্ত বাতিল করল মোদী সরকার

333
ভোটের চাপে স্বল্প সঞ্চয় ও পিপিএফে সুদ কমানোর সিদ্ধান্ত বাতিল করল মোদী সরকার
ভোটের চাপে স্বল্প সঞ্চয় ও পিপিএফে সুদ কমানোর সিদ্ধান্ত বাতিল করল মোদী সরকার

“ভুল করে বিজ্ঞপ্তি জারি হয়ে গেছে; তাই বাতিল”। দেশবাসীকে অবাক করে; ভোটের জন্য স্বল্প সঞ্চয় ও পিপিএফে সুদ কমানোর সিদ্ধান্ত; বাতিল করল মোদী সরকার। বৃহস্পতিবার সকালেই টুইট করে; একথা জানান অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ। কি করে কেন্দ্র সরকারের এতবড় ভুল হয়? বিরোধী দলগুলির সঙ্গে; প্রশ্ন তুলেছে ভারতের আমজনতা। দেশের কোটি কোটি মানুষের জীবন যেখানে জড়িত; সেখানে কি করে এতবড় ভুল হতে পারে? তবে এই প্রশ্নের উত্তর; এখনও পাওয়া যায় নি। মার্চ মাসে যা সুদ ছিল; তাই জারি থাকবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা। ভোটের পরেই এই বিজ্ঞপ্তি ফের জারি হবে; দাবি কংগ্রেস সহ বিরোধীদের।

বুধবার রাতেই, জোড়া ধাক্কা দিয়েছিল মোদী সরকার। বাংলার ভোটের মধ্যেই স্বল্প সঞ্চয়; পিপিএফ-এ সুদের হার কমিয়েছিল কেন্দ্র। ফের নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্তর মানুষকে; সমস্যায় ফেলেছিল সরকার। স্বল্প সঞ্চয়ে সুদের হার; ০.৫ শতাংশ কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল মোদী সরকার। এর ফলে, স্বল্প সঞ্চয়ে সুদের হার ৪ শতাংশ থেকে; কমে হত ৩.৫ শতাংশ। এখানেই শেষ নয়। কোপ পড়েছিল পিপিএফ-এর সুদের হারেও। এক্ষেত্রে পিপিএফ-এর সুদের হার ৭.১ শতাংশ থেকে কমিয়ে; ৬.৪ শতাংশ করার সিদ্ধান্ত নেয় কেন্দ্র। ১ এপ্রিল থেকেই নতুন হার; কার্যকর হবার কথা ছিল।

ভোটের চাপে স্বল্প সঞ্চয় ও পিপিএফে সুদ কমানোর সিদ্ধান্ত বাতিল করল মোদী সরকার
ভুল করে জারি বিজ্ঞপ্তি

আরও পড়ুনঃ কমল স্বল্প সঞ্চয়, পিপিএফে সুদের হার, বাংলার ভোটের মধ্যেই ধাক্কা দিল মোদী সরকার

স্বল্প সঞ্চয়ে ও পিপিএফে ফের; সুদ কমিয়ে দিয়েছিল কেন্দ্র। সাধারণ মানুষকে; জোড়া ধাক্কা দিয়েছিল মোদী সরকার। শুধু তাই নয়। এছাড়াও, মেয়াদী জমার ক্ষেত্রেও; সুদের হার কমানো হয়েছিল। এক্ষেত্রে ত্রৈমাসিক হার ৫.৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে; ৪.৪ শতাংশ করা হয়েছে। বাদ যাচ্ছেন না প্রবীণ নাগরিকরাও। সিনিয়র সিটিজেন্সদের বিভিন্ন সঞ্চয় প্রকল্পের সুদের হার; ৭.৪ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৬.৫ শতাংশ করা হয়েছে।

মোদী সরকারের এই সিদ্ধান্ত, দুশ্চিন্তায় ফেলেছিল; আমানতকারীদের। কেন্দ্রের এমন পদক্ষেপে, অসুবিধায় পড়তেন; দেশের কয়েক কোটি আমানতকারী। আর যাদের বড় অংশ অবশ্যই; দেশের প্রবীণ নাগরিক। তবে কয়েকটি রাজ্যে, ভোটের দিকে তাকিয়ে; একটা ভুল হয়ে গেছে বলে, রাতারাতি এই সিদ্ধান্ত বাতিল করল সরকার। তবে ভোট শেষের পরেই, আবার জারি হবে; এটাই আশঙ্কা মানুষের।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন