বাংলা ও বিহার বিধানসভা নির্বাচনে কি, সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে চলেছে মোদীর বিজেপি

19102
বাংলা ও বিহার বিধানসভা নির্বাচনে কি, সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে চলেছে মোদীর বিজেপি
বাংলা ও বিহার বিধানসভা নির্বাচনে কি, সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে চলেছে মোদীর বিজেপি

বাংলা ও বিহার বিধানসভা নির্বাচনে কি; একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে চলেছে মোদীর বিজেপি ? সর্বভারতীয় সংবাদ সংস্থা; টাইমস নাউ এবং ওআরম্যাক্স মিডিয়া সমীক্ষা; উল্লেখ করে এমনটাই জানিয়েছে TFI Post। তাদের মতে, এই করোনা পরিস্থিতি অনেকটাই এগিয়ে দিয়েছে; মোদীর জনপ্রিয়তা-কে। আর তাই করোনা আবহ কেতে যাবার পরেই; যে বিধানসভা নির্বাচন হবে, তাতে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা (Cleen Sweep) পেতে চলেছে মোদীর বিজেপি। মোদীর জনপ্রিয়তা দিয়েই; ভোটে জিতবে বিজেপি; রিপোর্টে এমনটাই বলা হয়েছে। আর ২০২১ এই বাংলা ও বিহারে নির্বাচন আছে। এই দুই রাজ্যেই জিততে পারে বিজেপি; বলছে TFI Post এর রিপোর্ট।

মোদীর ‘এক দেশ এক রেশন কার্ড’, মানবেন না মমতা

টাইমস নাউ এবং ওআরম্যাক্স মিডিয়া সমীক্ষায় দেখা গেছে যে; প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জনপ্রিয়তা এপ্রিল ২০১৯ এবং মে ২০২০ সালের মধ্যে; ৭.১% থেকে বেড়ে হয়েছে ৭.৯%। করোনার মধ্যেও বেড়েছে; মোদীর জনপ্রিয়তা; বলছে টাইমস নাউ এবং ওআরম্যাক্স মিডিয়া সমীক্ষা।

শুরু হয়ে গেল মোদী সরকারের, ‘ওয়ান নেশন, ওয়ান রেশন’

টাইমস নাউ সমীক্ষাটি; মার্কিন পোলস্টার মর্নিং কনসাল্টেস এর সমীক্ষার দ্বারস্থ হয়। মার্কিন পোলস্টার মর্নিং কনসাল্টেস এর সমীক্ষাতেও; এগিয়ে আছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। এই সমীক্ষা অনুসারে, মোদীর নেট রেটিং বছরের শুরুর তুলনায়; এখন ৬২ থেকে ৬৮ হয়েছে। এই সমীক্ষায় তিনি ডোনাল্ড ট্রাম্প, সিনজো আবে, এবং বরিস জনসনের মতো বিশ্ব নেতাদেরও হারিয়ে দিয়েছেন।

পরিযায়ী শ্রমিকদের দুমাস বিনা পয়সায়, চাল ডাল দেবে মোদী সরকার

গত বছরের শেষের দিকেই; ভারতের প্রশংসিত মানুষজনের (Most Admired Man) তালিকায়; শীর্ষে এবং বিশ্বের মধ্যে ষষ্ঠ স্থানে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ব্রিটেনের ইউগভের (YouGov survey) একটি সংস্থার সমীক্ষায়; সামনে আসে এই তথ্য। এরপর টাইমস নাউ এবং ওআরম্যাক্স মিডিয়া সমীক্ষায় দেখা গেল; করোনা বিপদেও জনপ্রিয়তা বেড়েছে প্রধানমন্ত্রী মোদীর।

৩০ জুন পর্যন্ত যাত্রীবাহী ট্রেনের রিজার্ভেশন বাতিল করল রেল

আর এই তালিকার নীচের দিকে আছেন; পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যিনি রাজ্যের করোনা ভাইরাস মহামারী মোকাবিলায়; চূড়ান্ত গণ্ডগোল করেছেন বলেই মত দিয়েছেন অনেকেই। টাইমস নাউ এবং ওআরম্যাক্স মিডিয়া সমীক্ষা অনুসারে; কলকাতার মাত্র ৬ শতাংশ মানুষ; মমতার করোনা ভাইরাস সংকট মোকাবিলাকে সমর্থন করেছেন। সমীক্ষায় উঠে এসেছে, মানুষ মনে করেছেন; পশ্চিমবঙ্গ সরকার কেবল রাজ্যে করোনার সংখ্যা কমিয়ে দেখায় নি; তাছাড়া সহযোগিতার পরিবর্তে কেন্দ্র সরকারের সঙ্গে অবিচ্ছিন্ন লড়াইয়ে লিপ্ত ছিল।

মহাত্মা গান্ধীর পর স্বদেশী আন্দোলনের ডাক দিলেন নরেন্দ্র মোদী

এখানেই টাইমস নাউ এবং ওআরম্যাক্স মিডিয়া সমীক্ষার উল্লেখ করে; TFI Post জানিয়েছে করোনা আবহে মমতার জনপ্রিয়তা কমেছে। যেমন কমেছে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নিতীশ কুমারের জনপ্রিয়তা। তিনিও তাঁর নিজের রাজ্যের পরিযায়ী শ্রমিকদের দুর্দশা থেকে; যেভাবে নিজেকে দূরে সরিয়ে রেখেছেন; তা সবাইকে হতবাক করে দিয়েছে। আর এই সমীক্ষার পরেই; যে আগামী বিধানসভা নির্বাচনে মমতা ও নিতীশ কুমারের হার নিশ্চিত; বলছে TFI Post রিপোর্ট।

সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর ক্যান্টিনে শুধুই দেশীয় দ্রব্য, বড় ঘোষণা অমিত শাহের

তবে, এই রিপোর্ট শুনে তৃণমূল নেতারা বলেছেন; “দিল্লি অনেক দূর; বিজেপি টাকা ছড়িয়ে নিজের মত রিপোর্ট বানিয়ে কি; মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে হারাতে পারবে?” তবে, বিজেপি নেতারা বলেছেন, “একেবারে সঠিক রিপোর্ট; ২০১৯ এ হাফ; ২০২১ এ সাফ; এ আর নতুন কি?”। বাংলার রাজনৈতিক মহল বলছে; “জনপ্রিয়তার সমীক্ষা দিয়ে, বাংলার ভোটের পূর্বাভাষ করাটা খুব হাস্যকর”। সব নিয়ে, টাইমস নাউ এবং ওআরম্যাক্স মিডিয়া সমীক্ষা নিয়ে; এবার সরগরম হতে চলেছে রাজনৈতিক মহল।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন