হাইকোর্টে নন্দীগ্রাম লড়াই, বিচারপতির বিরুদ্ধেই বিজেপি-র সক্রিয় সদস্য থাকার অভিযোগ

4368
হাইকোর্টে নন্দীগ্রাম লড়াই, বিচারপতির বিরুদ্ধেই বিজেপি-র সক্রিয় সদস্য থাকার অভিযোগ
হাইকোর্টে নন্দীগ্রাম লড়াই, বিচারপতির বিরুদ্ধেই বিজেপি-র সক্রিয় সদস্য থাকার অভিযোগ

হাইকোর্টে নন্দীগ্রাম লড়াই। এবার বিচারপতির বিরুদ্ধেই উঠল; বিজেপি-র সক্রিয় সদস্য থাকার অভিযোগ। নন্দীগ্রামে ফল নিয়ে কারচুপি হয়েছে; মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই মামলা করেছেন শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে। আজ শুক্রবার এই মামলার শুনানি ছিল; কলকাতা হাইকোর্টে। আবেদনকারী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতে হাজির না থাকায়; শুনানি পিছিয়ে দেন বিচারপতি কৌশিক চন্দ। তবে, বিধানসভার ফল সংক্রান্ত ‘নন্দীগ্রাম মামলা’টি; বিচারপতি কৌশিক চন্দের বেঞ্চে ওঠা নিয়ে; প্রতিবাদ জানান আইনজীবীদের একাংশ। তাঁদের দাবি, বিচারপতি কৌশিক চন্দ এক সময়; বিজেপি-র সক্রিয় সদস্য ছিলেন। সেই বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ করেন; তৃণমূলের আইনজীবীদের ওই অংশ।

নন্দীগ্রামের ভোটের ফলাফলকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েই; কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই। বিচারপতি কৌশিক চন্দের সিঙ্গল বেঞ্চে; উঠেছে মামলাটি। শুক্রবার এই মামলার শুনানির কথা থাকলেও; আবেদনকারী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হাজির না থাকায়; আগামী বৃহস্পতিবার এই মামলার শুনানি হবে। তবে বিচারপতি কৌশিক চন্দের বিরুদ্ধেই; একসময়ে সক্রিয় বিজেপি কর্মী থাকার অভিযোগ তুলেছেন তৃণমূল-পন্থী আইনজীবীরা। তাঁরা এই মামলা অন্য কোন বিচারপতির; বেঞ্চে সরাতে চান।

আরও পড়ুনঃ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে মঞ্চে উঠে থাপ্পড় মারা যুবকের রহস্যমৃত্যু

নন্দীগ্রাম ভোটে কারচুপি হয়েছে, অভিযোগ করে হাইকোর্টে; শুভেন্দুর বিরুদ্ধে মামলা করলেন মমতা। শেষ হয়েও শেষ হয়নি; বাংলার ভোটের লড়াই। নন্দীগ্রাম ভোটের লড়াই; এবার কলকাতা হাইকোর্টে। একুশের বাংলা বিধানসভা নির্বাচনে হাইভোল্টেজ কেন্দ্রে; মমতা বনাম শুভেন্দুর ভোটযু’দ্ধ হয়েছিল। গোটা রাজ্যে হেসে-খেলে জিতলেও; নন্দীগ্রামের লড়াইয়ে হার হয়েছিল তৃণমূল নেত্রীর। মাত্র ১৭০০ ভোটের ব্যবধানে; জিতেছিলেন বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। নন্দীগ্রামের সেই লড়াই আবার শুরু হয়েছে; তবে এবার উচ্চ আদালতে।

আরও পড়ুনঃ ১১ বছর বয়সেই কম্পিউটার পোগ্রামিং বই লিখে বিশ্বকে চমকে দিল বাঙালি বালক

বিচারপতি কৌশিক চন্দ বলেন; “শুনানিতে মামলাকারীকে; উপস্থিত থাকতে হয়”। তখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবীরা জানান; “আইনে যা আছে; তাঁরা সেই অনুযায়ীই চলবেন”। এরপরেই বিচারপতি কৌশিক চন্দের বিরুদ্ধে; অভিযোগ তোলেন তৃণমূল-পন্থী আইনজীবীরা। এই বিষয়ে কলকাতা হাইকোর্টের আইনজীবী গোপাল মণ্ডল বলেন; “আইনে এই বিষয়ে কোন উল্লেখ নেই; যে বিচারপতি মামলা শুনতে পারবেন না। কিন্তু অভিযোগ অনুযায়ী যদি, বিচারপতির এই ধরণের ব্যাকগ্রাউণ্ড থাকে; তাহলে এথিক্স মেনে বিচারপতি নিজেই মামলা ছেড়ে দিতে পারেন”।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন