বাংলায় রাষ্টপতি শাসন জারি করবেন না মোদী-শাহ, তাহলে কেন লাফাচ্ছেন বঙ্গ বিজেপি নেতারা

252
বাংলায় রাষ্টপতি শাসন জারি করবেন না মোদী-শাহ, তাহলে কেন লাফাচ্ছেন দিলীপ-বাবুল
বাংলায় রাষ্টপতি শাসন জারি করবেন না মোদী-শাহ, তাহলে কেন লাফাচ্ছেন দিলীপ-বাবুল

মানব গুহ, কলকাতাঃ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার ফেলে; বিধানসভা ভোটের আগেই কোনরকমেই, বাংলায় রাষ্টপতি শাসন জারি করবেন না মোদী-শাহ। দিল্লির রাজনীতি ও কেন্দ্রীয় বিজেপি সূত্রে; এটা একদম জলের মত পরিষ্কার। ভোটের আগে মমতাকে; শ’হিদ হবার কোন সুযোগ দেবে না; মোদী সরকার। বঙ্গের পদ্ম শিবিরের নেতারাও, ভালো করেই জানেন; কেন্দ্রের মোদী সরকার; বাংলায় রাষ্টপতি শাসন জারি করবে না। তাহলে কেন, রাষ্ট্রপতি শাসন নিয়ে লাফাচ্ছেন; বিজেপি নেতারা? কেন কোন কারণ ছাড়াই প্রতিদিন; বাংলায় রাষ্টপতি শাসন নিয়ে মন্তব্য করে; বিতর্ক উ’স্কে দিচ্ছেন তাঁরা? আসলে এর পিছনে রয়েছে বেশ কয়েকটি কারণ। আর তাই, প্রতিদিন কোন না কোন নেতা; রাষ্টপতি শাসন নিয়ে মুখ খুলছেন। কিন্তু কি সেই কারণ?

কখনও দিলীপ ঘোষ, কখনও বাবুল সুপ্রিয়, কখনও মুকুল রায়; প্রত্যেকেই রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করার কথা বলেছেন। বাদ যাননি রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ও। তবে দিল্লির রাজনৈতিক মহল ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সূত্রে যা খবর; পুরোটাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারকে চাপে রাখার কৌশল। ভোটের আগে, বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করে; মমতাকে সহানুভূতির ভোট পাবার সুযোগ দেবেন না; নরেন্দ্র মোদী ও অমিত শাহ।

আরও পড়ুনঃ “নেতাজীর আজাদ হিন্দ ফৌজ সেনাদের সঙ্গে তৃণমূলের ‘কাটমানি খোর’ ও ‘চালচোর’-দের তুলনা”

আসলে, জেলায় জেলায় ভোটের আগে; বিজেপি কর্মীদের উপর অ’ত্যাচার বাড়ছে। তাদের ভয় দেখানো হচ্ছে; মিথ্যা মামলায় ফাঁ’সানো হচ্ছে। এমনটাই অভিযোগ বঙ্গ বিজেপি নেতাদের। নিচুতলার অনেক বিজেপি কর্মীই, পুলিশ প্রশাসনের ভয়ে; দল ছেড়ে তৃণমূলে ভিড়ছেন। অনুব্রত মণ্ডলের মত জেলা সভাপতি প্রকাশ্যেই; বিজেপি কর্মীদের গাঁ’জা কেস দেবার কথা বলেন। অনেক ঘাসফুল নেতাই সেটা; নিজের নিজের জেলায় ব্যবহার করেন। ইতিমধ্যেই, এইবছরে বেশ কিছু গেরুয়া শিবিরের নেতা কর্মীকে; রহস্যজনক ভাবে দড়িতে ঝু’লে ম’রতে দেখা গেছে।

বাংলার রাজনৈতিক মহল মনে করেছে; নিজের জেলাস্তরের নেতা কর্মীদের পুলিশ-প্রশাসন ও তৃণমূলের হাত থেকে বাঁচিয়ে রাখতেই; দিলীপ-বাবুল ও কৈলাশ বিজয়বর্গীয়র এই চেষ্টা। রাষ্টপতি শাসন জারি নিয়ে বারবার বললে; তৃণমূলের তরফ থেকে অত্যাচারের মাত্রা কমবে বলেই মনে করছে গেরুয়া শিবিরের নেতারা। আরও একটি কারণ আছে। শাসক দলের হয়ে কাজ করা পুলিশ-প্রশাসনকে; চাপে রাখারও এটি একটি কৌশল।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন