পরাজিত ‘চিনপন্থি’ ওলি, বিশ্বের একমাত্র হিন্দু দেশের প্রধানমন্ত্রী ‘ভারতবন্ধু’ শের বাহাদুর দেউবা

8567
পরাজিত 'চিনপন্থি' ওলি, বিশ্বের একমাত্র হিন্দু দেশের প্রধানমন্ত্রী 'ভারতবন্ধু' শের বাহাদুর
পরাজিত 'চিনপন্থি' ওলি, বিশ্বের একমাত্র হিন্দু দেশের প্রধানমন্ত্রী 'ভারতবন্ধু' শের বাহাদুর

পরাজিত ‘চিনপন্থি’ ওলি। বিশ্বের একমাত্র হিন্দু দেশের প্রধানমন্ত্রী, হতে চলেছেন ‘ভারতবন্ধু’ শের বাহাদুর দেউবা। নেপালের সংসদের আস্থাভোটে পরাজিত হয়েছেন; নেপাল কমিউনিস্ট পার্টির প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলি। দেশে নতুন সরকার গড়ার দাবি পেশের জন্য; আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সময় দিয়েছেন; রাষ্ট্রপতি বিদ্যাদেবী ভাণ্ডারী। তারপরেই নেপালে প্রধানমন্ত্রীর কুর্সির জন্য; জোর রাজনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত যা পরিস্থিতি, তাতে অন্য কয়েকটি দলের সমর্থনে; নেপালি কংগ্রেস নেতা শের বাহাদুর দেউবার প্রধানমন্ত্রী হওয়া প্রায় নিশ্চিত। আর শের বাহাদুর দেউবা দিল্লি ঘনিষ্ঠ হওয়ায়; স্বস্তিতে মোদী সরকার।

‘চিনপন্থী’ হিসেবে পরিচিত, কমিউনিস্ট পার্টির ওলি প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন; ভারতের সঙ্গে নেপালের সম্পর্ক তলানিতে ঠেকেছিল। ওলি যখনই সঙ্কটে পড়েছেন; কূটনৈতিক প্রথা ভেঙে, তাঁর সমর্থনে সবসময় মাঠে নেমেছে চিন। চিনের সমর্থনে, ভারত-নেপাল সীমান্ত নিয়ে; ভারতের সঙ্গে পায়ে পা দিয়ে বিবাদ করেছেন ওলি। অন্যদিকে আবার একের পর এক ভিত্তিহীন মন্তব্য করে; পরিস্থিতি উত্তপ্তও করেছেন তিনি। এদিকে নেপালি কংগ্রেসের সঙ্গে, ভারতের সম্পর্ক; চিরদিনই বেশ ঘনিষ্ঠ। এই পরিস্থিতিতে দেউবার সরকার, নেপালে ক্ষমতায় এলে; অবশ্যই স্বস্তিতে থাকবে দিল্লি।

আরও পড়ুনঃ ভারত বা নেপাল করোনা আটকাতে এভারেস্টে বেড়া দেবার পরিকল্পনা চিনের

নেপালের সংসদের মোট সদস্য সংখ্যা ২৭৫। এর মধ্যে নেপালি কংগ্রেসের; সাংসদ সংখ্যা ৬৩। নেপাল কমিউনিস্ট পার্টির; সাংসদ সংখ্যা ৪৯। নেপালি কংগ্রেসের নীতি নির্ধারকরা, শের বাহাদুর দেউবার নেতৃত্বে; সরকার গঠনের দাবি জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সরকার গড়তে দেউবাকে সমর্থন করবে; নেপালের কমিউনিস্ট পার্টির ‘প্রচণ্ড’ ওরফে পুষ্পকমল দহল এবং মাধব নেপালের নেতৃত্বাধীন সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ। নেপাল কমিউনিস্ট পার্টির নেতা ওলির পাশ থেকে সরে গিয়েছেন; তাঁরই দলের পুষ্পকমল দাহাল এবং মাধব নেপালের নেতৃত্বাধীন সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ।

আরও পড়ুনঃ রাতের আকাশে রকেট, ভিডিয়ো কলে স্বামীর সামনেই মৃত্যু ভারতীয় মহিলার

এছাড়া, তরাইয়ের, মদেশীয়দের ‘জনতা সমাজবাদী পার্টি-নেপাল’ দলের একটা অংশ; দেউবাকে সমর্থন জানিয়েছে। সব মিলিয়ে নেপালি কংগ্রেসের সরকার; পর্যাপ্ত সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে বলেই আশা। তারপরেও কোনও কারণে সংখ্যা কম পড়লে; নেপাল কমিউনিস্ট পার্টির বেশ কিছু ওলি-বিরোধী সদস্য, ইস্তফা দিয়ে দেবেন। তা হলে মোট সাংসদের সংখ্যা কমে যাবে এবং দেউবা সহজেই গরিষ্ঠ অংশের সমর্থন পাবেন।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন