সদ্যোজাতদের স্বাস্থ্য পরিষেবায় দেশের মধ্যে অনেক এগিয়ে বাংলা

88
সদ্যোজাতদের স্বাস্থ্য পরিষেবায় দেশের মধ্যে অনেক এগিয়ে বাংলা/The News বাংলা
সদ্যোজাতদের স্বাস্থ্য পরিষেবায় দেশের মধ্যে অনেক এগিয়ে বাংলা/The News বাংলা

সদ্যোজাতদের স্বাস্থ্য পরিষেবা; ভারতের মধ্যে অনেক এগিয়ে বাংলা। সদ্যোজাতদের স্বাস্থ্য পরিষেবা ঢেলে সাজাতে; মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস সরকার; গত আট বছরে অনেক উদ্যোগ নিয়েছে; সিক ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিট তৈরীতে। আর এর ফলেই সদ্যোজাতদের স্বাস্থ্য পরিষেবার বিভিন্ন বিষয়ে অনেক এগিয়ে আমাদের বাংলা; ঘোষণা করা হয়েছে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের তরফ থেকে।

মুখ্যমন্ত্রী তথা স্বাস্থ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে; রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ঢেলে সেজেছে। রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী; বাংলায় সিক ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটের সংখ্যা; দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ।

আরও পড়ুনঃ হাঁফ ছেড়ে বাঁচল চাকরিপ্রার্থীরা, বাংলার স্কুল সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষায় বড়সড় রদবদল

বাংলায় সিক ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটের মধ্যে আছে সিক নিউবর্ন কেয়ার ইউনিট, সিক নিউবর্ন স্টেবিলাইজেশন ইউনিট, পেডিয়াট্রিক ইন্টেন্সিভ কেয়ার ইউনিট, নিওন্যাটাল ইন্টেন্সিভ কেয়ার ইউনিট। এসএনসিইউ, এসএনএসইউ, পিআইসিইউ, এনআইসিইউ; সংখ্যার দিক দিয়ে গোটা ভারতে এগিয়ে বাংলা।

২০১১র আগে মাত্র ছটি সিক নিউবর্ন কেয়ার ইউনিট ছিল রাজ্যে; এই মুহূর্তে সেই সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৬৯টি। এর পাশাপাশি সদ্যোজাতদের জন্য; ২২১৭টি শয্যা বাড়ানো হয়েছে। আরও একটি সিক নিউবর্ন কেয়ার ইউনিট; হচ্ছে শ্রীরামপুর ওয়ালস সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে।

আরও পড়ুনঃ বিছিন্নতাবাদীদের মদত পেতেই, বাঙালি মুসলিমদেরও কাশ্মীরে কাজ করতে দেবে না পাক জঙ্গিরা

আনুমানিক ৩০৭টি এসএনএসইউ তৈরী করা হয়েছে; বিভিন্ন সরকারি হাসপাতাল ও মেডিক্যাল কলেজে। আনুমানিক ১৩টি পিআইসিইউ এবং ১৫টি এনআইসিইউ তৈরী করা হচ্ছে। আরও দুটি পিআইসিইউ তৈরী হচ্ছে; জানিয়েছে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর।

অন্যান্য শিশু স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর পাশাপাশি; কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পেডিয়াট্রিক নেফ্রোলজি ওয়ার্ড এবং চারটি ডায়ালিসিস মেশিন বসানো হয়েছে। নবজাতকদের টীকাকরণ ও পুষ্টির দিকে নজর দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ সারাবছর উত্তরমুখী, বছরে একদিন তারাপীঠের জাগ্রত তারা মা পশ্চিমমুখী হন কেন

রাজ্য জুড়ে শিশু স্বাস্থের দিকে নজর রেখে; জোর দেওয়া হয়েছে টীকাকরণে। রাজ্যের ১০০ শতাংশ শিশুকে টীকা দেওয়া সম্পন্ন হয়েছে; বলে জানিয়ে দিয়েছে স্বাস্থ্য দফতর। অপুষ্ট শিশুদের পর্যাপ্ত চিকিৎসা ও শিক্ষাদানের জন্য; ৫১টি নিউট্রিশন রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টার তৈরী করা হয়েছে বিভিন্ন জেলায়। এই সকল ব্যবস্থা নেওয়ার ফলে; শিশুমৃত্যুর হার কমে হয়েছে প্রতি হাজারে ২৫ জন। যেখানে ভারতে জাতীয় গড় ৩৪।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন