সাতদিন অপেক্ষা করেও বেড দিল না সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতাল এসএসকেএম, বিনা চিকিৎসায় মৃত্যু শিশুর

1198
সাতদিন অপেক্ষা করেও এসএসকেএম হাসপাতাল বেড দিল না, বিনা চিকিৎসায় মৃত্যু শিশুর
সাতদিন অপেক্ষা করেও এসএসকেএম হাসপাতাল বেড দিল না, বিনা চিকিৎসায় মৃত্যু শিশুর

সাতদিন অপেক্ষা করেও, বেড দিল না; এসএসকেএম হাসপাতাল; বিনা চিকিৎসায় মৃত্যু এক শিশুর। জন্মের পর থেকেই পিঠে টিউমার সন্তানের। এক বছর ধরে বর্ধমানে গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিৎসাও চলে। কিন্তু লাভ হয়নি। বয়সের সঙ্গে টিউমারও বাড়তে থাকে। বাড়তে থাকে একরত্তি শিশুর যন্ত্রণা। অসুস্থ ওই শিশুকে বর্ধমানের সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে; সেখানকার চিকিৎসকরা বাবা সমীর সর্দারকে; কলকাতায় ডাক্তার দেখানোর পরামর্শ দেন। কলকাতার এনআরএস এবং এসএসকেএম হাসপাতালের চিকিৎসকেরা; বেড নেই বলে তাকে ভর্তি নিতে অস্বীকার করেন।

বেড পাওয়ার আশায় টানা সাত দিন সন্তানকে নিয়ে; এসএসকেএম হাসপাতালের চত্বরেই ছিলেন বাবা-মা। সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ; মৃত্যু হয় শিশুটির। কলকাতার অন্যতম বড়, সরকারি সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালের বাইরেই; মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়ল একরত্তি শিশু। দু’টি হাসপাতালের বিরুদ্ধেই; চিকিৎসার গাফিলতির অভিযোগে সরব ওই দম্পতি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে; ওই দুই হাসপাতাল সূত্রে খবর।

আরও পড়ুন; মৃত্যুর বিরুদ্ধে লড়ছেন সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁকে মেরেই দিল বাঙালি

ওই পরিবারের অভিযোগ, বর্ধমানের সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতাল থেকে; তাঁদের রেফার করা হয় এনআরএস হাসপাতালে। কিন্তু এনআরএসে শিশুটিকে ভর্তি নেওয়া হয় না। রেফার করে দেওয়া হয়; এসএসকেএম হাসপাতালে। এর পর রাজ্যের অন্যতম সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতাল; এসএসকেএমে অসুস্থ সন্তানকে নিয়ে হাজির হন ওই দম্পতি। সেখানেও চিকিৎসকেরা শিশুটিকে দেখেন; কিন্তু পরিষ্কার জানিয়ে দেন যে; কোনও বেড নেই। অভিযোগ, শিশুর অবস্থা গুরুতর হওয়া সত্ত্বেও; তাদের ফের অন্য কোথাও যাওয়ার কথা বলে কর্তৃপক্ষ।

বেড পাওয়ার আশায় হাসপাতাল চত্বরেই; অসুস্থ সন্তানকে নিয়ে সাতদিন কাটিয়ে দেন ওই দম্পতি। সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ; হঠাৎ অসাড় হয়ে পড়ে শিশুর দেহ। চিকিৎসকরাই জানান; শিশুটি মারা গিয়েছে। কলকাতার এনআরএস এবং এসএসকেএম; শিশুমৃত্যুর ঘটনায় দুটি হাসপাতালের বিরুদ্ধেই; গাফিলতির অভিযোগ তুলেছেন সন্তান-হারানো ওই দম্পতি। অভিযুক্ত বেপরোয়া চিকিৎসকদের; শাস্তির দাবিও জানিয়েছেন তাঁরা। ওই দুই সরকারি হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে; বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন