‘অপদার্থ’ এসএসসি আধিকারিকরা, বাংলার ভবিষ্যতের শিক্ষক শিক্ষিকাদের ‘জীবন নিয়ে ছেলেখেলা’

1180
অভিযোগ সত্ত্বেও নিয়োগ প্রক্রিয়া, উচ্চ প্রাথমিক নিয়োগ মামলা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে
অভিযোগ সত্ত্বেও নিয়োগ প্রক্রিয়া, উচ্চ প্রাথমিক নিয়োগ মামলা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে

‘অপদার্থ’ এসএসসি আধিকারিকরা। কলকাতা হাইকোর্ট আগেই জানিয়েছিল; বর্তমান এসএসসি আধিকারিকরা অপদার্থ। এবার যতদিন যাচ্ছে; তাঁদের অপদার্থতা যেন বারবার প্রমাণ হয়ে যাচ্ছে। বাংলার ভবিষ্যতের শিক্ষক শিক্ষিকাদের জীবন নিয়ে; রীতিমতো ছেলেখেলা করছে এই এসএসসি আধিকারিকরা। একটা নিয়োগ প্রক্রিয়াও ঠিকঠাক শেষ করতে না পেরেও; বহাল তবিয়তে রয়েছেন এই আধিকারিকরা; এমনটাই অভিযোগ নিয়োগ প্রার্থীদের। বেশি নম্বর পেয়েও তালিকায় নাম নেই; ফের মামলার মুখে উচ্চ প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ।

কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে, নম্বর সহ উচ্চ প্রাথমিকের ইন্টারভিউয়ের তালিকা; প্রকাশের পরও নিয়োগপ্রার্থী-দের অসন্তোষ থামছে না। চাকরিপ্রার্থীদের একাংশ বৃহস্পতিবারই স্কুল সার্ভিস কমিশনের দফতরে; অভিযোগ জমা দিতে যান। তাঁদের অভিযোগ, তালিকাভুক্তদের থেকে বেশি নম্বর পেয়েও; তাঁরা বাতিলের তালিকায়। নথি আপলোড করার প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও; তা হয়নি বলে অভিযোগ চাকরি প্রার্থীদের।

আরও পড়ুনঃ বেশি নম্বর পেয়েও তালিকায় নাম নেই, ফের মামলার মুখে উচ্চ প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ

বারবার দুর্নীতির অভিযোগ; উঠেছে এই আপার প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে। মামলার বাধা কাটিয়ে, ইন্টারভিউ লিস্ট বের করা হলেও; তাতে ক্যান্ডিডেটদের পাশে ছিল না কোন নাম্বার। ফের মামলা হয়; কলকাতা হাইকোর্টে। হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেছেন, “স্কুল সার্ভিস কমিশন অপদার্থ; কী ধরনের আধিকারিক এই কমিশনের দায়িত্বে আছেন? এই কমিশনকে; অবিলম্বে খারিজ করা উচিত”। বিচারপতি নির্দেশও দেন, যাদের আবেদন খারিজ; তাদের আবেদন খারিজের কারণ দেখাতে হবে”।

আদালতের নির্দেশ মেনে; উচ্চ প্রাথমিকের ইন্টারভিউ লিস্ট বেরিয়েছে। তারপরেও বহু অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। পূর্ব বর্ধমানের বাসিন্দা ত্রিষাতি রায়; বা বীরভূমের বাসিন্দা আতিউর রহমান; মুর্শিদাবাদের ধুলিয়ানের বাসিন্দা মহম্মদ মিনহাউদ্দিন সিরাজের একই অভিযোগ। ত্রিষাতির দাবি, “২০১৯-এ নাম ছিল; কিন্তু এখন রিজেক্টেড তালিকায়। আমার নাকি, বিএড মার্কশিট; আপলোড হয়নি। অথচ এখানে হায়েস্ট নম্বর ৭৯.৯; সেখানে আমার ৮০.৭৫ নম্বর থাকা সত্ত্বেও; নাম রিজেক্টেড লিস্টে চলে গেছে”।

আতিউরের দাবি, “আমার ২০১৯-এ নাম ছিল; কিন্তু এখন বাতিল। বলছে, এইচ এস এর মার্কশিট; আপলোড হয়নি”। মহম্মদ মিনহাউদ্দিন সিরাজের দাবি; ইন্টারভিউয়ের তালিকাভুক্ত প্রার্থীর থেকে; বেশি নম্বর থাকা সত্ত্বেও, তালিকায় জায়গা হয়নি তাঁর। স্কুল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান জানিয়েছেন; “বিষয়টি বিচারাধীন রয়েছে; তাই এই নিয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া জানানো যাচ্ছে না”।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন