শুধু চিন নয়, ভারতকে লড়তে হয় কংগ্রেস, তৃণমূল ও বামেদের অদ্ভুত প্রশ্নের বিরুদ্ধেও

5101
শুধু চিন নয়, ভারতকে লড়তে হয় কংগ্রেস, তৃণমূল ও বামেদের অদ্ভুত প্রশ্নের বিরুদ্ধেও
শুধু চিন নয়, ভারতকে লড়তে হয় কংগ্রেস, তৃণমূল ও বামেদের অদ্ভুত প্রশ্নের বিরুদ্ধেও

শুধু চিন বা পাকিস্তান নয়; যে কোন বড় পরিস্থিতিতে, ভারতকে লড়তে হয় কংগ্রেস, তৃণমূল ও বামেদের অদ্ভুত প্রশ্নের বিরুদ্ধেও। প্রশ্ন উঠবেই। সেটাই স্বাভাবিক। বিরোধীরা প্রশ্ন করবে; সরকারের প্রতিটা কাজ কড়া নজরে রাখবে; এটাই রাজনীতিতে বিরোধী দলগুলির কাজ। সরকারের সমালোচনা করা; ও ভুল ধরিয়ে দেওয়া বিরোধী দলের কাজ। সরকারের ভুল মানুষের সামনে তুলে ধরা; বিরোধী দলের কাজ। কিন্তু বিশ্বের অনান্য দেশে যখন সংঘর্ষ বা যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি হয়; তখন দলমত নির্বিশেষে দেশের পাশে দাঁড়ায় সব বিরোধী দল। ব্যতিক্রম ভারত। কঠিন পরিস্থিতিতেও আমাদের দেশে; মোদী বিরোধিতা করতে গিয়ে; দেশ বিরোধিতা করে বিরোধীরা। অবশ্য তারা সেটা বুঝতেও পারে না।

আরও পড়ুনঃ এটা ৬২র ভারত নয়, যুদ্ধ লাগলে ভারতের পাল্লা ভারি চিনের চেয়ে

কংগ্রেস আমলে ভারতের; অনেকটা জায়গা দখল করে নেয় চিন। কংগ্রেস আমলে ৬২ র যুদ্ধে চিনের কাছে হেরেও যায় ভারত। সেই কংগ্রেসের এই মুহূর্তে প্রশ্নের শেষ নেই। “চিন কতটা জায়গা দখল করেছে”? “কেন ভারতের সেনার হাতে অস্ত্র ছিল না”? সামান্যতম বিদ্যে না রেখেই; এই সমস্ত অদ্ভুত প্রশ্ন নিয়ে হাজির কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। “মোদীর ৫৬ ইঞ্চি ছাতি কোথায় গেল”? প্রশ্ন নিয়ে হাজির সিপিএম। “কেন ২২ জন সেনা মরল?; মোদী তুমি গদি ছাড়ো; দাবি নিয়ে হাজির তৃণমূল।

আরও পড়ুনঃ ইজরায়েলের পর ভারতের পাশে অস্ট্রেলিয়া, চিনের বিরুদ্ধে একজোট হচ্ছে বিশ্ব

২২ জনের পাল্টা যে ৪৩ জন চিনা সেনা মরেছে; চিন ভয় পেয়ে শান্তির অনুরোধ করেছে; না কোন বিরোধী দলের কোন গর্ব নেই। মোদী বিরোধিতা করতে করতে; এরা কখন যে দেশ বিরোধিতা শুরু করে; সেটা বোঝার ক্ষমতাও এদের নেই। বিরোধীদের দাবি; দেশের অবস্থা খারাপ; তাই দৃষ্টি ঘোরাতে এই যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা। কিন্তু দেখা যাবে, চিনের সঙ্গে এই পরিস্থিতি হয়ে আছে; জাপান, আমেরিকা, তাইওয়ান, ফিলিপিন্স, অস্ট্রেলিয়া, ভিয়েত্নাম,মালেশিয়া, ব্রুনেই, তিব্বত, মঙ্গোলিয়া, রাশিয়া; সহ অনেক দেশেরই। সবাই কি দৃষ্টি ঘোরাতে যুদ্ধ যুদ্ধ খেলছে? মানুষকে এত সহজে বোকা বানানো যাবে?

আরও পড়ুনঃ ‘কেন সেনা অস্ত্র নিয়ে গেল না’, ফের মূর্খের মত প্রশ্ন করে লজ্জায় রাহুল গান্ধী

দেশের অর্থনৈতিক হাল খারাপ। তার জন্য অবশ্যই মোদী সরকারের সমালোচনা করা যেতেই পারে। ব্যাঙ্কিং সিস্টেম ভেঙে পরেছে; তার জন্য মোদী সরকারের সমালোচনা করা যেতেই পারে। কিন্তু পুলওয়ামা হোক বা উরি বা পাঠানকোট বা পাকিস্তান চিন সংঘর্ষ; “দেশের মানুষের দৃষ্টি ঘোরাতে; মোদী সরকার করিয়েছে”; এটা আর মানুষকে বিশ্বাস করানো যাচ্ছে না। তাহলে ২০১৪ র পর ২০১৯ শে ফের মোদী সরকার ক্ষমতায় আসত না। আর এই সব অকারণ অভিযোগের কারণেই; কংগ্রেস তৃণমূল বাম সহ, দেশের বিরোধী দলগুলির উপর থেকে মানুষের বিশ্বাস উঠে যাচ্ছে। যেটা রাজনীতির পক্ষে খারাপ বিজ্ঞ্যাপণ; আর শাসক বিজেপির পক্ষে খুব ভাল সুযোগ।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন