করোনা বৈঠকে সামনে পেয়ে, রাজ্যের বকেয়া মেটাবার কথা মোদীকে শুনিয়ে দিলেন মমতা

2298
করোনা বৈঠকে সামনে পেয়ে, রাজ্যের বকেয়া মেটাবার কথা মোদীকে শুনিয়ে দিলেন মমতা
করোনা বৈঠকে সামনে পেয়ে, রাজ্যের বকেয়া মেটাবার কথা মোদীকে শুনিয়ে দিলেন মমতা

করোনা বৈঠকে সামনে পেয়ে; রাজ্যের বকেয়া মেটাবার কথা মোদীকে শুনিয়ে দিলেন মমতা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে প্রথম পর্যায়ের করোনা বৈঠকে; জিএসটি-সহ বেশ কিছু ক্ষেত্রে; রাজ্যের বকেয়া প্রসঙ্গ তুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বকেয়া নিয়ে আগেও প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দেন; মুখ্যমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রী। মঙ্গলবার, করোনা পরিস্থতি নিয়ে ৮ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে; বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষবর্ধন; নীতি আয়োগের সদস্য (স্বাস্থ্য) তথা কেন্দ্রের কোভিড টাস্ক ফোর্সের প্রধান ভি কে পাল-সহ; কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের আধিকারিকরা। দ্বিতীয় পর্যায়ের করোনা বৈঠকে; করোনা ভ্যাকসিন বিতরণ নিয়ে আলোচনা হয়। ৮ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর মধ্যে ছিলেন; বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

বৈঠকে মমতা বলেন; “পশ্চিমবঙ্গের কোভিড পরিস্থিতি; নিয়ন্ত্রণে আছে”। তবে একইসঙ্গে মমতা এদিন জানান; “করোনা নিয়ে রাজ্যে এখনও; সচেতনতার অভাব আছে। অনেকেই করোনা বিধি শিকেয় তুলে; মাস্ক পরছেন না”। তিনি বলেন যে; “মানুষ মনে করছেন যে; করোনা ম’হামারী শেষ হয়ে গিয়েছে; মহামারী চলে গিয়েছে”।

আরও পড়ুনঃ ধেয়ে আসছে আরও এক ঘূর্ণিঝড় ‘নিভার’, দুই রাজ্যকে সাবধান করলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী

এরপরেই, মোদী শাহকে সামনে পেয়ে; জিএসটি ও অন্যান্য খাতে, কেন্দ্রের কাছে যে টাকা প্রাপ্য আছে রাজ্যের; তা তাড়াতাড়ি মিটিয়ে দেওয়ার জন্য; সওয়াল করেছেন মমতা। বাকি সাত রাজ্য অবশ্য; সে বিষয়ে কিছু বলেনি। করোনা বৈঠকেও মমতা টাকা চাওয়ায়; প্রাথমিকভাবে কিছুটা অবাক হয়ে যান প্রধানমন্ত্রী। তবে, তিনি এই নিয়ে কিছু বলেননি।

এবারের বৈঠকের মূল ইস্যু ছিল; কীভাবে দেশে দ্বিতীয় ওয়েভ রোখা যায় ও সম্ভাব্য করোনা টিকার বণ্টন নিয়ে আলোচনা। যে সব রাজ্যে পরিস্থিতি কিছুটা ঘোরালো; তাদের সঙ্গেই আলাদা করে বৈঠক করলেন মোদী। এই রাজ্যগুলি হল পশ্চিমবঙ্গ, ছত্তিসগড়, দিল্লি, গুজরাত, হরিয়ানা, মহারাষ্ট্র, রাজস্থান এবং কেরালা।

বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রীদের তিনটি টার্গেট দেন; স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। প্রথমত, রাজ্যদের নিশ্চিত করতে হবে; যাতে করোনায় মৃত্যুহার এক শতাংশের নিচে যেতে পারে। কেস পজিটিভি রেট; ৫ শতাংশের নিচে নিয়ে যাওয়া। কনটেনমেন্ট জোন; ডায়নামিক করার ওপর জোর। প্রতি সপ্তাহে ডেটা অনুযায়ী, নয়া কনটেনমেন্ট জোনের তালিকা; ঠিক করতে রাজ্যদের পরামর্শ দেন অমিত শাহ।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন