অনুরোধে কাজ হচ্ছে না, বাংলার মানুষকে বোঝাতে চাই ডাণ্ডা

15756
অনুরোধে কাজ হচ্ছে না, বাংলার মানুষকে বোঝাতে চাই ডাণ্ডা
অনুরোধে কাজ হচ্ছে না, বাংলার মানুষকে বোঝাতে চাই ডাণ্ডা

অনুরোধে কাজ হবে না; বাংলার মানুষকে বোঝাতে চাই ডাণ্ডা। ঠিক যেটা করেছে বলে জানা যাচ্ছে চিন। রাজ্যে কোথাও নেই কোন সচেতনতা। নবান্ন থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়; প্রতিদিন সচেতন করছেন সাধারণ মানুষকে। জনতার কারফিউ ডেকে; মানুষকে সচেতন করতে উদ্য্যেছেন হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কিন্তু কোথায় কি? বাজারে লাইন, দোকানে লাইন, মদের দোকানে লাইন। পাড়ার মোড়ে আড্ডা, চায়ের দোকানে আড্ডা, তাসের আড্ডা, কিছুই বাদ নেই। বাংলার মানুষ কি শোধরাবে না ?

সোমবার সকাল থেকেই বাজারে জোর হইচই। বিকাল থেকে লকডাউন। তাই বাজারে ভিড়। মুদির দোকানে ভিড়। আলু পেঁয়াজের দোকানে ভিড়। বাজার করে চায়ের দোকানে আড্ডা মেরে; বাড়িতে কোয়ারান্টাইনে যাওয়া। না, কোন কিছুতেই শিক্ষা হচ্ছে না বাঙালির।

বয়স্করা যাদের বিপদ সবচেয়ে বেশি; তাদের দায়িত্বজ্ঞান সবচেয়ে কম। বিকালে তাসের আড্ডায় না গেলে; নাকি রাতে ঘুম হয় না। বাড়িতে নাতি নাতনি ছেড়ে; করোনাকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিয়ে; বয়স্করা চলে যাচ্ছেন তাসের আড্ডায়। আমাদের কিছু হবে না; ভঙ্গিটা এমনই।

রবিবার দেখুন। জনতার কারফিউ সফল হয়েছে জানাতে; দলে দলে মানুষ নেমে পরলেন রাস্তায়। মোদীর ডাকা কারফিউ সফল; সেটা জানাতেই রাস্তায় নেমে পরল জনতা। রাজ্য লক ডাউনে যাচ্ছে খবর পেয়েই; গোটা রাজ্যের মদের দোকানে লম্বা লাইন। বাংলা লক ডাউন হচ্ছে; মদের স্টক আগে ঠিক রাখতে হবে। মমতার রাজ্য সরকারের আবগারি দফতর এর রাজস্ব যেন ঠিক থাকে; করোনার মধ্যেও মানুষের চিন্তা হয়ত ছিল এটাই।

সোমবার বিকাল ৫ টায় রাজ্য লক ডাউন হবার পরেও; জেলায় জেলায় বিভিন্ন দোকান খোলা। চায়ের দোকানে আড্ডা; ক্লাবে আড্ডা; বন্ধুর বাড়িতে আড্ডা; সব চলছে। কিছুই তো পরিবর্তন হয় নি। কিছু শতাংশ শিক্ষিত সচেতন মানুষ; যারা নিজেরা বাঁচতে চান আর মানুষকে বাঁচাতে চান; তাঁরাই একমাত্র নিজেদের ঘরবন্দি করেছেন। বাকিরা নিজেদের মত করে; লক ডাউন পালন করছেন।

তাহলে কি হবে? যারা সত্যিকার আইসোলেশনে গেছেন; মোদী মমতার উদ্বেগ বুঝতে পেরেছেন; তার চেয়েও বড় কথা যারা সমাজের ভালো চান; তারা চান অনুরোধে কাজ না হলে; ডান্ডা লাগাক প্রশাসন। লক ডাউন মানাতে; পুলিশ কড়া ব্যবস্থা নিক। এখনও যারা প্রশাসনের অনুরোধ না মেনে নিজের মত চলছেন; তাদের ডান্ডা মেরেই আইন বোঝাক পুলিশ। অর্থাৎ এখনও যারা পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝছেন না; পুলিশের ডাণ্ডাই একমাত্র তাদের বোঝাতে পারে। তবে পুলিশের তরফ থেকে বলা হয়েছে; আপাতত বোঝানোর রাস্তা তেই যেতে চায় পুলিশ।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন