বিদ্যাসাগরকে সতীদাহ বন্ধের ক্রেডিট দেওয়ায় বাবুলকে এসএমএস রাজা রামমোহনের

162
বিদ্যাসাগরকে সতীদাহ বন্ধের ক্রেডিট দেওয়ায় বাবুলকে এসএমএস রাজা রামমোহনের/The News বাংলা
বিদ্যাসাগরকে সতীদাহ বন্ধের ক্রেডিট দেওয়ায় বাবুলকে এসএমএস রাজা রামমোহনের/The News বাংলা

বিদ্যাসাগরকে সতীদাহ বন্ধের ক্রেডিট দেওয়ায়; বাবুলকে এসএমএস রাজা রামমোহনের! সোশ্যাল মিডিয়ায় এমনই দাবি করলেন; কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়। আজকাল তিনি মুখ খুললেই বিস্ফোরণ! লাইম লাইট যেন বাবুল সুপ্রিয়কে ছাড়ছেই না! বৃহস্পতিবার বিদ্যাসাগরকে নিয়ে বেফাঁস মন্তব্য করেন; কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়। সতীদাহ প্রথা নিয়ে এক অন্য থিওরি দেন তিনি। টলিউডের কলাকুশলীদের নিয়ে ‘খোলা হাওয়া’ সংগঠনের আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে; তিনি দাবি করেছিলেন; “সতীদাহ প্রথার বিলোপ ঘটিয়েছিলেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর”।

আরও পড়ুনঃ চাঁদের অন্ধকারে নাসা খুঁজে পেল ভারতের বিক্রমকে

যথারীতি বাবুলের এই মন্তব্যের পরে; তাঁকে নিয়ে হাসির রোল ওঠে সোশ্যাল মিডিয়ায়। কিন্তু বাবুল সুপ্রিয় থেমে যাবার পাত্র নন। তিনি নিজের বক্তব্যের কৈফিয়েত ও পেশ করেন। তাতে তাঁর বিস্ফোরক দাবি যে; তাঁর এই মুখ ফসকে বেরিয়ে যাওয়া মন্তব্যের জন্য; স্বয়ং রাজা রামমোহন রায় তাঁকে ক্ষমা করে এসএমএস পাঠিয়েছেন!

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে নিয়ে এমন মন্তব্যকে ঘিরে; সামাজিক মিডিয়ায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়ের ইতিহাস জ্ঞানকে নিয়ে; ইতিমধ্যে অনেক তামাশা চলছে। তার উপরে বাবুলের এমন অদ্ভুত কৈফিয়েত; আরও বেশি হাসির খোরাক করে তুলেছে তাঁকে।

নিজের বক্তব্যর সাফাই দিতে গিয়ে; আজব ধরনের বাখ্যা দিয়েছেন তিনি। নিজের ফেসবুক ও টুইটারে তিনি লেখেন; “সত্যিই একটা ভুল করেছি। বিদ্যাসাগর নিয়ে কিছু বলবার সময় বিধবা বিবাহ বলতে গিয়ে; তার সঙ্গে সতীদাহ প্রথার অবলুপ্তি যোগ করে দিই। এটাকে বলে স্লিপ অফ টাং”।

নিজের ভুল বক্তব্যকে হালকা করার জন্য তিনি এরপরে হাসির ছলে; রাজা রামমোহন রায়কে টেনে বাবুল বলেন; “যদিও আমাকে রাজা রামমোহন রায় ক্ষমা করে দিয়ে হাসিমুখে এসএমএস পাঠিয়েছেন। এমনকি আশীর্বাদও করেছেন। আপনারাও করে ফেলুন”।

এরপর বামেদের প্রসঙ্গ টেনে বাবুল বলেন; “তবে আমি আর যাই করি; মানুষের ক্ষতি কিন্তু করি না। বৃষ্টির দিনে চা-তেলেভাজা খেতে খেতে; একটি আলোচনা করার মুখরোচক বিষয় তো পেলেন”।

কিন্তু এসব লিখেও সোশ্যাল মিডিয়ায়; নেটিজনদের সমালোচনার থেকে রেহাই পাননি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়। কেউ কেউ বলেছেন; “আমরা রাজ্যে শিক্ষিত মন্ত্রী চাই; আপনাদের মত অশিক্ষিত লোকজন সমাজের ক্ষতি করবে”। কেউ আবার লিখেছেন; “আপনি শুধুই ফুটেজ খাবার উদ্দেশ্যে এইসব করছেন; যা আপনাকে মানায় না”।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন