ফিরল না ঋষভ, পুলকার দুর্ঘটনা কেড়ে নিল তাকে

2510
ফিরল না ঋষভ, পুলকার দুর্ঘটনা কেড়ে নিল তাকে/The News বাংলা

এভাবেই কি চলে যেতে হয়। যার কাছে একটা গোটা ভবিষ্যৎ অপেক্ষা করছিল; মূহুর্তের দুর্ঘটনা আর তারপরেই চিরতরে মায়ের কোল খালি করে চলে গেল ছোট্ট ঋষভ। আট দিনের লড়াই চালিয়েও; শেষ রক্ষা হল না। আট দিন ধরে জমে মানুষে টানাটানির পর প্রাণ গেল ঋষভের। চিকিৎসকদের বাঁচানোর হাজার চেষ্টাও মৃত্যুর কাছে মাথা নত করল। মৃত্যুর আগে সব কটি অঙ্গ; বিকল হয়ে যায় ঋষভের।

গোটা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে সংক্রমণ। বন্ধু দিব্যাংশু মায়ের কোলে ফিরলেও; তার ফেরা হল না। প্রাণোচ্ছল ঋষভকে আর প্রাণ ভরে দেখা হবে না মামা-বাবার। শুক্রবার রাতে; ব্লাড প্রেসার নেমে গিয়েছিল শূণ্যে। আর তারপরেই সব শেষ। মৃত্যুর পর ১৪ ফেব্রুয়ারি পোলবায় স্কুলে যাওয়ার সময় নয়ানজুলিতে পড়়ে যায়; ঋষভের পুল কার। নয়ানজুলিতে পড়ে যায়; ঋষভ ও দিব্যাংশু। এরপরেই ফুসফুসে নয়ানজুলির নোরা কাদা জল ঢুকে যাওয়ায় মাল্টি অরগ্যান ফেলিওর হয়ে পড়ে ঋষভের।

প্রথমে চুঁচুড়ার ইমামবাড়া হাসপাতালে ভর্তি করা হলে; ঋষভের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায়; তাকে কলকাতার এসএসকেএম-এ স্থানান্তরিত করা হয়। কিন্তু ফুসফুস থেকে সব নোংরা কাদা জল সম্পূর্ণ বের করা যায়নি। শত চেষ্টাতেও বাঁচাতে গেল না ঋষভকে। শনিবার সকালে; কল্যাণবন্দ্যোপাধ্যায় ঋষভকে হাসপাতালে দেখতে গিয়ে খোদ কেঁদে ফেলেন।

তবে দুর্ঘটনা যেভাবে শিশুর প্রাণ কেড়ে নিল; তাতে বারে বারে একটাই প্রশ্ন উঠে আসছে; মুখ্যমন্ত্রীর এত সেফ ড্রাইভ; সেভ লাইফ প্রকল্পের পরেও কেন এরকম দুর্ঘটনা ঘটল। কোথাও একটা সচেতনাতেই গলদ ধরা পড়ছে। এমন দুর্ঘটনায় চিন্তার ভাঁজ বাকি অভিভাবকদের কপালে। তারা কি এবার থেকে বাচ্চাদের স্কুলে পাঠিয়ে নিশ্চিন্তে থাকতে পারবেন। নাকি সরকার এবার এমন বিপদ এড়াতে আরও কড়া ব্যবস্থা নেবেন; প্রশ্ন থাকছেই।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন