বাংলায় করোনা চিকিৎসার নামে দিনে ডাকাতি, সরকারকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে অবিশ্বাস্য হাসপাতাল বিল

7861
রাজ্য সরকারকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে অবিশ্বাস্য হাসপাতাল বিল, করোনা থেকে সেরে উঠে হতবাক সন্তোষপুরের বাসিন্দা
রাজ্য সরকারকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে অবিশ্বাস্য হাসপাতাল বিল, করোনা থেকে সেরে উঠে হতবাক সন্তোষপুরের বাসিন্দা

বাংলায় করোনা চিকিৎসার নামে দিনে ডাকাতি; সরকারকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে অবিশ্বাস্য হাসপাতাল বিল। এমনটাই অভিযোগ সন্তোষপুরের এক বাসিন্দার। রাজ্য সরকারের নির্দেশকে অমান্য করে; অবিশ্বাস্য হাসপাতাল বিল। করোনা থেকে সেরে উঠে হতবাক; সন্তোষপুরের বাসিন্দা প্রশান্ত কুমার সিনহা। রুবি জেনারেল হাসপাতাল; তাঁকে ১০ লক্ষ ৩৯ হাজার টাকার বিল ধরিয়েছে। ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে; দিবেন্দ্যু সেন রাজ্যবাসিকে দেখিয়েছেন সেই অবিশ্বাস্য বিল।

আরও পড়ুনঃ বেহাল স্বাস্থ্য ফুটপাতে মৃত্যু, আহত রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করতে পারল না পুলিশও

১৪ দিনের করোনা চিকিৎসার বিল; মাত্র ১০ লক্ষ ৩৯ হাজার টাকা

কি কি খাতে কত টাকা নিয়েছে; তা দেখে একে ‘দিনে ডাকাতি’ বলছেন বাংলার সাধারণ মানুষ। ১৪ দিনের করোনা চিকিৎসার বিল; মাত্র ১০ লক্ষ ৩৯ হাজার টাকা ! যে চিকিৎসার এখনও কোন ওষুধ বেরোয়নি; সেই চিকিৎসার খরচা হয়েছে প্রায় ১১ লাখ টাকা। কিসে কিসে কত খরচ পরেছে? ১৪ দিনের বেডভাড়া ১২,৫০০ টাকা করে; ১,৭৫,০০০ টাকা। Investigations বা পরীক্ষার জন্য ২,১৫,০০০ টাকা। যে রোগের কোন ওষুধ আসেনি বাজারে; তার ওষুধ আর অন্যান্য খরচ ৪,৯৯,০০০ টাকা। এইভাবেই প্রায় ১১ লাখ টাকার বিল বানিয়েছে রুবি হাসপাতাল।

আরও পড়ুনঃ করোনা মৃতদেহ বাড়িতে এনে এলাকায় মিছিল, তৃণমূল নেতাদের সব ছাড়, যত নিয়ম সাধারণ মানুষের জন্য

দিনে ডাকাতি রুবি হাসপাতালের, এমনটাই অভিযোগ

বিলের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট হতেই; তা মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায়। গুরুতর কোভিড আক্রান্তের চিকিৎসায়; প্রয়োজনীয় শয্যার অভাব এবং বেসরকারি হাসপাতালে লাগামছাড়া খরচ। এই দুইয়ের মধ্যে পড়ে নাভিশ্বাস উঠছে; অনেক পরিবারেরই। চিকিৎসকদের একাংশের বক্তব্য; রাজ্যে সংক্রমণের গোড়াপত্তনের সাড়ে চার মাস পরেও; দু’টি মূল সমস্যার সমাধান এখনও সে ভাবে করা যায়নি। উদাসীন রাজ্য সরকার।

আরও পড়ুনঃ কাটমানি না দেওয়ায় রাজ্য সরকারের কাজ বন্ধ করে দিল তৃণমূলের গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান

করোনার নামে গলা কাটছে বাংলার বেসরকারি হাসপাতাল; কড়া নিয়ম আনছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বাস্থ্য দফতর। এমনটাই শোনা গেছে; কিন্তু কাজের কাজ কিছুই যে হয়নি; এই ঘটনা তারই প্রমাণ। করোনা মহামারিতে, বিশেষ স্বাস্থ্য অ্যাডভাইজ়রি সাহায্যে; বেসরকারি হাসপাতালে করোনা চিকিৎসার খরচে; কেন রাশ টানছে না স্বাস্থ্য কমিশন ? কেন খরচের ঊর্ধ্বসীমা বেঁধে দেওয়া হচ্ছে না ? প্রশ্ন বাংলার আমজনতার। কেন এখনও উদাসীন রাজ্য ? প্রশ্ন সাধারণ মানুষের।

পশ্চিমবঙ্গের একমাত্র আসল করোনা প্রোডাক্ট বিক্রেতা
Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন