বিদ্যাসাগরের সিন্দুক থেকে উদ্ধার গোপন নথি, চমকে গেল বাংলা

3573
বিদ্যাসাগরের সিন্দুক থেকে উদ্ধার গোপন নথি, চমকে গেল বাংলা/The News বাংলা
বিদ্যাসাগরের সিন্দুক থেকে উদ্ধার গোপন নথি, চমকে গেল বাংলা/The News বাংলা

বিদ্যাসাগরের সিন্দুক থেকে উদ্ধার গোপন নথি; চমকে গেল বাংলা। চারঘণ্টা পর খুলল; সংস্কৃত বিশ্ববিদ্যালয়ে দুশো বছরের প্রাচীন সিন্দুক। উদ্ধার নথি, খাম ও সার্টিফিকেট। উদ্ধার করা হয় তিনটি স্মারক। যার মধ্যে একটির নাম গঙ্গারানীদেবী স্মারক। বহু দুষ্প্রাপ্য নথি মিলেছে; বিদ্যাসাগরের আমলের সিন্দুক থেকে। একটি ক্যাশবাক্সও পাওয়া গিয়েছে। পাওয়া গেছে বেশ কিছু; খামবন্দি ডকুমেন্ট; যেগুলোতে সংস্কৃত বিশ্ববিদ্যালয়ের সব সম্পত্তির হিসাব আছে বলেই জানাচ্ছেন উপাচার্য।

বিধবা বিবাহ চালু করেন বিদ্যাসাগর; এই তথ্য সকলেরই জানা। কিন্তু সিন্দুক থেকে এমন এক তথ্য সামনে এসেছে; যা আপনাকে শিহরিত করবে। সেখানে বেশকিছু নথি পাওয়া গিয়েছে; যার থেকে প্রমাণিত হয়; বিদ্যাসাগর বিধবা মহিলাদের জন্য একটি ফান্ড চালু করেছিলেন; যার নাম ‘মুক্তোকেশি উইডো ফান্ড’।

মোট আটজন মহিলা; এই ফান্ড থেকে কিছু টাকা পেতেন। দু টাকা করে পেতেন ওই বিধবা মহিলারা, এমনটাই জানা গিয়েছে। শুক্রবার সকাল থেকেই সংস্কৃত বিশ্ববিদ্যালয়ে; সিন্দুক উদ্ধার ঘিরে টানটান উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। কি থাকতে পারে ওই সিন্দুকে; তা জানতে উপস্থিত সকলের মধ্যে ক্রমশ বাড়তে থাকে কৌতুহল। চার ঘণ্টার প্রচেষ্টায় হাতুড়ি দিয়ে তালা ভেঙে; সিন্দুক খোলা সম্ভব হয়।

আরও পড়ুন:গুপ্তধনের সন্ধানে, সংস্কৃত বিশ্ববিদ্যালয়ে দুশো বছরের পুরনো সিন্দুক উদ্ধার

সিন্দুক নিয়ে উপাচার্য জানান; বিদ্যাসাগরের আমলের ব্রিটিশদের সময়কালের এই সিন্দুকটি। ঐতিহাসিকরা এর মূল্য ঠিক করতে পারবেন। মনে হচ্ছে, বিদেশ থেকে সিন্দুকটি এনে তা সংস্কৃত বিশ্ববিদ্যালয়ে দেওয়া হয়। এদিন সকালে সংস্কৃত বিশ্ববিদ্যালয়ের গোডাউন থেকে; সিন্দুকটি উদ্ধার করা হয়। গোডাউন পরিস্কার করাতে গিয়ে; সর্বপ্রথম উপাচার্যের চোখে পড়ে ওই সিন্দুকের উপস্থিতি।

এরপরেই সিন্দুকটি দেখতে গোডাউনে ভিড় জমাতে শুরু করেন; বিশ্ববিদ্যালয় কর্মীরা। পরে সিন্দুকটি উদ্ধার করে আনা হয় উপাচার্যের ঘরে। কয়েকঘণ্টা ধরে সিন্দুকটি ভাঙার চেষ্টা চলে। একটি নব ভেঙে তারপর সিন্দুক ভাঙা সম্ভব হয়।

সিন্দুক খুলতে গিয়ে পরপর চারটি চাবি ভেঙে যায়। সিন্দুকটির একটি লকার থেকে; ১৮২৯ সালের একটি অ্যাটেন্ডেস খাতা পাওয়া যায়। সেই অ্যাটেন্ডেন্স খাতায় ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের নাম পাওয়া গিয়েছে। সিন্দুক খুলতে চাবি ভেঙে গেলেও; পরে হাতুড়ি দিয়ে নব ভেঙে; সিন্দুক খোলা সম্ভব হয়। বেরিয়ে আসে চমকে দেওয়ার মতো সব জিনিস।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন