সাত বছরে নির্ভয়া লড়াইয়ের রিয়েল হিরো সীমা

916
সাত বছরে নির্ভয়া লড়াইয়ের রিয়েল হিরো সীমা/The News বাংলা

সাত বছরে নির্ভয়া লড়াইয়ের রিয়েল ‘হিরো সীমা’। বিনা পারিশ্রামিকেই এক নারীর অদম্য লড়াই। সাত বছর ধরে নির্ভয়ার পরিবারের লড়াইটা; অচিরেই তার নিজের লড়াই হয়ে উঠেছিল। লড়াই শুরুর দিনই ঘটনার বিবরণ শুনেই; একজন মেয়ে হয়ে অন্য মেয়ের যন্ত্রণাটা কোথাও গিয়ে মনে দাগ কেটে ছিল তারও। তাই তো বিনা পারিশ্রমিকে দীর্ঘ লড়াই চালিয়ে গিয়েছেন। ট্যুইটারে ট্রেন্ডিং-য়েও আজ ঘুরে ফিরে সেই একই নাম; সীমা কুশওয়াহা। নির্ভয়ার লড়াইয়ের জার্নিতে হয়তো সেভাবে লাইমলাইটে আসতে দেখা যায়নি তাকে। তবে আজ নির্ভয়া বিচার পেতেই গোটা গল্পে তিনিই ‘হিরো সীমা’।

মেয়েকে বিচার দিতে মায়ের লড়াই, দেশে দৃষ্টান্ত আশা দেবী

তার এই জয়ে ট্যুইটারে অভিনন্দনের ঝড় উঠেছে। অসাধ্য সাধন করেছেন যিনি;তাকে শত কোটি শুভেচ্ছা জানিয়েছে গোটা দেশ। একিদকে যখন এপি সিংয়ের মতো অমানবিক মানুষের জন্য শুধুই ঘৃণা ঝরে পড়েছে দেশের মানুষের মনে; সেখানেই প্রশংসা কুড়িয়েছেন নির্ভয়ার আইনজীবী সীমা কুশওয়াহা।

গোটা দেশে জনতার কারফিউ লাগু করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী

ভারতবাসীর মনের একটা বিশাল জায়গা দখল করে নিয়েছেন এই ‘দেশকি বেটি’। নির্ভয়া চলে গিয়েছিল। কিন্তু মেয়ের মতোই নির্ভয়ার পরিবারের পাশে সুঃখ দুঃখের সঙ্গি হয়ে থেকে গিয়েছিলেন সীমা।এক মুহুর্তের জন্যও পিছিয়ে আসার কথা মাথায় আসেনি।দেশ যেমন নির্ভয়ার মায়ের লড়াকু মানসিকতাকে প্রত্যক্ষ করেছে; দাপুটে সীমার অবদানও এড়িয়ে যাওয়ার নয়।

যিনি সাত বছরের এই সংগ্রামে; নির্ভয়ার পরিবারের কাছ থেকে এক টাকাও নেননি। শুধুই মানবিকতার খাতিয়ে যুদ্ধ এগিয়ে নিয়ে গেছেন; যার ফসল হিসেবে তার ঝুলিতে এসেছে আজকের এই নিরঙ্কুশ জয়। তাকে দেখে অনেকেরই হয়তো বীরজারার রানীকেই মনে পড়ে যাবে। কালো কোর্টে আইনজীবীর ভূমিকায় যিনি; ভিন্ন ধর্মের ভালবাসার দুটি মানুষকে চল্লিশ বছর পর মিলিয়ে দিয়েছিলেন।

সীমাই বা কম কিসের। যার জন্য দেশের বাকি নির্ভয়ারাও; আজ বিচার পেয়েছে। এপি সিং-এর মতো ধূর্ত আইনজীবীর প্রতিদ্বন্দ্বিতা, মিথ্যাচার, নিম্ম মানসিকতা যার সত্যের কাছে মুখ লুকোতে বাধ্য হয়েছে। হেরে গিয়েছে। কথায় বলে ‘‌ভাগ্য সাহসীদের সঙ্গে থাকে’ ; সীমা কুশওয়াহা তার জলজ্যান্ত উদাহরণ।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন