বন্দুকের গুলির ভয় দেখিয়ে একাধিক ছাত্রীকে নিজের লালসার শিকার বানাল গৃহশিক্ষক

374
একাধিক ছাত্রীকে বন্দুক দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ/The News বাংলা/প্রতীকী ছবি
একাধিক ছাত্রীকে বন্দুক দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ/The News বাংলা/প্রতীকী ছবি

ভয়ঙ্কর ঘটনা। এবার বন্দুকের গুলি দেখিয়ে; স্কুল ছাত্রীদের ধর্ষণের অভিযোগ। অভিযোগ উঠল; এক গৃহশিক্ষকের বিরুদ্ধে। দীর্ঘদিন ধরেই প্রাইভেট পড়ানোর পিছনে; একাধিক ছাত্রীকে গান পয়েন্টে রেখে ধর্ষণ করেছে এই শিক্ষক। শহরের নামকরা স্কুল জি ডি বিড়লার এক ছাত্রীর অভিযোগ পেয়ে; অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

অভিযুক্তের নাম রাজীব চক্রবর্তী। নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্র-ছাত্রীদের পড়াত সে। নেতাজীনগরের বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ তার বাড়ি থেকে উদ্ধার করেছে; বেশ কিছু কার্তুজ।

পুলিশ জানিয়েছে, “অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে; আরও কোন কোন ছাত্রীকে সে এইভাবে বন্দুকের গুলি দেখিয়ে ধর্ষণ করেছে! আর এত কার্তুজ তার কাছে এলই বা কোথা থেকে”?

আরও পড়ুনঃ সব্যসাচী দত্তের হাত ধরে বিধাননগর পুরসভা কি বিজেপির হতে চলেছে

অভিযোগকারীনি দক্ষিণ কলকাতার জি ডি বিড়লা স্কুলের; দশম শ্রেণীর এক ছাত্রী। ছাত্রীর বয়ান অনুযায়ী; শুধুমাত্র তার সঙ্গেই নয়; আরও অনেককেই ধর্ষণ করা হয়েছে। ছাত্রীর অভিযোগ, “একাধিকবার ধর্ষিত হওয়ার পর; সে প্রাইভেটে যাওয়া বন্ধ করলে; টিউটর বাড়িতে এসে হুমকি দিয়ে যায়। এমনকি প্রাণে মারার ভয়ও দেখায়”।

শুধুমাত্র এই ছাত্রীই নয়; আরও একাধিক ছাত্রীকে ভয় দেখিয়ে; বন্দুকের গুলি দেখিয়ে ধর্ষণ করেছে অভিযুক্ত। কিন্তু সেই সব ছাত্রীরা; ভয়ে মুখ খুলতে পারেনি। অনেক নাবালিকাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে; ধর্ষণ করেছে অভিযুক্ত। ভয়েই অভিযোগ করার সাহস পায়নি বাকিরা।

আরও পড়ুনঃ রাস্তায় নামাজ বন্ধ করতে বদ্ধপরিকর রাজ্য বিজেপি, চলতে থাকবে হনুমান চালিশা

কেন এতদিন ধরে অভিযোগ হয়নি? অন্য ছাত্রীরা কারা? কেন তারা এখনও অভিযোগ জানাচ্ছে না? জানা গেছে, একটা ট্রমা কাজ করছিল তাদের মধ্যে। তাই আগে এই অভিযোগ উঠে আসেনি। ফলে বাবা-মায়েরাও কোন অভিযোগ করতে পারেননি।

এভাবে আরও কতজন ছাত্রীকে ভুগতে হয়েছে তা খোঁজ করা হচ্ছে। নেতাজীনগর থানা ঘটনার তদন্ত করছে। আরও কতজন ছাত্রী এই লালসার শিকার হয়েছে? এইসবই পুলিশ খতিয়ে দেখবে। ওই গৃহশিক্ষককে মঙ্গলবার আদালতে তোলা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ Exclusive: অধীর চৌধুরী ঘনিষ্ঠই কি হবেন নতুন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি

কলকাতার বুকে এমন নৃশংস অত্যাচারের ঘটনা; ভাবা যাচ্ছে না; বলছেন আমজনতা। ইতিমধ্যেই কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগও খতিয়ে দেখছে পরিস্থিতি।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন