শ্রীকান্ত মেহতা জেলে, তবু বাংলায় হল পাচ্ছেন না জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত পরিচালক

153
শ্রীকান্ত মেহতা জেলে, তবু বাংলায় হল পাচ্ছেন না জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত পরিচালক/The News বাংলা
শ্রীকান্ত মেহতা জেলে, তবু বাংলায় হল পাচ্ছেন না জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত পরিচালক/The News বাংলা

নিজের সিনেমা রিলিজ করার জন্য হল পেলেন না; জাতীয় পুরষ্কার-প্রাপ্ত পরিচালক প্রদীপ্ত ভট্টাচার্য। সারা পশ্চিমবঙ্গে মাত্র ৬টা সিনেমা হল পেল; প্রদীপ্ত ভট্টাচার্যের পরিচালিত সিনেমা রাজলক্ষ্মী ও শ্রীকান্ত। টলিউডে ভালো পরিচালক দ্বারা পরিচালিত সিনেমার সংখ্যা ক্রমশ কমে আসছে; আর তার মধ্যেই চলেছে হল দখলের রাজনীতি। আর এই হল দখলের রাজনীতিতে; সবার উপরে নাম আসে শ্রীকান্ত মেহতার; অভিযোগ এমনটাই। বর্তমানে শ্রীকান্ত মেহতা জেলে; তবুও বাংলায় হল পাচ্ছেন না জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত পরিচালক।

২০ সেপ্টেম্বর রিলিজ করার কথা প্রদীপ্ত ভট্টাচার্যের বহু প্রতীক্ষিত সিনেমা; রাজলক্ষ্মী ও শ্রীকান্ত। তার আগেই সিনেমার হল লিস্ট দেখে; অবাক খোদ পরিচালক থেকে শুরু করে; সবাই। রিলিজের আগেই টিজার ও গান হিট করে যাওয়া; এই সিনেমাটি পশ্চিমবঙ্গে হল পেয়েছে মাত্র ৬টা। তার মধ্যে খোদ কলকাতায় একটিও হল নেই।

আরও পড়ুনঃ রাজীব কুমারকে খুঁজে বের করতে সিবিআইয়ের স্পেশাল ১৪, কোন গর্তে লুকিয়ে গোয়েন্দা

নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক বাংলার নতুন পরিচালকদের অভিযোগ; সিনেমার হল দখল করে রেখে; নতুন প্রোডাকশন হাউসকে চাপে ফেলার চেষ্টা অনেকদিন ধরেই করে আসছেন শ্রীকান্ত মেহতা। জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত পরিচালকের সিনেমা হল না পাওয়ায়; আবারও সামনে এল শ্রীকান্ত মেহতার নাম। ইন্ড্রাস্টিতে অনেকেই মনে করছে; জেলে থাকলেও; নিজের সফটওয়ার নীতি চালু রেখেছেন তিনি।

সিনেমার পরিচালক থেকে শুরু করে কর্মকুশলী; সবাই এই ঘটনায় এতটাই অবাক যে তাঁরা ভাবতেও পারছেন না; তাদের যত্ন করে বানানো সিনেমা কলকাতায় হল পাইনি। পরিচালক প্রদীপ্ত ভট্টাচার্য বুধবার রাতে; নিজের ফেসবুকে এই ঘটনা নিয়ে প্রতিক্রিয়া দেন।

আরও পড়ুনঃ মোদীর পর অমিতের দরবারে মমতা, রাজীব মুখ খুললে সারদা ও রোজভ্যালিতে ডুববেন দিদি

তিনি লিখেছেন; “আমরা কলকাতার একটিও হল পাইনি; কেন পাইনি জানি না। যারা ছবিটা দেখব কোথায় ভাবছেন; তাঁরা দয়া করে কুচবিহার বা ত্রিপুরার টিকিট কেটে; সেখানে গিয়ে ছবিটি দেখতে পাবেন”। তবে পরিচালক প্রদীপ্ত ভট্টাচার্য থেকে শুরু করে; গায়ক তিমির বিশ্বাস সকলের গলাতেই শেষ দেখে ছাড়ার দাবি।

গায়ক তিমির বিশ্বাস বলেন; “গান; টিজার সব কিছু হিট করে যাবার পরেও একটা ছবি কলকাতার একটাও হল কি করে পায় না?” প্রশ্ন উঠছে সবার মনেই; কে বা কারা পিছন থেকে কলকাঠি নেড়ে নিয়ন্ত্রণ করছে এসব! ইন্ডাস্ট্রিতে কেন এই বৈষম্য? তবে আসল সত্য জানার দাবি জানিয়ে; সোশ্যাল মিডিয়ায় সোচ্চার আপামর বাঙালি।

তবে বিজেপির তরফ থেকে বলা হয়েছে; “মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর একদা ঘনিষ্ঠ; শ্রীকান্ত মেহতা বাংলার হল দখলের রাজনীতি অনেকদিন ধরেই করে এসেছেন। আজও সেই প্রথা চলছে”। টলিউডের অন্দরে কান পাতলেই শোনা যায়; শ্রীকান্ত মেহতা গ্রুপের হল দখলের গল্প। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও মন্ত্রী অরুপ বিশ্বাসকে বারবার বলেও; কোন কাজ হয়নি বলেই অভিযোগ অনেকেরই। আর তারই শিকার এবার জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত পরিচালকও।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন