নাক দিয়ে মাউথঅর্গান বাজিয়ে বিশ্বরেকর্ড বাঙালি যুবকের

5897
নাক দিয়ে মাউথঅর্গান বাজিয়ে বিশ্বরেকর্ড বাঙালি যুবকের/The News বাংলা
নাক দিয়ে মাউথঅর্গান বাজিয়ে বিশ্বরেকর্ড বাঙালি যুবকের/The News বাংলা

মাত্র দশ বছর বয়সে; যন্ত্রসঙ্গীত এর তাবড় তাবড় ব্যক্তিত্বদের অবাক করে দিয়ে সোহম্ শুরু করেছিলেন নাক দিয়ে হারমোনিকায় সুর তোলা; যা কিনা চিন্তা ভাবনার ও অতীত। নানান টিভি শো ও দেশ বিদেশের বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম; তাঁর খবর তাঁর খবর পৌছে দিয়েছে জন থেকে জনান্তরে। ইউ এস এর  বিশ্বরেকর্ড সংস্থা তাঁর এই বিস্ময়কর প্রতিভাকে; তাদের রেকর্ড বুকে নথিভুক্ত করেছে। দেশ বিদেশের রেকর্ড বুকে সোহমের ঝুলিতে আজ প্রায় ১৬টি বিশ্বরেকর্ড; নানান ধরনের বাদ্যযন্ত্র নাক দিয়ে বাজিয়ে।

এই অসম্ভব বিস্ময়কর প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই; অলটারনেটিভ মিউজিক নামে অভিহিত করা হয়েছে। আর এইভাবে বাজানোর প্রক্রিয়া আজ থেকে প্রায় তেইশ বছর আগে আবিষ্কার করার জন্য সোহম্ মুখোপাধ্যায় কে ইউ আর এফ রেকর্ড রিসার্চ সংস্থা “দ্য ফাদার অফ নোজ হারমোনিকা ” উপাধিতে ভূষিত করেছেন। সোহমের নাসাবাদন শুধু হারমোনিকায় বা মাউথ অরগ্যানেই থেমে থাকে নি। বিশ্ববিদ্যালয় পাঠরত অবস্থায় তিনি শ্বাসের নিয়ন্ত্রণে বাজানো যন্ত্রগুলিকে একে একে বাজিয়ে ফেলতে থাকেন অক্লেশে ঘন্টার পর ঘন্টা । একে একে আসতে থাকে সাফল্য। বাঁশিতেও হয় বিশ্বরেকর্ড।

কীভাবে সম্ভব হয় এই ভাবে বাজানো? উত্তরে সোহম্ জানান এটা ভারতীয় যোগের মধ্যে অনেক কিছু লুক্কায়িত আছে। শ্বাস প্রশ্বাস সংক্রান্ত ব্যায়াম গুলি মেনে চললে এমনটা সম্ভব। ভবিষ্যতে তিনি ভারতীয় যোগের সাথে সঙ্গীতকে নিয়ে গবেষণা ও প্রচার করতে চান এমনটাও জানালেন। বর্তমান সময়ে নতুন প্রজন্মের মধ্যে হারমোনিকাকে নতুন ভাবে ছড়িয়ে দিতে যে তাঁর এই অভিনব উদ্যোগ একথা অকপটে স্বীকার করেন।

তাঁর কথায়, বর্তমান প্রজন্ম এক অদ্ভুত ব্যাধির স্বীকার , পনের থেকে পঁয়ষট্টি এই মুঠোফোন, ভিডিও গেমস, ল্যাপটপ তথা ভার্চুয়াল দুনিয়ার ঘেরাটোপে আচ্ছন্ন। যন্ত্রসঙ্গীত দিয়ে যদি যন্ত্রকে কিছুটা হলেও দূরে সরিয়ে রাখা যায়, তাহলেও সোহম্ বুঝবেন তার প্রচেষ্টা সফল হতে চলেছে। সাড়া কিছুটা মিলছেও, ফেসবুক, ইউ টিউব, ইনস্টাগ্রামে তাঁর  অগুনতি শ্রোতাবন্ধুদের কাছে সোহম ছড়িয়ে দিচ্ছেন সেই বার্তা। নানান ভাবে মানুষ কে  সচেতন করে চলেছেন নিয়ত।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন