চিতা বাঘ মেরে চামড়া পাচারের সময় গ্রেফতার পুলিশ অফিসারের ছেলে

267
চিতা বাঘ মেরে পাচারের সময় গ্রেফতার পুলিশ অফিসারের ছেলে/The News বাংলা
চিতা বাঘ মেরে পাচারের সময় গ্রেফতার পুলিশ অফিসারের ছেলে/The News বাংলা
Simple Custom Content Adder

উত্তরবঙ্গে ফের চিতা বাঘের চামড়া উদ্ধার। এবার গ্রেফতার এক পুলিশ অফিসারের ছেলে। চিতা বাঘ মেরে চামড়া পাচারের দায়ে পুলিশ অফিসারের ছেলে গ্রেফতার হওয়ায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা উত্তরবঙ্গে।

দার্জিলিং থেকে ভুটানে পাচারের আগেই উদ্ধার হল একটি চিতা বাঘের চামড়া। বৈকন্ঠপুর বন বিভাগের উত্তরবঙ্গের স্পেশাল টাস্কফোর্স, গোপন সূত্রে পাওয়া খবরের ভিত্তিতে অভিযান চালায়। গোপন অভিযানে বৃহস্পতিবার জলপাইগুড়ি জেলার ওদলাবাড়ি এলাকা থেকে চিতা বাঘের চামড়াটি উদ্ধার করে স্পেশাল টাস্কফোর্স। চিতা বাঘ মেরে চামড়া পাচারের সময় গ্রেফতার এক পুলিশ অফিসারের ছেলে।

গ্রেপ্তার করা হয় দার্জিলিংয়ের কনভেন্টে পড়াশুনা করা রীতিমত শিক্ষিত এক যুবককে। ধৃতের নাম আশিস ছেত্রী। তার বাড়ি দার্জিলিংয়ে। তার পিতা আইবিআর পুলিশ অফিসার ও বর্তমানে শিলিগুড়িতে পোস্টিং। বাবার পদের ও নামের সুযোগ নিয়ে সে এই পাচার কাজ চালাত কিনা তা খতিয়ে দেখছে স্পেশাল টাস্কফোর্স।

উত্তরবঙ্গ টাস্ক ফোর্সের প্রধান তথা বেলাকোবার রেঞ্জ অফিসার সঞ্জয় দত্ত বলেন, “গোপন সূত্রে খবর পাওয়া যায় একটি চিতা বাঘের চামড়া দার্জিলিং থেকে ভুটানে পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এই ব্যাপারে বন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে অভিযানে নেমে চিতা বাঘের চামড়াটি উদ্ধার করা হয়েছে”।

তিনি আরও বলেন, “ধৃতকে জেরা করে জানা গিয়েছে দার্জিলিং এর একটি বাগান থেকে ফাঁদ পেতে চিতাবাঘটি ধরার পরে সেটিকে মারা হয়েছিল। গলায় ফাঁস লাগিয়ে বাঘটিকে হত্যা করে তার চামড়া বের করা হয়”।

চামড়াটি একটি পুর্ণ বয়স্ক পুরুষ চিতার। ভুটানে তিন লক্ষ কুড়ি হাজার টাকায় বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল এই চামড়াটি। সঞ্জয়বাবু আরও জানান, যে যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে সে দার্জিলিং এর একটি কনভেন্ট স্কুল থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত পড়াশুনা করেছে। তার পিতা একজন পুলিশ আধিকারিক।

পাচারকারি যুবকের পিতা সেই পুলিশ আধিকারিক বর্তমানে চাকরী সূত্রে শিলিগুড়িতে। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ওয়াইল্ড অ্যাক্ট ও ফরেস্ট অ্যাক্ট অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে পুলিশ আধিকারিকের শিক্ষিত ছেলে কিভাবে পাচারকারি হল বা পাচারকারিদের সঙ্গে যুক্ত হল সেটাই খতিয়ে দেখছে স্পেশাল টাস্কফোর্স।

Comments

comments

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন