মৃত্যুর বিরুদ্ধে লড়ছেন সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁকে মেরেই দিল বাঙালি

2746
মৃত্যুর বিরুদ্ধে লড়ছেন সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, সোশ্যাল মিডিয়ায় মেরেই দিল বাঙালি
মৃত্যুর বিরুদ্ধে লড়ছেন সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, সোশ্যাল মিডিয়ায় মেরেই দিল বাঙালি

মৃত্যুর বিরুদ্ধে লড়ছেন তিনি; চিকিৎসায় সাড়াও দিচ্ছেন; বাঙালির প্রিয় অভিনেতা; সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় হাসপাতাল থেকে আসা, মেডিক্যাল বুলেটিনে; কিছু স্বস্তির খবর পেল গোটা রাজ্যবাসী। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, বাইপ্যাপ সাপোর্ট অর্থাৎ নন ইনভেসিভ ভেন্টিলেশনে; রাখা হয়েছে তাঁকে। অভিনেতার শারীরিক পরিস্থিতি; কিছুটা হলেও উন্নতি হয়েছে। কিন্তু অত্যন্ত লজ্জার এটাই; এই অবস্থাতেও সোশ্যাল মিডিয়ায় সৌমিত্রকে; মেরেই দিল বাঙালি। “আমিও মানুষ”; পোস্ট দিয়ে দুঃখপ্রকাশ করলেন সৌমিত্রর মেয়ে পৌলমি বসু।

মঙ্গলবার অনেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট দেন; ‘রেস্ট ইন পিস সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়’। অনেকে এর বিরুদ্ধে মুখ খোলেন। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় এর মেয়ে পৌলমি বসু; সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট দিয়ে জানান; “বাবা ভালো আছেন”। চিকিৎসকরা এও জানিয়েছেন যে; আগের মতোই কোভিডের চিকিৎসা চলছে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের ৷ সৌমিত্রের এখনও পর্যন্ত; দুবার প্লাজমা থেরাপি হয়েছে ৷ মাঝে মধ্যে শারীরিক অবস্থা বেগতিক হলেও; ডাক্তারদের কড়া নজরে রয়েছেন তিনি।

রবিবার থেকেই সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থা নিয়ে; উদ্বিগ্ন ছিল গোটা দেশবাসী। প্রিয় নায়কের সুস্থতা কামনা করে; প্রার্থনায় মত্ত ছিল বাঙালি। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন; অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের; বাইপ্যাপ বা নন ইনভেসিভ ভেন্টিলেশন খুলে নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেল নাগাদ, দক্ষিণ কলকাতার বেসরকারি হাসপাতালের মেডিক্যাল বুলেটিনে; একথা জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ রাজ্যের সব বেসরকারি স্কুলে ফি কমানোর নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট

মঙ্গলবার সকালে হাসপাতাল সূত্রে খবর পাওয়া গিয়েছিল; সোমবার রাত থেকে প্রবীণ অভিনেতাকে বাইপ্যাপ ভেন্টিলেশনে রাখা হয়েছে। সাধারণ মাত্রাতিরিক্ত শ্বাসকষ্ট না হলে; রোগীকে বাইপ্যাপ ভেন্টিলেশনে রাখা হয়। সেক্ষেত্রে ফুসফুসে অক্সিজেন পাঠানো হলেও; রোগীর শ্বাসপ্রশ্বাস পুরোপুরি যন্ত্রনির্ভর হয় না। পরে দুপুরের দিকে খবর মেলে; সৌমিত্রবাবুকে ইনটেনসিভ ভেন্টিলেশনে (পুরোপুরি যন্ত্রনির্ভর); দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন চিকিৎসকরা।

যদিও বিকেলের মেডিক্যাল বুলেটিনে; ইনটেনসিভ ভেন্টিলেশনের বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি। শুধু সৌমিত্রবাবুকে যে বাইপ্যাপ ভেন্টিলেশনে রাখা হচ্ছে না; সে বিষয়ে জানানো হয়েছে। তবে এর মধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পরে; তিনি মারা গেছেন। এর বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলেছেন অনেক সৌমিত্র ফ্যানই। কিন্তু বাঙালীদের এই সবার থেকে আগে খবর দেবার লোভের কারণেই; মৃত্যুর বিরুদ্ধে লড়তে থাকা; সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়কে মেরে ফেলল বেশ কিছু বাঙালি।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন