অনশনরত প্রাথমিক শিক্ষকদের পাশে দিলীপ ঘোষ, চাপে পড়ে বৈঠক ডাকলেন শিক্ষামন্ত্রী

328
অনশনরত প্রাথমিক শিক্ষকদের পাশে দিলীপ ঘোষ, তড়িঘড়ি বৈঠক ডাকলেন শিক্ষামন্ত্রী/The News বাংলা
অনশনরত প্রাথমিক শিক্ষকদের পাশে দিলীপ ঘোষ, তড়িঘড়ি বৈঠক ডাকলেন শিক্ষামন্ত্রী/The News বাংলা

সল্টলেকে প্রাথমিক শিক্ষকদের অনশন ৮ম দিনে পড়ল। আর ধর্ণা কর্মসূচি ৯ম দিনে। সল্টলেকের উন্নয়ন ভবনের ঠিক উল্টোদিকে; প্রাথমিক শিক্ষকরা অনশন করছেন। এখনও পর্যন্ত ১৮ জন; এই অনশনে আছেন। কিছুক্ষণ আগেই বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ; এই অনশন কর্মসূচিতে ঘুরে গেছেন। সমর্থন জানিয়েছেন; অনশনকারীদের নৈতিক দাবিকে। চাপে পড়ে শনিবারেই ৫ অনশনকারীকে বৈঠকে ডেকেছেন; শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়।

দিলীপ ঘোষ জানিয়েছেন, “সরকার ভালো কথা শুনতে চায় না। অনেক নেতা এসেছেন; অনেকে আসবেন। আমরা লড়াই করতে জানি। আমরা পাশে আছি”। তবে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফ থেকে; কোনরকম সাহায্যের তথ্য না পেয়ে তিনি সমালোচনা করেছেন।

আরও পড়ুনঃ চাঁদে যাওয়ার ৫০ বছরে প্রশ্ন রয়েই গেল, চাঁদে আদৌ মানুষ গিয়েছিল তো

অনশনের মূল দাবি ‘উচিৎ্‌ বেতন দিতে হবে’। যেখানে কেন্দ্রীয় সরকারে; প্রাথমিক শিক্ষকদের পে-স্কেল ৪২০০ টাকা। সেখানে রাজ্যের শিক্ষকদের পে-স্কেল ২৬০০। তাদের দাবি কেন্দ্রীয় সরকারের নিয়িমে; বেতন দিতে হবে। এবং যে ১৪ জন শিক্ষিককে অনৈতিকভাবে; বাড়ি থেকে ৬০০ কিমি দূরে পাঠানো হয়েছে তাদেরকেও সঠিক জায়গায় পোস্ট দিতে হবে।

বাম আমলে মাধ্যমিক উত্তীর্ণরাই; চাকরি পেতেন প্রাথমিক শিক্ষক পদে। কিন্তু তারপর ন্যাশনাল কাউন্সিল অব টিচার্স এডুকেশন যে বিজ্ঞপ্তি দেয়; তাতে উচ্চমাধ্যমিকে নূন্যতম ৫০ শতাংশ নম্বর; অথবা স্নাতক এবং দুবছরের প্রাথমিক প্রশিক্ষণ ছাড়া; প্রাথমিক শিক্ষক হওয়া যাবে না। সেই যোগ্যতা অর্জন করার পরেও। ১ লক্ষ ৮২ হাজার শিক্ষক; এবং সেই শিক্ষকদের সিংহভাগেরই সমস্যা কম বেতন।

অনশনকারীরা আরও জানালেন, “প্রায় দেড় বছর ধরেই; আমাদের আন্দোলন চলছে। এর আগে শিক্ষা মন্ত্রীর সাথে কথাও হয়েছে। তারা মেনেছে যে আমাদের মাইনে কম; এবং পে স্কেল কিছুটা হলেও; স্বাভাবিক করার চেষ্টা করবে তারা। কিন্তু সময় এগিয়েছে শুধু; প্রতিশ্রুতি পূর্ণ হয়নি আজও”।

বিকেল ৪ টের সময় আবার; শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে ৫ জন অনশনরত প্রাথমিক শিক্ষকদের; বৈঠক শুরু হয়েছে। প্রায় ১.৩০ মিনিট ধরে এই বৈঠক হবে। ২১ শে জুলাইয়ের পরে এই বৈঠক হওয়ার কথা ছিল! কিন্তু চাপে পড়ে তা শনিবারেই হয়ে গেল। দীর্ঘ সময়ের এই বৈঠকের পর; কিছু ইতিবাচক সিদ্ধান্তের আশা করছেন অনশনকারীরা।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন