রাজ্য সরকারের বদলি নীতি নিয়ে প্রশ্ন তুলে, আত্মঘাতী মহিলা সরকারি চিকিৎসক

2180
রাজ্য সরকারের বদলি নীতি নিয়ে প্রশ্ন তুলে, আত্মঘাতী মহিলা সরকারি চিকিৎসক
রাজ্য সরকারের বদলি নীতি নিয়ে প্রশ্ন তুলে, আত্মঘাতী মহিলা সরকারি চিকিৎসক

রাজ্য সরকারের বদলি নীতি নিয়ে প্রশ্ন তুলে; আত্মঘাতী মহিলা সরকারি চিকিৎসক। সরকারি চিকিৎসকের; মর্মান্তিক পরিণতি। চাকরিতে বদলির জেরে ক্ষুব্ধ হয়ে; গায়ে আগুন দিয়ে আত্মঘাতী; বাংলার এক মহিলা সরকারি চিকিৎসক। ফেসবুকে পোস্ট করে সরকারের বদলি নীতি নিয়ে; নানা প্রশ্ন তুলে দিয়েছিলেন চিকিৎসক অবন্তিকা ভট্টাচার্য। তারপরেই গায়ে আগুন দেন; ডাক্তার অবন্তিকা ভট্টাচার্য। একটানা প্রায় দুসপ্তাহ হাসপাতালে; যমে-মানুষে টানাটানি চলেছে। শরীরের বেশিরভাগ অংশটাই; পুড়ে গিয়েছিল তাঁর। শেষরক্ষা হল না, এসএসকেএমে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হল; অবন্তিকা ভট্টাচার্য নামে ওই মহিলা চিকিৎসকের।

গত ১৬ অগাস্ট বিকেল সাড়ে ৩টেয়; নিজের ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট করেন চিকিৎসক অবন্তিকা ভট্টাচার্য। সেখানে তিনি লেখেন; “কীভাবে শান্তি পাব; চাকরি থেকে ইস্তফা দিলে? ৮ বছর প্রান্তিক এলাকায় কাজ করার পর; আবার একটা প্রান্তিক জায়গায় ঠেলে দেওয়া হল; তাও আবার একই কাজে; আর নিতে পারছি না। অভিযোগ, এই ফেসবুক পোস্টের আধঘণ্টা পর; গায়ে আগুন দেন অবন্তিকা। ষাট শতাংশ পোড়ার ক্ষত নিয়ে; রবিবার রাতে এসএসকেএমে তাঁর মৃত্যু হয়।

আরও পড়ুনঃ খরচা মাসে ২ কোটি ২৫ লাখ টাকা, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য বিমান ভাড়া নিল রাজ্য সরকার

রাজ্য সরকারের বদলি নীতি নিয়ে প্রশ্ন তুলে; ফেসবুক পোস্টের আধঘণ্টার মধ্যেই আত্মহত্যা! সরকারি চিকিৎসক অবন্তিকা ভট্টাচার্যর, আত্মঘাতী হওয়া ঘিরে; তোলপাড় বাংলার চিকিৎসক মহলে। চিকিৎসক সংগঠনগুলির অভিযোগ, “স্বাস্থ্য দফতরের বদলিতে স্বজনপোষণ হয়; তার জেরেই মানসিক অবসাদ থেকে আত্মহত্যা করেছেন ওই চিকিৎসক। চোখে আঙুল দিয়ে তিনি দেখিয়ে দিলেন; রাজ্যের বদলির নামে কি চলছে”।

আরও পড়ুনঃ এগিয়ে বাংলা, রক্তাক্ত বাংলা, ভ্যাকসিন ক্যাম্পে হুড়োহুড়ি পদপিষ্ট হয়ে আহত অনেকে

তবে IMA-র রাজ্য সম্পাদক তথা তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ শান্তনু সেন বলেছেন; “সরকারের বদলি নীতি স্বচ্ছ; এখানে স্বজনপোষণ হয় না। চিকিৎসকের মৃত্যু দুর্ভাগ্যজনক; তবে কোন অভিযোগ জমা পড়লে; নিরপেক্ষ তদন্ত হবে”। দীর্ঘ ৮ বছর মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে; কমিউনিটি মেডিসিন বিভাগে সহকারী চিকিৎসক হিসেবে কর্মরত ছিলেন অবন্তিকা। সেখান থেকে তাঁকে বদলি করা হয়; ডায়মন্ডহারবার মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। অবন্তিকার স্বামীও চিকিৎসক; বর্তমানে মুর্শিদাবাদে কর্মরত। তাঁদের আট বছরের মেয়ে; দুরারোগ্য অটিজমে আক্রান্ত।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন