আত্মঘাতী হামলায় কাবুলে ১৩ জন মার্কিন সেনাকে উড়িয়ে দিল তালিবান আইএস

2702
আত্মঘাতী হামলায় কাবুলে ১৩ জন মার্কিন সেনাকে উড়িয়ে দিল তালিবান আইএস
আত্মঘাতী হামলায় কাবুলে ১৩ জন মার্কিন সেনাকে উড়িয়ে দিল তালিবান আইএস

আমেরিকান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে, রীতিমত হুঁশিয়ারি দিয়ে; ১৩ জন মার্কিন সেনাকে উড়িয়ে দিল তালিবান। কাবুলে আত্মঘাতী হামলায়, ১৩ জন মার্কিন সেনা ও ৬০ জন আফগানকে; উড়িয়ে দিল তালিবান আইএস। বৃহস্পতিবার কাবুল বিমানবন্দরে, বিস্ফোরণের ঘটনায়; ১৩ জন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে পেন্টাগন। এ ঘটনায় আহত হয়েছে; আরও ১৫ মার্কিন সেনা। হামলার জন্য জঙ্গিগোষ্ঠী আইএসকে; দায়ী করেছে পেন্টাগন। আইএসের পক্ষ থেকেও; হামলার দায় স্বীকার করা হয়েছে।

এরপরেই, কাবুল বিমানবন্দরে হামলা নিয়ে; সরব হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। বৃহস্পতিবার কাবুলে জোড়া বিস্ফোরণের ঘটনার পরে, আফগান পরিস্থিতি নিয়ে ভাষণ দেওয়ার সময়; কড়া বার্তায় বাইডেন জানান যে; মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তানের কাবুল বিমানবন্দরে জোড়া বিস্ফোরণের হামলাকারীদের শনাক্ত করবে। পাল্টা আক্রমণ করার পরিকল্পনা তৈরি করতে; পেন্টাগনকে নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ রয়েল গুর্খা রাইফেলসের দীপ প্রসাদ পুন, একাই মেরেছিলেন ৩০ তালিবান জঙ্গিকে

বিমানবন্দরের বাইরে, একের পর এক; বিস্ফোরণের বিকট শব্দ। চোখের সামনে অসংখ্য মানুষের, দেহের টুকরো উড়তে দেখলেন; কাবুল বিমানবন্দরের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা লোকজন। একটি বা দুটি নয়, স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যাচ্ছে; কমপক্ষে পাঁচটি বিস্ফোরণ হয়েছে কাবুল বিমানবন্দরের বাইরে। ঘটনায় ৬০ জনের মৃত্যু হয়েছে; বলে জানিয়েছে কাবুল স্বাস্থ্যমন্ত্রক। যার মধ্যে আছেন; অনেক মার্কিন নাগরিক।

আরও পড়ুনঃ তালিবানের হাতে খুন পাক অভিনেত্রী পরিবারের ৪ জন, ভারতে থাকায় বাঁচলেন মালিশা হিনা খান

বিস্ফোরণের কয়েকঘণ্টা পরে, হোয়াইট হাউস থেকে সাংবাদিক বৈঠকে; মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানান; যারা এই হামলা চালিয়েছে; তাদের খুঁজে বের করে শাস্তি দেওয়া হবেই। বিস্ফোরণের ঘটনায় ভয় না পেয়ে; উদ্ধারকার্য জারি রাখা হবে বলেই জানিয়েছেন তিনি। ৩১ অগস্ট উদ্ধারকার্যের শেষদিন বেঁধে দেওয়ার পরই; তড়িঘড়ি নাগরিকদের নিজেদের দেশে ফেরানো হচ্ছিল।

বৃহস্পতিবার দুপুরেই আত্মঘাতী হামলা হতে পারে; গোয়েন্দা সূত্রে এই খবরও পাওয়া যায়। আমেরিকা, ব্রিটেন ও অস্ট্রেলিয়ার তরফে, সতর্কতা জারি করে বলা হয়; কেউ যেন বিমানবন্দরে না আসেন। যারা বিমানবন্দরের গেটের বাইরে রয়েছেন; তারাও যেন দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যান। তবে সব জেনেও; মানুষের মৃত্যু আটকাতে পারল না আমেরিকা ও তার বন্ধু দেশরা।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন