আশঙ্কায় গোটা পৃথিবী, ইউক্রেনের জাফোরজিয়ায় পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে আগুন

152
Russia Ukraine Crisis Fire Nuclear Power Plant
আশঙ্কায় গোটা পৃথিবী, ইউক্রেনের জাফোরজিয়ায় পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে আগুন
Simple Custom Content Adder

আশঙ্কায় গোটা পৃথিবী; ইউক্রেনের জাফোরজিয়ায় পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে আগুন। ইউক্রেনের জাফোরজিয়ায় পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে আগুন লেগেছে।। ইউক্রেনের বিদেশমন্ত্রী দিমিত্রো কুলেবার দাবি; জাফোরজিয়ায় ইউরোপের বৃহত্তম পারমাণবিক বিদ্যুৎ-কেন্দ্রের চারপাশে গুলি চালাতে শুরু করে রুশ সেনা; এরপরই আগুন ছড়িয়ে পড়ে সেখানে। জাফোরজিয়ার এই পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিস্ফোরণ হলে; তা চেরনোবিলের তুলনায় দশগুণ বেশি ভয়ানক হবে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছে ইউক্রেন।

১৯৮৬ সালে ইউক্রেনের চেরনোবিল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিস্ফোরণকে; মানব ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ পারমাণবিক দুর্যোগ-ক্ষতি ও মৃত্যু হিসেবে মনে করা হয়। যুদ্ধ শুরুর ২-৩ দিনের মধ্যেই, ইউক্রেনের কর্মকর্তারা বলেছেন; রুশ সেনাবাহিনী চেরনোবিল পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট এই বলে সতর্ক করেছেন যে; রুশ বাহিনী তাদের অভিযান অব্যাহত রাখলে চেরনোবিলের মত আরেকটি বিপর্যয় আবারো ঘটতে পারে। প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা মিখাইলো পোডোলিয়াক মন্তব্য করেছেন; রাশিয়ার ‘সম্পূর্ণ অর্থহীন হামলা’ এই মুহুর্তে ‘ইউরোপের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঝুঁকি তৈরি করেছে’।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট সতর্ক করেছেন যে; রুশ বাহিনী তাদের অভিযান অব্যাহত রাখলে চেরনোবিলের মত আরেকটি বিপর্যয় আবারো ঘটতে পারে। টুইটারে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কি লিখেছেন; “আমাদের রক্ষকরা তাদের জীবন উৎসর্গ করছে; যেন ১৯৮৬ সালের মত ট্র্যাজেডির পুনরাবৃত্তি না হয়”। “এটি পুরো ইউরোপের বিপক্ষে যুদ্ধের ঘোষণা”; ঘোষণা জেলেনস্কির। আলোচনায় সমাধান সূত্র আদৌ বেরোবে কি, না যুদ্ধ আরও ভয়ঙ্কর আকার ধারণ করবে; রাশিয়া এবং ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির দিকে তাকিয়ে গোটা বিশ্ব।

এদিকে দ্বিতীয় দফার আলোচনাতেও; দুই দেশের যুদ্ধে কোন রফাসূত্র মিলল না। তবে যুদ্ধের মধ্যেই আলোচনার দরজা খোলা রাখছে; ইউক্রেন ও রাশিয়া। বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় দফার আলোচনার পর, রাশিয়া-ইউক্রেন উভয়পক্ষই জানিয়েছে যে; খুব শীঘ্রই তৃতীয়বার আলোচনার টেবিলে বসা হবে। পোল্যান্ডের সীমান্তের কাছে বেলারুশে দুই দেশের আলোচনায় সাধারণ মানুষের উদ্ধারের জন্য; মানবিক করিডোর গড়ে তোলার ব্যাপারে সম্মত হয়েছে উভয়পক্ষ। সাধারণ মানুষকে উদ্ধার এবং যুদ্ধ-বিধ্বস্ত অঞ্চলগুলিতে খাদ্য ও ওষুধ পৌঁছে দিতে; এই করিডোর গড়ে তোলার ব্যাপারে রাশিয়া ও ইউক্রেন সম্মত হয়েছে।

যুদ্ধের আজ নবম দিন। দিনে দিনে ইউক্রেনের উপর আক্রমণের তেজ; আরও বাড়াচ্ছে রাশিয়া। ইউক্রেনের একের পর এক শহর; ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। পাল্টা লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে ইউক্রেন সেনা।

Comments

comments

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন