যোগী পুলিশের ‘ঠোক দুঙ্গা’ নীতিতে কাঁপছে রাজ্যের গুণ্ডারা, আগ্রায় খতম মুকেশ ঠাকুর

3997
যোগীর পুলিশের ‘ঠোক দুঙ্গা’ নীতিতে কাঁপছে রাজ্যের গুণ্ডারা, আগ্রায় খতম মুকেশ ঠাকুর
যোগীর পুলিশের ‘ঠোক দুঙ্গা’ নীতিতে কাঁপছে রাজ্যের গুণ্ডারা, আগ্রায় খতম মুকেশ ঠাকুর

বিকাশ দুবের পর; এ বার মুকেশ ঠাকুর। যোগী পুলিশের ‘ঠোক দুঙ্গা’ নীতিতে কাঁপছে রাজ্যের গুণ্ডারা; এবার আগ্রায় খতম মুকেশ ঠাকুর। ফের এনকাউন্টার যোগীর পুলিশের; গ্রেফতারির কয়েক ঘণ্টা পরেই আগ্রায়; সোমবার ভোরে এনকাউন্টারে নিহত গ্যাংস্টার। আরও একটা এনকাউন্টার; উত্তরপ্রদেশ পুলিশের। পুলিশের গুলিতে আগ্রায় মৃত্যু হল; কুখ্যাত দুষ্কৃতী মুকেশ ঠাকুরের। রাজস্থানের বসেড়ির বাসিন্দা মুকেশ ও তার দলবলের বিরুদ্ধে; ব্যাঙ্ক ডাকাতি সহ বিভিন্ন অপরাধের অভিযোগ ছিল। কানাড়া ব্যাঙ্ক লুঠের ঘটনার পর; ফেরার ছিল সে। তার অন্য সঙ্গীদের আগেই; গ্রেফতার করেছিল পুলিশ।

একদম এক চিত্রনাট্য; ধরো আর ঠোকো। এর আগে ইউপির ‘ডন’ বিকাশ দুবে ও তার গ্যাং-এর সদস্য; প্রেমপ্রকাশ পাণ্ডে; অতুল দুবে; অমর দুবে; প্রভাত মিশ্র; প্রবীণ ওরফে বৌবা দুবেকেও সাজানো সংঘর্ষে মেরে ফেলার অভিযোগ উঠেছিল; মুখ্যমন্ত্রী আদিত্যনাথের পুলিশের বিরুদ্ধে। এবার একই ঘটনা ঘটল; আর এক গুন্ডা মুকেশ ঠাকুরের ক্ষেত্রেও। মুকেশের মাথার দাম ৫০ হাজার টাকা; ঘোষণা হয়েছিল উত্তরপ্রদেশ সরকারের তরফ থেকে।

আরও পড়ুন; নীরজ চোপড়ার পর টোকিও অলিম্পিকে ফের জ্যাভলিনে সোনা, প্যারালিম্পিকে ইতিহাস সুমিত আন্তিলের

উত্তরপ্রদেশ পুলিশের আইজি (আগ্রা) নবীন অরোরা জানান; “আগ্রা সদর থানা লাগোয়া এসএনএল গ্রাউন্ডের কাছে; মুকেশের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে দুই পুলিশ কনস্টেবল আহত হয়েছেন। উত্তরপ্রদেশ পুলিশ টুইটারে জানিয়েছে, রবিবার ধৃত মুকেশকে নিয়ে; সোমবার ভোরের দিকে একটি ব্যাঙ্ক ডাকাতিতে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধারে গিয়েছিল পুলিশ। হঠাৎ সে স্পেশাল অপারেশনাল গ্রুপ (এসএজি)-র; এক কনস্টেবলের পিস্তল ছিনিয়ে পালানোর চেষ্টা করে। মুকেশ পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালালে; পুলিশকর্মীরাও পাল্টা গুলি চালান। তাতে গুরুতর জখম হয় মুকেশ; হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

আরও পড়ুন; “আপনাদের চিন্তার কোন কারণ নেই”, মোদী সরকারকে আশ্বাস তালিবানের

২০১৭ সালে ক্ষমতায় আসার পরেই; কুখ্যাত অপরাধীদের উদ্দেশ্যে ‘ঠোক দুঙ্গা’ নীতি নেওয়ার বার্তা দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী আদিত্যনাথ। তারপর থেকেই পরপর; এনকাউন্টার হয়েছে উত্তরপ্রদেশে। নিহত হয়েছেন পুলিশের খাতায় নাম থাকা; অভিযুক্ত শতাধিক ‘অপরাধী’। কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে, সেই এনকাউন্টার আদৌ কতগুলি সঠিক; কতগুলিই বা ভুয়ো। তবে পুলিশের ভূমিকায় খুশি; উত্তরপ্রদেশের মানুষ। গুণ্ডাদের ‘সাফ’ করে দেওয়ায়; যোগী সরকারের প্রশংসায় আমজনতা।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন