২০ হাজারের আমফান দুর্নীতিতে বিধ্বস্ত তৃণমূল, ৫০০ কোটির পিকের মাথায় হাত

5452
২০ হাজারের আমফান দুর্নীতিতে শেষ তৃণমূল, ৫০০ কোটির পিকের মাথায় হাত
২০ হাজারের আমফান দুর্নীতিতে শেষ তৃণমূল, ৫০০ কোটির পিকের মাথায় হাত

না, ২০ হাজার টাকার লোভ; কিছুতেই ছাড়তে পারছেন না। দুই ২৪ পরগনা, নদীয়া, উলুবেড়িয়া, নামখানা, বনগাঁ, মথুরাপুর; কোথায় দুর্নীতি নেই। হাতেনাতে ধরাও পরে যাচ্ছেন; তৃণমূল নেতা নেত্রী ও পঞ্চায়েত সদস্যরা। এলাকায় এলাকায় বিক্ষোভে ফুসছেন সাধারণ মানুষ। আমফান ক্ষতিগ্রস্থ দের তালিকা দেখেই; প্রমাণ হয়ে যাচ্ছে; কিভাবে দুর্নীতি করেছেন; তৃণমূল নেতা নেত্রী ও পঞ্চায়েত সদস্যরা। ২০ হাজারের আমফান দুর্নীতিতে বিধ্বস্ত তৃণমূল, ৫০০ কোটির পিকের মাথায় হাত।

জানা গেছে, করোনা আবহের মধ্যেই; দলে দুর্নীতির জল কতটা গড়িয়েছে; তারই হিসাব কষে দেখে ফেলেছেন তৃণমূলের রণনীতিকার প্রশান্ত কিশোর। আমফান দুর্নীতি নিয়ে প্রচণ্ড বিরক্ত তিনি। তৃণমূলের অন্দরে, পঞ্চায়েত লেভেলে; দুর্নীতি টের পেয়েছেন ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোর। জানা গেছে, তারই রিপোর্ট দিয়ে সতর্ক করলেন মমতাকে। আশঙ্কা করেছেন দুর্নীতির ছায়াই; ‘বুমেরাং’ হতে পারে তৃণমূলের জন্য।

তৃণমূলের আজব আমফান দুর্নীতি, জাকির হোসেনের বাপ অমূল্য বিশ্বাস, কালীপদর ছেলে মণিরুল

অভিযোগ, করোনা ও আমফান সাহায্য নিয়ে; তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ছেন। বিশেষত লকডাউন চলাকালীন এবং ঘূর্ণিঝড় আমফানের ফলে ক্ষতিগ্রস্থদের ত্রাণ বিতরণ নিয়ে; বিস্তর দুর্নীতি করেছেন তৃণমূল নেতারা। এই পরিস্থিতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও; কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তারপরও কিন্তু তৃণমূল নেতারা শোধরায়নি।

আরও পড়ুনঃ আমফান দুর্নীতি, প্রকাশ্যে কান ধরে মানুষের কাছে ক্ষমা চাইল তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য

পঞ্চায়েত স্তরে এখনও; দুর্নীতি চালিয়ে যাচ্ছেন তৃণমূল নেতা সদস্যরা। জানা গেছে, তা নিয়েই উষ্মাপ্রকাশ করেছেন প্রশান্ত কিশোর। তিনি একপ্রকার জানিয়েই দিয়েছেন; তৃণমূল কংগ্রেসের নেতারা এই পথ থেকে সরে না এলে; ২০২১ বিধানসভা ভোটে তা বুমেরাং হয়ে যাবে। আর কোনওভাবেই তৃণমূলকে; লক্ষ্যে পৌঁছে দেওয়া যাবে না। অর্থাৎ ২০২১ বাংলার সরকারে তৃণমূলকে বসানো অসম্ভব হয়ে যাবে; এইভাবে দলে দুর্নীতি চললে।

আরও পড়ুনঃ আমফান ক্ষতির টাকা নিজের পুরো পরিবারের সবাইকে দিলেন তৃণমূল পঞ্চায়েত প্রধান

মমতার সাবধানবাণীর পরেও; এখনও শোধরাননি নেতা-কর্মীরা; এমনই বলছে ভোটকুশলীর রিপোর্ট কার্ড। পিকের পাখির চোখ; আগামী বিধানসভা নির্বাচন। তার আগেই এই দুর্নীতিকে; মেরে ফেলতে হবে; এমনই জানিয়েছেন পিকে। তা না হলে ২০২১-এর বিধানসভা ভোট; বুমেরাং হয়ে যাবে তৃণমূলের। লক্ষ্য তো দূরের কথা; অন্দরের দুর্নীতিই ঘাসফুলকে শেষ করে দেবে; আশঙ্কা করেছেন প্রশান্ত।

‘দিদিকে বলো’ থিতু হয়ে যাওয়ায়; আবার ব্যাপক দুর্নীতি প্রবেশ করেছে দলের মধ্যে। এই প্রসঙ্গে পঞ্চায়েতের দুর্নীতিকে; বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন ভোটগুরু। নির্বাচনের আগেই এই দুর্নীতি দূর করতে; আরও সতর্ক হতে উপদেশ দিলেন তিনি। লোকসভা ভোটের ফলাফলের পরেই; মমতা কাটমানি ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন নেতাদের। তা তো হয় নি; আবার আমফান দুর্নীতিতে জড়িয়ে পরছে; তৃণমূলের একের পর এক গ্রাম পঞ্চায়েত।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন