জীতেন্দ্রর পথেই কি শতাব্দী, দলত্যাগীদের পক্ষে ‘বেসুরো’ শতাব্দীর সওয়াল

7175
জীতেন্দ্রর পথেই কি শতাব্দী, ব্রিগেডের মঞ্চেই কি মোদীর হাত ধরবেন তৃণমূল সাংসদ
জীতেন্দ্রর পথেই কি শতাব্দী, ব্রিগেডের মঞ্চেই কি মোদীর হাত ধরবেন তৃণমূল সাংসদ

জীতেন্দ্রর পথেই কি শতাব্দী? ব্রিগেডের মঞ্চেই কি; মোদীর হাত ধরবেন তৃণমূল সাংসদ। ফের জোর জল্পনা রাজ্য রাজনীতিতে। তৃণমূলের প্রার্থী ঘোষণার আগেই, তারাপীঠে গিয়ে পুজো দিলেন; সাংসদ শতাব্দী রায়। তিনি জানালেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই; তৃতীয়বার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান তিনি। তবে এসবের মাঝেও ‘দলবিরোধী’ সুর; শোনা গেল শতাব্দী রায়ের গলায়। দলের প্রার্থী তালিকা প্রকাশের দিনই; বেশ কিছুটা ‘অন্য়’ সুরে কথা বলতে দেখা গেল; বীরভূমের সাংসদকে। তৃণমূল ছেড়ে যারা বিজেপি যাচ্ছেন; তাঁদের প্রতি নরম সুর শোনা গেল; শতাব্দী রায়ের মুখে। আর তারপরেই জোর জল্পনা; বাংলার রাজনৈতিক মহলে। তাহলে কি জীতেন্দ্র তিওয়ারির মতই; তিনিও আবার পালটি খাবেন?

দলত্য়াগীদের নিয়ে প্রশ্ন করা হয়; সম্প্রতি বিক্ষুব্ধ থেকে ফের দলের অনুগত হয়ে ওঠা শতাব্দীর দিকে। আর তারই উত্তরে; অনেকটাই সুর নরম করতে দেখা যায় তাঁকে। শতাব্দী এদিন বলেন; “অনেকের মনেই রাগ, অসন্তোষ ছিল। দলীয় নেতারা তাঁদের সঙ্গে; কথা বলতে পারতেন। বোঝাতে পারতেন”।

আরও পড়ুনঃ ভোটে জিততে জীবনে প্রথমবার, অস্থায়ী বাড়ি ভাড়া নিতে হচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে

কিন্তু তাতে কি কাজ হতো? শুভেন্দু অধিকারী, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়েরদের সঙ্গে বারবার বৈঠকেও; কোনও রফাসূত্র বের করতে ব্য়র্থ হয়েছে তৃণমূল। তাই আলোচনা করে দলবদল; আটকানো কতটা সম্ভব? এবার অবশ্য় শতাব্দীর নিশানায়; সেই দলত্য়াগীরাই। তাঁর জবাব, “যাঁরা দলের এই দুঃসময়ে ছেড়ে গিয়েছেন; তাঁরা ঠিক করেননি”।

বেশ কিছুদিন আগেই, দলের বিরুদ্ধে; ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন শতাব্দী। নাম না করে নিশানা করেছিলেন; অনুব্রত মণ্ডলকে। সেই সময় কানাঘুষো শোনা গিয়েছিল; বিজেপিতে যোগ দেবেন অভিনেত্রী সাংসদ। পরে ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে; একান্তে বৈঠক করেন তিনি। পরে জানান, সমস্যা মিটেছে। ফলে দলেই থাকবেন তিনি। এসবের পর ভোটের মুখে, দলত্যাগীদের পক্ষে শতাব্দীর সওয়াল; স্বাভাবিকভাবেই ফের উসকে দিয়েছে জল্পনা।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন